ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

অনুদানের হলেও এটা দিয়েই কর্মাশিয়ালি ফাইট করবো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০
  • ২৫০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চা বাগানের শ্রমিকদের সার্বিক দিনযাপন নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা ‘ছায়াবৃক্ষ’। সরকারি অনুদানের এই সিনেমাতে প্রথমবারের মত জুটি বেঁধেছেন চিত্রনায়ক নিরব ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অনুমপম কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করছেন বন্ধন বিশ্বাস।

চলতি মাসের শুরুর থেকে ঢাকার অদূরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা-বাগানে ছবিটির ক্যামেরা অন হয়। টানা ২০ দিনের মত শুটিং করার পরিকল্পনা থাকলেও মাঝপথেই শুটিং বন্ধ করে ঢাকায় ফেরেন ছবির পুরো টিম। ৬০ ভাগ কাজ শেষ হলেও গানসহ সেখানে বেশকিছু অংশের শুট বাকি রয়েছে বলেই জানা যায়।

শুটিং বন্ধ রাখার প্রসঙ্গে ছবিটির সহপ্রযোজক অনুপম কথাচিত্রের কর্ণধার অনুপ কুমার বড়ুয়া বলেন, আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে শুটিং স্থগিত করিনি। আমাদের শুটিংকালীন সময়ে হঠাৎ চা–বাগানে অডিট শুরু হয়। যারা চা বাগানের সম্পর্কে আইডিয়া রাখেন তারা জানেন যে, সেখানে অডিটের একটা বিষয় আছে। তাই বাধ্য হয়েই আমরা শুটিং স্থগিত করি। অডিট না হলে আর পাঁচ–সাত দিন টানা শুটিং করলেই ছবিটির কাজ শেষ হয়ে যেতো।’

চিত্রনায়ক নিরব জানান, হঠাৎ করে অডিট শুরু হওয়ায় পরিকল্পনামত কাজ শেষ হয়নি। যার কারণে কিছু অংশের কাজ বাকি রেখেই আমাদেরকে ফিরতে হয়েছে। এখন সেখানে ডিসেম্বরের আগে আর শুটিং করা সম্ভব না। তবে শিগগিরই সেটা শেষ করে ফেলার পরিকল্পনা করছি আমরা। আশা করছি দ্রুতই ছবিটি শেষ করতে পারবো।

চা বাগানে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিরব বলেন, এখানে শুটিং করাটা ভীষণ কষ্ট। একই দিনে দুইরকম আবহাওয়া অনুভূত হয়। দিনে ভয়ঙ্কর গরম আর রাতে প্রচণ্ড কুয়াশা ছিলো। টানা কাজ করতে গিয়ে টীমের প্রায় অনেকেই ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে। একজন শিল্পী তো অজ্ঞান-ই হয়ে গিয়েছিলো। তাকে সুস্থ করে তুলতে হয়েছে, এরপর শুট করতে হয়েছে। এ যেন এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা! শুটিং করেছি এক জায়গায়, মেকাপ নিয়েছি আরেক জায়গায় এবং রাতে থেকেছি অন্য জায়গায়।

আর যেখানেই শুটিং করতে যাই সেখানেই শত শত মানুষ ঝেঁকে ধরতো। নিরাপত্তা কর্মী থাকলেও তারা ভিড় সামলাতে পারতো না। সবকিছু মিলিয়ে ভালোই লেগেছে। ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটাতেও বেশ ভালো লেগেছে।

এই নায়ক আরও বলেন, ‘ছায়াবৃক্ষ’ ছবিতে দর্শক ভিন্নধারা ও বাণিজ্যিক ধারা দুটোরই কম্বিনেশন পাবে। কাজটা ভালোভাবে শেষ করার জন্য পরিশ্রমে ঘাটতি রাখিনি। এটুক বলতে পারি ‘ছায়াবৃক্ষ’ ছবি সরকারি অনুদানের হলেও এটা দিয়েই আমরা কর্মাশিয়ালি ফাইট করতে পারবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

