ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অধিনায়ক হলে গোল উদযাপন করার সময় পাবেন না হালান্ড সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি—দাবি পাকিস্তানের পানিতে তলিয়ে আছে কমিউনিটি ক্লিনিক, নেই স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে?

চালের দাম বেঁধে দিল সরকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৭৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মিনিকেট চাল (মিলগেট মূল্য) প্রতি ৫০ কেজি বস্তার মূল্য ২ হাজার ৫৭৫ টাকা এবং মাঝারি চাল প্রতি ৫০ কেজি বস্তার মূল্য ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এ মূল্য বাস্তবায়ন না হলে ১০ দিনের মধ্যে সরকার সরু চাল আমদানির অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) খাদ্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে চালকল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক করে প্রথমে ১৫ দিন আগের দামে চাল বিক্রির নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী। এরপর আবার চালকল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করে চালের দাম বেঁধে দেয়া হয়।

এর আগে বৈঠক চলাকালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, চালের দাম ১৫ দিন আগে যা ছিল সে দামেই পুরো অক্টোবরে বিক্রি করতে হবে। কোনোভাবেই এ মাসে আর চালের দাম বাড়ানো যাবে। গত এক সপ্তাহে যে পরিমাণ দাম বেড়েছে তা কমিয়ে আনতে হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মিনিকেট চাল আগের দামে বিক্রি করতে হবে। পাইকারি বাজারে ৫১ থেকে ৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি বস্তা মিনিকেট চালের দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫৭৫ টাকা। আর ২৮ নম্বর বা মাঝারি মানের চাল প্রতি বস্তা ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাইকারিতে প্রতি কেজি চাল ৪৩ থেকে ৪৫ টাকা। এর ব্যত্যয় হলে ১০ দিনের মধ্যে সরু চাল আমদানি করা হবে।

তিনি বলেন, মোটা চাল পর্যাপ্ত মজুত আছে। মানুষ এখন মোটা চাল খায় না। যারা খায় তাদের জন্য ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে দিচ্ছি। আড়ৎদার ও খুচরা বাজারের দাম কৃষি বিপণন ও ভোক্তা অধিকার নির্ধারণ করবে। প্রতিদিন তারা সকালে এটা নির্ধারণ করে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি সপ্তাহে ধান-চালের দাম বাড়ছে। এটা আপনারা করেন না। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে তাহলে আমরা আমদানি করতে বাধ্য হবো চালের দাম আর বাড়াবেন না। গত এক সপ্তাহে যে দাম বাড়িয়েছেন সেটা কমিয়ে আনেন। করোনার সময়ে লাভ কম করেন। আজ থেকে পাক্ষিক ক্ষমতাসম্পন্ন ধান মজুত আছে। যেটা ১৫০ টাকা বাড়িয়েছেন সেটা কমিয়ে আনেন। আপনারা নতুন ধান কেনেন না। তবে চালের দাম কমিয়ে আনতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চালের দাম বেঁধে দিল সরকার

আপডেট টাইম : ০২:১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মিনিকেট চাল (মিলগেট মূল্য) প্রতি ৫০ কেজি বস্তার মূল্য ২ হাজার ৫৭৫ টাকা এবং মাঝারি চাল প্রতি ৫০ কেজি বস্তার মূল্য ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এ মূল্য বাস্তবায়ন না হলে ১০ দিনের মধ্যে সরকার সরু চাল আমদানির অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) খাদ্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে চালকল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক করে প্রথমে ১৫ দিন আগের দামে চাল বিক্রির নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী। এরপর আবার চালকল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করে চালের দাম বেঁধে দেয়া হয়।

এর আগে বৈঠক চলাকালে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, চালের দাম ১৫ দিন আগে যা ছিল সে দামেই পুরো অক্টোবরে বিক্রি করতে হবে। কোনোভাবেই এ মাসে আর চালের দাম বাড়ানো যাবে। গত এক সপ্তাহে যে পরিমাণ দাম বেড়েছে তা কমিয়ে আনতে হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মিনিকেট চাল আগের দামে বিক্রি করতে হবে। পাইকারি বাজারে ৫১ থেকে ৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি বস্তা মিনিকেট চালের দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫৭৫ টাকা। আর ২৮ নম্বর বা মাঝারি মানের চাল প্রতি বস্তা ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাইকারিতে প্রতি কেজি চাল ৪৩ থেকে ৪৫ টাকা। এর ব্যত্যয় হলে ১০ দিনের মধ্যে সরু চাল আমদানি করা হবে।

তিনি বলেন, মোটা চাল পর্যাপ্ত মজুত আছে। মানুষ এখন মোটা চাল খায় না। যারা খায় তাদের জন্য ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে দিচ্ছি। আড়ৎদার ও খুচরা বাজারের দাম কৃষি বিপণন ও ভোক্তা অধিকার নির্ধারণ করবে। প্রতিদিন তারা সকালে এটা নির্ধারণ করে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি সপ্তাহে ধান-চালের দাম বাড়ছে। এটা আপনারা করেন না। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে তাহলে আমরা আমদানি করতে বাধ্য হবো চালের দাম আর বাড়াবেন না। গত এক সপ্তাহে যে দাম বাড়িয়েছেন সেটা কমিয়ে আনেন। করোনার সময়ে লাভ কম করেন। আজ থেকে পাক্ষিক ক্ষমতাসম্পন্ন ধান মজুত আছে। যেটা ১৫০ টাকা বাড়িয়েছেন সেটা কমিয়ে আনেন। আপনারা নতুন ধান কেনেন না। তবে চালের দাম কমিয়ে আনতে হবে।