ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩২ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে: আরিফুল হক চৌধুরী

জান্নাতি যে দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন আল্লাহ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ২৮৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জান্নাতি দুইজন ব্যক্তিকে দেখে মহান আল্লাহ হাসবেন। কারণ, তাদের একজন অপর জনের খুনি। যে খুন হয়েছেন আর যে খুন করেছেন; তারা উভয়েই জান্নাতের মেহমান হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করবেন। আর তাদের দেখেই মহান আল্লাহ হাসবেন। তারা কারা?

সময়ের ব্যবধানে হত্যাকারীর জন্যও জান্নাতের ফয়সালা দেবেন আল্লাহ! যদিও হত্যাকারীর প্রতি রয়েছে আল্লাহর অভিশাপ। আল্লাহ তাআলা কত মেহেরবান!

মানুষ বা মানবতার হত্যা জঘন্যতম অপরাধ। তারপরও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের হাদিসে হত্যাকারীর জন্য জান্নাত পাওয়া কথা এবং তাদের দেখে আল্লাহ হাসবেন বলে বর্ণনা করেছেন হাদিসে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নিশ্চয় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা এমন দুই ব্যক্তির প্রতি (তাকিয়ে) হাসবেন, যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে এবং উভয়েই জান্নাতে যাবে। তাদের একজন আল্লাহর পথে লড়াই করে শহিদ হবে। তারপর আল্লাহ হত্যাকারীর তাওবা কবুল করবেন এবং সে ইসলাম গ্রহণ করে (ইসলামের জন্য) শাহাদাত লাভ করবে। (বুখারি ও মুসলিম)

উক্ত হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, প্রথম ব্যক্তি ইসলামের জন্য প্রথমে শহিদ হবেন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি হলো ওই ব্যক্তি যিনি ইসলাম গ্রহণের আগে প্রথম ব্যক্তিকে শহিদ করেছেন। তারপর ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আল্লাহর কাছে কৃত অপরাধের জন্য তাওবাহ করেছেন। আর ইসলাম গ্রহণের পর নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা উভয় শহিদকে জান্নাত দান করবেন। আর তাদের দেখে হাসবেন।

আসুন নিজের অপরাধের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। তাওবাহ করে গোনাহমুক্ত জীবন লাভ করি। জান্নাতে আল্লাহর মেহমান হই। আল্লাহ তাআলা কবুল করুন। আমিন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা

জান্নাতি যে দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন আল্লাহ

আপডেট টাইম : ০৩:১৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জান্নাতি দুইজন ব্যক্তিকে দেখে মহান আল্লাহ হাসবেন। কারণ, তাদের একজন অপর জনের খুনি। যে খুন হয়েছেন আর যে খুন করেছেন; তারা উভয়েই জান্নাতের মেহমান হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করবেন। আর তাদের দেখেই মহান আল্লাহ হাসবেন। তারা কারা?

সময়ের ব্যবধানে হত্যাকারীর জন্যও জান্নাতের ফয়সালা দেবেন আল্লাহ! যদিও হত্যাকারীর প্রতি রয়েছে আল্লাহর অভিশাপ। আল্লাহ তাআলা কত মেহেরবান!

মানুষ বা মানবতার হত্যা জঘন্যতম অপরাধ। তারপরও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের হাদিসে হত্যাকারীর জন্য জান্নাত পাওয়া কথা এবং তাদের দেখে আল্লাহ হাসবেন বলে বর্ণনা করেছেন হাদিসে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নিশ্চয় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা এমন দুই ব্যক্তির প্রতি (তাকিয়ে) হাসবেন, যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে এবং উভয়েই জান্নাতে যাবে। তাদের একজন আল্লাহর পথে লড়াই করে শহিদ হবে। তারপর আল্লাহ হত্যাকারীর তাওবা কবুল করবেন এবং সে ইসলাম গ্রহণ করে (ইসলামের জন্য) শাহাদাত লাভ করবে। (বুখারি ও মুসলিম)

উক্ত হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, প্রথম ব্যক্তি ইসলামের জন্য প্রথমে শহিদ হবেন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি হলো ওই ব্যক্তি যিনি ইসলাম গ্রহণের আগে প্রথম ব্যক্তিকে শহিদ করেছেন। তারপর ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আল্লাহর কাছে কৃত অপরাধের জন্য তাওবাহ করেছেন। আর ইসলাম গ্রহণের পর নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা উভয় শহিদকে জান্নাত দান করবেন। আর তাদের দেখে হাসবেন।

আসুন নিজের অপরাধের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। তাওবাহ করে গোনাহমুক্ত জীবন লাভ করি। জান্নাতে আল্লাহর মেহমান হই। আল্লাহ তাআলা কবুল করুন। আমিন।