ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

চিকিৎসক মাস্ক না পরেই রোগী দেখছেন, রোগী মাস্ক না পরলেই অসদাচরণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০
  • ৩১৮ বার
বিজয় দাস নেত্রকোনাঃ করোনা মহামারীতে সরকারের স্বাস্থ্য নীতির অমান্য করে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার কাজী বুশরা আমীন মাস্ক না পড়ে জরুরী বিভাগে রোগী দেখছেন। এদিকে রোগী ও রোগীর স্বজনরা মাস্ক না পড়ে সেবা নিতে আসলে তাদের সাথে অসদাচরণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে ডাক্তার বুশরা আমীন নিজেই করোনা প্রজেটিভ ছিলেন।

আজ ৫ই ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে জরুরী বিভাগে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন, আয়েশা আক্তারকে মাস্ককের ব‍্যবহার না করায়, ঠেলাধাক্কা দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দিয়েছেন।  হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দেখা যায় ডাক্তার কাজী বুশরা আমিন নিজে মাস্ক না পড়ে হাসপাতাল জরুরী বিভাগের বাহিরে রোগীর স্বজনদের সাথে বাকবিতন্ডা করছেন। পরক্ষণেই আবার রোগী দেখছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন আয়েশা আক্তার বলেন, আমি মাস্ক না পড়ে জরুরী বিভাগে গেলে তিনি আমাকে বের হয়ে যেতে বলেন। আপনি তো নিজেই মাস্ক পড়েন নি এ কথা বললে আমাকে ঠেলাধাক্কা দিয়ে জরুরী বিভাগে থেকে বের করে দেয়। এ ছাড়া সেবা নিতে আসা রোগী হান্নান মিয়া বলেন, আমাদের সামনেই মহিলা ডাক্তার রোগীর স্বজন আয়েশা আক্তারকে ঠেলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়।

এ ব্যাপারে ডাক্তার বুশরা আমিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি আর কথা বলতে চাই না। রোগীর নিকট থেকে জেনে নেন। রোগীর স্বজনদের ঠেলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বাহিরে যাওয়ার সময় হয়তো লাগতেই পারে।

মদন হাসপাতালের আরএমও সাইম হাসান রিয়াদ জানান, ডাক্তার কাজী বুশরা আমিন মাস্ক না পড়ে রোগী দেখে থাকলে এটা তার ভুল হয়েছে। ঠেলাধাক্কার বিষয়ে অভিযোগ পেলে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে স্বাস্থ্য প্রশাসকের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হাসানুল হোসেন জানান, আমি ছুটিতে আছি। বিষয়টি আরএমও এর মাধ্যমে জেনেছি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

চিকিৎসক মাস্ক না পরেই রোগী দেখছেন, রোগী মাস্ক না পরলেই অসদাচরণ

আপডেট টাইম : ১০:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০
বিজয় দাস নেত্রকোনাঃ করোনা মহামারীতে সরকারের স্বাস্থ্য নীতির অমান্য করে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার কাজী বুশরা আমীন মাস্ক না পড়ে জরুরী বিভাগে রোগী দেখছেন। এদিকে রোগী ও রোগীর স্বজনরা মাস্ক না পড়ে সেবা নিতে আসলে তাদের সাথে অসদাচরণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে ডাক্তার বুশরা আমীন নিজেই করোনা প্রজেটিভ ছিলেন।

আজ ৫ই ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে জরুরী বিভাগে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন, আয়েশা আক্তারকে মাস্ককের ব‍্যবহার না করায়, ঠেলাধাক্কা দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দিয়েছেন।  হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দেখা যায় ডাক্তার কাজী বুশরা আমিন নিজে মাস্ক না পড়ে হাসপাতাল জরুরী বিভাগের বাহিরে রোগীর স্বজনদের সাথে বাকবিতন্ডা করছেন। পরক্ষণেই আবার রোগী দেখছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন আয়েশা আক্তার বলেন, আমি মাস্ক না পড়ে জরুরী বিভাগে গেলে তিনি আমাকে বের হয়ে যেতে বলেন। আপনি তো নিজেই মাস্ক পড়েন নি এ কথা বললে আমাকে ঠেলাধাক্কা দিয়ে জরুরী বিভাগে থেকে বের করে দেয়। এ ছাড়া সেবা নিতে আসা রোগী হান্নান মিয়া বলেন, আমাদের সামনেই মহিলা ডাক্তার রোগীর স্বজন আয়েশা আক্তারকে ঠেলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়।

এ ব্যাপারে ডাক্তার বুশরা আমিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি আর কথা বলতে চাই না। রোগীর নিকট থেকে জেনে নেন। রোগীর স্বজনদের ঠেলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বাহিরে যাওয়ার সময় হয়তো লাগতেই পারে।

মদন হাসপাতালের আরএমও সাইম হাসান রিয়াদ জানান, ডাক্তার কাজী বুশরা আমিন মাস্ক না পড়ে রোগী দেখে থাকলে এটা তার ভুল হয়েছে। ঠেলাধাক্কার বিষয়ে অভিযোগ পেলে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে স্বাস্থ্য প্রশাসকের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হাসানুল হোসেন জানান, আমি ছুটিতে আছি। বিষয়টি আরএমও এর মাধ্যমে জেনেছি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।