ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

আর্থিক সাহায্য নয় বরং দোয়া চান সাদেক বাচ্চুর স্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০৭:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৫১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমার স্বামী যা সঞ্চয় রেখে গেছেন তা নিয়ে আমি বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে মোটামুটি সুন্দরভাবে চলতে পারবো। ফেসবুকে প্যাথেটিক কথাবার্তা লেখা হচ্ছে তার আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি। ফেসবুক মানেই বিকৃত করা। আমি কারো কাছে কিছুই চাই না। শুধু আমি আমার বাচ্চা কাচ্চা ও আমার স্বামীর জন্য দোয়া চাই। দেশবাসীর দোয়া পেলেই আমরা সুন্দরভাবে চলে যেতে পারবো।

কথাগুলো গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা সাদেক বাচ্চুর স্ত্রী শাহনাজ। তিনি আরো বলেন, আমার তিন ছেলে-মেয়ে। তিনজনই মাশাল্লাহ ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ে। তিনজনই পড়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজে। আমি সুন্দরভাবে বাচ্চাদের নিয়ে সংসার চালিয়ে নিতে পারবো। আমার কারো আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন নেই। আমি বলেছি- দুঃস্থ শিল্পীদের পাশে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী দাঁড়ান, কারণ আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির আর্থিক সামর্থ্য সেই অর্থে নেই। অনেক ভালো ভালো শিল্পীকেও সহায়তা নিতে হয়। মাশাল্লাহ আমার আর্থিক নয়, শুধু দোয়া দরকার। বাকিটা আমি সামলে নিতে পারবো।

এর আগে ২০১৩ সালে সাদেক বাচ্চুকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছিল। সে সময় ইউনাইটেড হাসপাতলে খরচ হয়েছিল ৩০ লাখ টাকা। যা সাদেক বাচ্চুর অবসরের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে পরিশোধ করা হয়। এরপর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা। তার পরেও ফেরানো যায়নি সাদেক বাচ্চুকে। তিন অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে-মেয়েকে রেখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

২০১৩ সালে ব্রেনস্ট্রোক করে, লাইফ সাপোর্টে চলে গিয়ে ছিলেন ৯ দিন। সে সময় রিটায়ারমেন্টের টাকা মিলিয়ে ৩০ লাখ টাকা ইউনাইটেড হাসপাতালকে পরিশোধ করতে হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই এটা একটা বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা। তবুও আত্মবিশ্বাসী শাহনাজ বলেন, আমার স্বামীর পেনশনের টাকা ও অন্যান্য গচ্ছিত বিষয়গুলো হিসেব করে দেখেছি, আমরা সাচ্ছন্দেই চলতে পারবো। আমার তিন বাচ্চার জন্য দোয়া করবেন তারা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

আর্থিক সাহায্য নয় বরং দোয়া চান সাদেক বাচ্চুর স্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:০৭:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমার স্বামী যা সঞ্চয় রেখে গেছেন তা নিয়ে আমি বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে মোটামুটি সুন্দরভাবে চলতে পারবো। ফেসবুকে প্যাথেটিক কথাবার্তা লেখা হচ্ছে তার আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি। ফেসবুক মানেই বিকৃত করা। আমি কারো কাছে কিছুই চাই না। শুধু আমি আমার বাচ্চা কাচ্চা ও আমার স্বামীর জন্য দোয়া চাই। দেশবাসীর দোয়া পেলেই আমরা সুন্দরভাবে চলে যেতে পারবো।

কথাগুলো গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা সাদেক বাচ্চুর স্ত্রী শাহনাজ। তিনি আরো বলেন, আমার তিন ছেলে-মেয়ে। তিনজনই মাশাল্লাহ ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ে। তিনজনই পড়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজে। আমি সুন্দরভাবে বাচ্চাদের নিয়ে সংসার চালিয়ে নিতে পারবো। আমার কারো আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন নেই। আমি বলেছি- দুঃস্থ শিল্পীদের পাশে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী দাঁড়ান, কারণ আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির আর্থিক সামর্থ্য সেই অর্থে নেই। অনেক ভালো ভালো শিল্পীকেও সহায়তা নিতে হয়। মাশাল্লাহ আমার আর্থিক নয়, শুধু দোয়া দরকার। বাকিটা আমি সামলে নিতে পারবো।

এর আগে ২০১৩ সালে সাদেক বাচ্চুকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছিল। সে সময় ইউনাইটেড হাসপাতলে খরচ হয়েছিল ৩০ লাখ টাকা। যা সাদেক বাচ্চুর অবসরের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে পরিশোধ করা হয়। এরপর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা। তার পরেও ফেরানো যায়নি সাদেক বাচ্চুকে। তিন অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে-মেয়েকে রেখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

২০১৩ সালে ব্রেনস্ট্রোক করে, লাইফ সাপোর্টে চলে গিয়ে ছিলেন ৯ দিন। সে সময় রিটায়ারমেন্টের টাকা মিলিয়ে ৩০ লাখ টাকা ইউনাইটেড হাসপাতালকে পরিশোধ করতে হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই এটা একটা বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা। তবুও আত্মবিশ্বাসী শাহনাজ বলেন, আমার স্বামীর পেনশনের টাকা ও অন্যান্য গচ্ছিত বিষয়গুলো হিসেব করে দেখেছি, আমরা সাচ্ছন্দেই চলতে পারবো। আমার তিন বাচ্চার জন্য দোয়া করবেন তারা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়।