ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০
  • ২৬৯ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী ও সুরকার রুনা লায়লা’র ৬৮তম জন্মদিন আজ। জন্মদিন উপলক্ষে দিনটি সাধারণত বিশেষ আয়োজনের মধ্য দিয়েই উদ্‌যাপিত হয়। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে জন্মদিনটিকে ঘিরে কোনো আয়োজনই থাকছে না। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে আজ প্রকাশিত হবে রুনা লায়লা’র সুরে ‘এই দেখা শেষ দেখা’- শিরোনামের একটি গান। এটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সংগীতায়োজন করেছেন রাজা ক্যাশেফ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন লুইফা।

 এই কিংবদন্তির জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে ক্রমান্বয়ে আরো তিনটি গান প্রকাশিত হবে। রুনা লায়লা প্রথম সুর করেন আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ সিনেমায়। জন্মদিনে রুনা তার ভক্ত ও সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। মহামারি এই করোনা থেকে মুক্ত হয়ে সবাই নতুন পৃথিবী দেখবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। ১৯৫২ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন রুনা লায়লা। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সংগীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সংগীত শিল্পী। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন তিনি। কুড়িয়েছেন উপমহাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা। তার ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গান উপমহাদেশ বিখ্যাত। পাকিস্তানের ‘জুুগ্নু’ ছবিতে প্রথম  প্লেব্যাক করেন তিনি। ১৯৭৪ সালে প্রয়াত সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ ছবিতে গান দিয়ে বাংলাদেশের ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অসংখ্য ছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। নন্দিত এই শিল্পী অভিনয় করেছেন ‘শিল্পী’ নামক চলচ্চিত্রেও। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ভূষিত হয়েছেন নানা পুরস্কারে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার। এ ছাড়া ভারত থেকে পেয়েছেন সায়গল পুরস্কার। পাকিস্তান থেকে অর্জন করেছেন নিগার, ক্রিটিক্স, গ্র্যাজুয়েটস পুরস্কারসহ জাতীয় সংগীত পরিষদ স্বর্ণপদক। নব্বইয়ের দশকে গিনেস বুকে স্থান পান এই শিল্পী।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

আপডেট টাইম : ০৯:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০
হাওর বার্তা ডেস্কঃ উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী ও সুরকার রুনা লায়লা’র ৬৮তম জন্মদিন আজ। জন্মদিন উপলক্ষে দিনটি সাধারণত বিশেষ আয়োজনের মধ্য দিয়েই উদ্‌যাপিত হয়। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে জন্মদিনটিকে ঘিরে কোনো আয়োজনই থাকছে না। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে আজ প্রকাশিত হবে রুনা লায়লা’র সুরে ‘এই দেখা শেষ দেখা’- শিরোনামের একটি গান। এটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সংগীতায়োজন করেছেন রাজা ক্যাশেফ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন লুইফা।

 এই কিংবদন্তির জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে ক্রমান্বয়ে আরো তিনটি গান প্রকাশিত হবে। রুনা লায়লা প্রথম সুর করেন আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ সিনেমায়। জন্মদিনে রুনা তার ভক্ত ও সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। মহামারি এই করোনা থেকে মুক্ত হয়ে সবাই নতুন পৃথিবী দেখবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। ১৯৫২ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন রুনা লায়লা। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সংগীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সংগীত শিল্পী। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন তিনি। কুড়িয়েছেন উপমহাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা। তার ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গান উপমহাদেশ বিখ্যাত। পাকিস্তানের ‘জুুগ্নু’ ছবিতে প্রথম  প্লেব্যাক করেন তিনি। ১৯৭৪ সালে প্রয়াত সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ ছবিতে গান দিয়ে বাংলাদেশের ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অসংখ্য ছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। নন্দিত এই শিল্পী অভিনয় করেছেন ‘শিল্পী’ নামক চলচ্চিত্রেও। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ভূষিত হয়েছেন নানা পুরস্কারে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার। এ ছাড়া ভারত থেকে পেয়েছেন সায়গল পুরস্কার। পাকিস্তান থেকে অর্জন করেছেন নিগার, ক্রিটিক্স, গ্র্যাজুয়েটস পুরস্কারসহ জাতীয় সংগীত পরিষদ স্বর্ণপদক। নব্বইয়ের দশকে গিনেস বুকে স্থান পান এই শিল্পী।