ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

কমেছে মুরগি-ডিমের দাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১
  • ২৪৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে মুরগি, ডিম ও সবজির। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে ভোজ্যতেল, চালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। প্রতিকেজি মিষ্টি কুমরা  ২০ থেকে ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, সজিনা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। কিন্তু ছয় কেজি আলু পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা।

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, ক্ষীরা ৪০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মটরশুঁটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।

এছাড়াও প্রতিকেজি শুকনা মরিচ ২০০ টাকা, রসুন ৬০ থেকে ১২০ টাকা, আদা ৬০ টাকা, হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা।

পাঁচ টাকা দাম কমে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায় ও হাঁসের ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। দেশী মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।

কেজিতে ৩০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি সোনালি (কক) মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা ও  ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস ও মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।

এসব বাজারে প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে এক হাজার টাকা, চিংড়ি প্রতিকেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতিকেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, দেশী কৈ মাছ ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইড় মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বাইলা ১২০ টাকা, রূপ চাঁদা মাছ কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা আমিরুল ইসলাম বলেন, খুচরা বাজারে মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে। পবিত্র শবে বরাতে বাজারে মুরগির চাহিদা ছিল। শবে বরাত শেষে বাজারে মুরগির দাম কমে এসেছে।

খামারগুলোতে এখন মুরগি রাখতে চাইছে না। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বাড়ায় পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা মুরগি বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। এসব কারণেই মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

কমেছে মুরগি-ডিমের দাম

আপডেট টাইম : ১১:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে মুরগি, ডিম ও সবজির। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে ভোজ্যতেল, চালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। প্রতিকেজি মিষ্টি কুমরা  ২০ থেকে ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, সজিনা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। কিন্তু ছয় কেজি আলু পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা।

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, ক্ষীরা ৪০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মটরশুঁটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।

এছাড়াও প্রতিকেজি শুকনা মরিচ ২০০ টাকা, রসুন ৬০ থেকে ১২০ টাকা, আদা ৬০ টাকা, হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা।

পাঁচ টাকা দাম কমে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায় ও হাঁসের ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। দেশী মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।

কেজিতে ৩০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি সোনালি (কক) মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা ও  ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস ও মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।

এসব বাজারে প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে এক হাজার টাকা, চিংড়ি প্রতিকেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতিকেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, দেশী কৈ মাছ ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইড় মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বাইলা ১২০ টাকা, রূপ চাঁদা মাছ কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা আমিরুল ইসলাম বলেন, খুচরা বাজারে মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে। পবিত্র শবে বরাতে বাজারে মুরগির চাহিদা ছিল। শবে বরাত শেষে বাজারে মুরগির দাম কমে এসেছে।

খামারগুলোতে এখন মুরগি রাখতে চাইছে না। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বাড়ায় পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা মুরগি বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। এসব কারণেই মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে।