ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

মহামারির মাঝেও বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ায় ভালো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০
  • ২৪৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মহামারি করোনাকালেও বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছে। মাথাপিছু প্রবৃদ্ধির বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান আপাতত স্বস্তির। তবে দারিদ্র্যের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। নগদ টাকার প্রবাহ না বাড়াতে পারলে বিপর্যয় দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. ইব্রাহিম খালেদ এসব কথা বলেছেন। তার মতে, মানুষ বেঁচে থাকার জন্যই মহামারি মোকাবিলা করছে। আর বাঁচার জন্যই অর্থনীতিকে গতিশীল রাখছে।

সম্প্রতি তিনি আরো জানান, আমরা একটি বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে জীবন পার করছি। পৃথিবী কোথায় গিয়ে থমকে যাবে, তা বলার সময় আসেনি, অথবা পৃথিবীর গতি কী হবে তাও বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আপাতত ভালো। চলতি বছর ভারতের তুলনায় এখানকার মাথাপিছু প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। কিন্তু এর ভিন্ন আলোচনাও আছে। প্রথমত, ভারতে বিপুল জনগোষ্ঠী। দ্বিতীয়ত, সেখানে অতিধনীর সংখ্যাও যেমন আছে, অতিগরিবের সংখ্যাও আছে। যে কারণে গড় করলে ভারতের সূচক নিম্নগামী হয়। তবে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের লোকসংখ্যা কম হওয়ায় সূচক এতটা নিম্নগামী হয় না।

এদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার মাথাপিছু আয় সবচেয়ে বেশি। আয় বেশি ও জনসংখ্যা কম থাকার কারণে দেশ দুটি এগিয়ে রয়েছে। তবে করোনাকালে তাদেরও থমকে যেতে হচ্ছে।

ড. ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বাংলাদেশ রেমিটেন্স ও রিজার্ভে রেকর্ড গড়েছে। তবে এটি ক্ষণস্থায়ীও হতে পারে, যদি না আমরা প্রবাসী শ্রমিকদের বাজার প্রশস্ত করতে পারি।

এদিকে জাতিসংঘ বলছে, গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে দারিদ্র্যতার হার দাঁড়িয়েছে ৩৯ শতাংশ। মহামারি করোনার আগে ছিল ২০ শতাংশ।

বিশিষ্ট এ অর্থনীতিবিদের মতে, এই সূচক অবশ্যই আগামীর জন্য চ্যালেঞ্জের। সরকারকে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে করোনার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

মহামারির মাঝেও বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ায় ভালো

আপডেট টাইম : ০২:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মহামারি করোনাকালেও বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছে। মাথাপিছু প্রবৃদ্ধির বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান আপাতত স্বস্তির। তবে দারিদ্র্যের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। নগদ টাকার প্রবাহ না বাড়াতে পারলে বিপর্যয় দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. ইব্রাহিম খালেদ এসব কথা বলেছেন। তার মতে, মানুষ বেঁচে থাকার জন্যই মহামারি মোকাবিলা করছে। আর বাঁচার জন্যই অর্থনীতিকে গতিশীল রাখছে।

সম্প্রতি তিনি আরো জানান, আমরা একটি বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে জীবন পার করছি। পৃথিবী কোথায় গিয়ে থমকে যাবে, তা বলার সময় আসেনি, অথবা পৃথিবীর গতি কী হবে তাও বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আপাতত ভালো। চলতি বছর ভারতের তুলনায় এখানকার মাথাপিছু প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। কিন্তু এর ভিন্ন আলোচনাও আছে। প্রথমত, ভারতে বিপুল জনগোষ্ঠী। দ্বিতীয়ত, সেখানে অতিধনীর সংখ্যাও যেমন আছে, অতিগরিবের সংখ্যাও আছে। যে কারণে গড় করলে ভারতের সূচক নিম্নগামী হয়। তবে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের লোকসংখ্যা কম হওয়ায় সূচক এতটা নিম্নগামী হয় না।

এদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার মাথাপিছু আয় সবচেয়ে বেশি। আয় বেশি ও জনসংখ্যা কম থাকার কারণে দেশ দুটি এগিয়ে রয়েছে। তবে করোনাকালে তাদেরও থমকে যেতে হচ্ছে।

ড. ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বাংলাদেশ রেমিটেন্স ও রিজার্ভে রেকর্ড গড়েছে। তবে এটি ক্ষণস্থায়ীও হতে পারে, যদি না আমরা প্রবাসী শ্রমিকদের বাজার প্রশস্ত করতে পারি।

এদিকে জাতিসংঘ বলছে, গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে দারিদ্র্যতার হার দাঁড়িয়েছে ৩৯ শতাংশ। মহামারি করোনার আগে ছিল ২০ শতাংশ।

বিশিষ্ট এ অর্থনীতিবিদের মতে, এই সূচক অবশ্যই আগামীর জন্য চ্যালেঞ্জের। সরকারকে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে করোনার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে।