ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

হয়তো আমার ভাগ্যটাই খারাপ -সিমলা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১
  • ২৪৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ১৯৯৯ সালে চলচ্চিত্রে পা রেখেছিলেন চিত্রনায়িকা সিমলা। তার প্রথম ছবি ‘ম্যাডাম ফুলি’। সেই ছবিতেই জিতে নেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক ছবি করে গেছেন। তবে এখন তাকে আর সিনেমার পর্দায় তেমন দেখা যায় না। কিন্তু কেন? উত্তরে সিমলা বলেন, কাজ কে না করতে চায়। অভিনয়ই আমার পেশা।

এটাই করতে চাই। অভিমান, দুঃখ, কষ্ট কিছুই না। আমার দর্শক আছে। সবাই আমাকে পর্দায় দেখতে চায়। যথেষ্ট সুনামও আছে। তাছাড়া কাজ করার মতো পছন্দের শিল্পীও আছে। কিন্তু আসলে কেন জানি ব্যাটে বলে হচ্ছে না। হয়তো আমার ভাগ্যটাই খারাপ। তবে আমি আশাবাদী। ক্রিকেটের ভাষায় বলতে গেলে, আমি টেস্ট প্লেয়ার। আসলে টেস্ট খেলতে দক্ষ হতে হয়। অনেক ধৈর্যেরও ব্যাপার। সে ধৈর্যটা আমার মধ্যে আছে। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে। সিনেমায় আগের মতো কাজ করছেন না। খারাপ লাগা কাজ করে? সিমলা বলেন, কাজের প্রতি ভালোবাসা আছে। আর আমারও কিছু দায়িত্ব আছে। কাজ করছি না বলে কখনও খারাপ লাগা কাজ করেনি। আমি খুবই হাসিখুশি মানুষ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সিমলার বলিউডেও কাজ করার খবর শোনা গিয়েছিল। সেই কাজের খবর কী? সিমলা বলেন, বলিউডের সিনেমাটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। এদিকে অনেক দিন পর্দায় না থাকলেও আসন্ন ঈদুল ফিতরেই মুক্তি পাচ্ছে সিমলা অভিনীত ছবি ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুবেল আনুশ। অসম প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমায় সিমলার বিপরীতে দেখা যাবে ‘ঘেটুপুত্র কমলা’খ্যাত অভিনেতা মামুনকে। সিনেমাটি নিয়ে কতটা আশাবাদী? এ নায়িকা বলেন, অনেক পরিশ্রম আর সময় নিয়ে সিনেমাটি করেছি। কাজটা নিয়ে খুব আশাবাদী। এখন সময় কাটে কিভাবে? সিমলা বলেন, পরিবার নিয়েই আছি। পুরোটা সময় মাকেই দিচ্ছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

হয়তো আমার ভাগ্যটাই খারাপ -সিমলা

আপডেট টাইম : ১০:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ১৯৯৯ সালে চলচ্চিত্রে পা রেখেছিলেন চিত্রনায়িকা সিমলা। তার প্রথম ছবি ‘ম্যাডাম ফুলি’। সেই ছবিতেই জিতে নেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক ছবি করে গেছেন। তবে এখন তাকে আর সিনেমার পর্দায় তেমন দেখা যায় না। কিন্তু কেন? উত্তরে সিমলা বলেন, কাজ কে না করতে চায়। অভিনয়ই আমার পেশা।

এটাই করতে চাই। অভিমান, দুঃখ, কষ্ট কিছুই না। আমার দর্শক আছে। সবাই আমাকে পর্দায় দেখতে চায়। যথেষ্ট সুনামও আছে। তাছাড়া কাজ করার মতো পছন্দের শিল্পীও আছে। কিন্তু আসলে কেন জানি ব্যাটে বলে হচ্ছে না। হয়তো আমার ভাগ্যটাই খারাপ। তবে আমি আশাবাদী। ক্রিকেটের ভাষায় বলতে গেলে, আমি টেস্ট প্লেয়ার। আসলে টেস্ট খেলতে দক্ষ হতে হয়। অনেক ধৈর্যেরও ব্যাপার। সে ধৈর্যটা আমার মধ্যে আছে। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে। সিনেমায় আগের মতো কাজ করছেন না। খারাপ লাগা কাজ করে? সিমলা বলেন, কাজের প্রতি ভালোবাসা আছে। আর আমারও কিছু দায়িত্ব আছে। কাজ করছি না বলে কখনও খারাপ লাগা কাজ করেনি। আমি খুবই হাসিখুশি মানুষ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সিমলার বলিউডেও কাজ করার খবর শোনা গিয়েছিল। সেই কাজের খবর কী? সিমলা বলেন, বলিউডের সিনেমাটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। এদিকে অনেক দিন পর্দায় না থাকলেও আসন্ন ঈদুল ফিতরেই মুক্তি পাচ্ছে সিমলা অভিনীত ছবি ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুবেল আনুশ। অসম প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমায় সিমলার বিপরীতে দেখা যাবে ‘ঘেটুপুত্র কমলা’খ্যাত অভিনেতা মামুনকে। সিনেমাটি নিয়ে কতটা আশাবাদী? এ নায়িকা বলেন, অনেক পরিশ্রম আর সময় নিয়ে সিনেমাটি করেছি। কাজটা নিয়ে খুব আশাবাদী। এখন সময় কাটে কিভাবে? সিমলা বলেন, পরিবার নিয়েই আছি। পুরোটা সময় মাকেই দিচ্ছি।