অনুদানের হলেও এটা দিয়েই কর্মাশিয়ালি ফাইট করবো

আপডেট টাইম : ০২:৫৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চা বাগানের শ্রমিকদের সার্বিক দিনযাপন নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা ‘ছায়াবৃক্ষ’। সরকারি অনুদানের এই সিনেমাতে প্রথমবারের মত জুটি বেঁধেছেন চিত্রনায়ক নিরব ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অনুমপম কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করছেন বন্ধন বিশ্বাস।

চলতি মাসের শুরুর থেকে ঢাকার অদূরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা-বাগানে ছবিটির ক্যামেরা অন হয়। টানা ২০ দিনের মত শুটিং করার পরিকল্পনা থাকলেও মাঝপথেই শুটিং বন্ধ করে ঢাকায় ফেরেন ছবির পুরো টিম। ৬০ ভাগ কাজ শেষ হলেও গানসহ সেখানে বেশকিছু অংশের শুট বাকি রয়েছে বলেই জানা যায়।

শুটিং বন্ধ রাখার প্রসঙ্গে ছবিটির সহপ্রযোজক অনুপম কথাচিত্রের কর্ণধার অনুপ কুমার বড়ুয়া বলেন, আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে শুটিং স্থগিত করিনি। আমাদের শুটিংকালীন সময়ে হঠাৎ চা–বাগানে অডিট শুরু হয়। যারা চা বাগানের সম্পর্কে আইডিয়া রাখেন তারা জানেন যে, সেখানে অডিটের একটা বিষয় আছে। তাই বাধ্য হয়েই আমরা শুটিং স্থগিত করি। অডিট না হলে আর পাঁচ–সাত দিন টানা শুটিং করলেই ছবিটির কাজ শেষ হয়ে যেতো।’

চিত্রনায়ক নিরব জানান, হঠাৎ করে অডিট শুরু হওয়ায় পরিকল্পনামত কাজ শেষ হয়নি। যার কারণে কিছু অংশের কাজ বাকি রেখেই আমাদেরকে ফিরতে হয়েছে। এখন সেখানে ডিসেম্বরের আগে আর শুটিং করা সম্ভব না। তবে শিগগিরই সেটা শেষ করে ফেলার পরিকল্পনা করছি আমরা। আশা করছি দ্রুতই ছবিটি শেষ করতে পারবো।

চা বাগানে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিরব বলেন, এখানে শুটিং করাটা ভীষণ কষ্ট। একই দিনে দুইরকম আবহাওয়া অনুভূত হয়। দিনে ভয়ঙ্কর গরম আর রাতে প্রচণ্ড কুয়াশা ছিলো। টানা কাজ করতে গিয়ে টীমের প্রায় অনেকেই ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে। একজন শিল্পী তো অজ্ঞান-ই হয়ে গিয়েছিলো। তাকে সুস্থ করে তুলতে হয়েছে, এরপর শুট করতে হয়েছে। এ যেন এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা! শুটিং করেছি এক জায়গায়, মেকাপ নিয়েছি আরেক জায়গায় এবং রাতে থেকেছি অন্য জায়গায়।

আর যেখানেই শুটিং করতে যাই সেখানেই শত শত মানুষ ঝেঁকে ধরতো। নিরাপত্তা কর্মী থাকলেও তারা ভিড় সামলাতে পারতো না। সবকিছু মিলিয়ে ভালোই লেগেছে। ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটাতেও বেশ ভালো লেগেছে।

এই নায়ক আরও বলেন, ‘ছায়াবৃক্ষ’ ছবিতে দর্শক ভিন্নধারা ও বাণিজ্যিক ধারা দুটোরই কম্বিনেশন পাবে। কাজটা ভালোভাবে শেষ করার জন্য পরিশ্রমে ঘাটতি রাখিনি। এটুক বলতে পারি ‘ছায়াবৃক্ষ’ ছবি সরকারি অনুদানের হলেও এটা দিয়েই আমরা কর্মাশিয়ালি ফাইট করতে পারবো।