ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

ফের সেই পেঁয়াজে ঝাঁজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ৩০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বন্যার অজুহাতে পাইকারি বিক্রেতাদের সিন্ডিকেটের ফলে ঢাকার বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। যেখানে সপ্তাহ খানেক আগেও এক পাল্লা পেঁয়াজের দাম ছিলো ১৫০ টাকা থেকে ১৭৫ টাকা। সেই পেঁয়াজের দাম এখন কেজিতে বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। প্রতি পাল্লা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৩ শত থেকে ৩২০ টাকা।

রোববার সরেজমিনে রাজধানীর মিরপুর, কাওরান বাজার, গাবতলী, আব্দুল্লাহপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত তিনদিনে পাইকারি আড়তে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা বাজারগুলোতে সব ধরনের পেঁয়াজ দেড়গুণ বাড়তি দামে এখন বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, করোনার কারণে ভারতে থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও অতি বন্যার ফলেও দাম বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির এই সময়ে আমদানি পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় রাজধানীর বাজারগুলোতেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

এদিন বিকেলে মিরপুর-১৪ নম্বর কচুক্ষেত বাজারের দোকানি জহিরুল ইসলাম জানান, খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। সকালে ৬০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি করা হয়েছিলো। আর তিনদিন আগেও ৩৫ থেকে ৪৪ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

ব্যবসায়ী আরো জানান, আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন, যা আগে ছিল ৩০ টাকা। এ হিসাবে পেঁয়াজের দাম দেড়গুণের বেশি বেড়েছে।

পেঁয়াজ আমদানিকারক জালাল আহমেদ বলেন, ভারতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় হিলি বন্দর পর্যন্ত পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজিতে খরচ হচ্ছে। আগে বন্দরে পেঁয়াজ লেনদেন হয়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি। ভারতের নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ায় বাজারে পুরোনো পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

রাজধানীর মহাখালী, মিরপুর, উত্তরা, রামপুরাসহ অন্যান্য বাজারের চিত্রও একই। খুচরায় দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিনদিন আগে সব বাজারে খুচরায় মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

রাজধানীর উত্তরায় কুসল সেন্টারে বাজার করতে আসা লোকমান হায়দার নামের এক বেসরকারি কর্মকর্তা জানান, একদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে চাকরির বেতন কমিয়েছে শতকরা ১০ ভাগ। তারপর আবার বাজারে তরিতরকারির দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ঢাকাতে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ফের সেই পেঁয়াজে ঝাঁজ

আপডেট টাইম : ০৫:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বন্যার অজুহাতে পাইকারি বিক্রেতাদের সিন্ডিকেটের ফলে ঢাকার বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। যেখানে সপ্তাহ খানেক আগেও এক পাল্লা পেঁয়াজের দাম ছিলো ১৫০ টাকা থেকে ১৭৫ টাকা। সেই পেঁয়াজের দাম এখন কেজিতে বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। প্রতি পাল্লা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৩ শত থেকে ৩২০ টাকা।

রোববার সরেজমিনে রাজধানীর মিরপুর, কাওরান বাজার, গাবতলী, আব্দুল্লাহপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত তিনদিনে পাইকারি আড়তে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা বাজারগুলোতে সব ধরনের পেঁয়াজ দেড়গুণ বাড়তি দামে এখন বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, করোনার কারণে ভারতে থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও অতি বন্যার ফলেও দাম বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির এই সময়ে আমদানি পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় রাজধানীর বাজারগুলোতেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

এদিন বিকেলে মিরপুর-১৪ নম্বর কচুক্ষেত বাজারের দোকানি জহিরুল ইসলাম জানান, খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। সকালে ৬০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি করা হয়েছিলো। আর তিনদিন আগেও ৩৫ থেকে ৪৪ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

ব্যবসায়ী আরো জানান, আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন, যা আগে ছিল ৩০ টাকা। এ হিসাবে পেঁয়াজের দাম দেড়গুণের বেশি বেড়েছে।

পেঁয়াজ আমদানিকারক জালাল আহমেদ বলেন, ভারতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় হিলি বন্দর পর্যন্ত পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজিতে খরচ হচ্ছে। আগে বন্দরে পেঁয়াজ লেনদেন হয়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি। ভারতের নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ায় বাজারে পুরোনো পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

রাজধানীর মহাখালী, মিরপুর, উত্তরা, রামপুরাসহ অন্যান্য বাজারের চিত্রও একই। খুচরায় দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিনদিন আগে সব বাজারে খুচরায় মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

রাজধানীর উত্তরায় কুসল সেন্টারে বাজার করতে আসা লোকমান হায়দার নামের এক বেসরকারি কর্মকর্তা জানান, একদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে চাকরির বেতন কমিয়েছে শতকরা ১০ ভাগ। তারপর আবার বাজারে তরিতরকারির দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ঢাকাতে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।