ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

কাল থেকে দেশটিভিতে নতুন ধারাবাহিক ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০
  • ২৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমাদের এই বিশ্বসংসারে যখন প্রতিদিনই কিছু না কিছু অদ্ভুত, অনাকাঙ্ক্ষিত, অমানবিক, হাস্যকর ঘটনা ঘটে চলেছে। আমরা সচেতন বা অবচেতন ভাবে সেইসব ঘটনার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে যাই। ঠিক যেমনটি আবেদ সাহেবের পরিবারে আমরা দেখতে পাই। আবেদ সাহেবের পরিবারের সদস্যসংখ্যা মোটেই ৭ জন। কিন্তু কখনো কখনো এই সাতজনের নানামাত্রিক আচরণে সমস্ত পরিবারের উপর সাত আসমান ভেঙে পড়ে।

এমনিতে সবকিছু ঠিক ঠাক। দুঃখ যা একটু তা শুধুমাত্র বড় মেয়েটাকে নিয়ে। বিয়ের ছয়মাসের মাথায় সংসার করা সম্ভব নয় বলে স্বামীকে ছেড়ে চলে এসেছে। কেন? কি সমস্যা? সেসবের কোনো উত্তর নেই। একেক সময় একেক রকম তথ্য সে দেয়। যার কোনোটা সত্য, কোনোটা বানানো। বড় ছিচকাঁদুনে স্বভাবের। বড় ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করে বেকার। সমাজবদলের যে চিন্তা তার মাথায় ঢুকেছিল ছাত্রাবস্থায় সেই স্বপ্নেই বুঁদ হয়ে একেক সময় একেকরকম কাজে যুক্ত হয়ে পড়ে।

কিছুদিন পর ‘কিচ্ছু হবে না, সব ভন্ড’, এসব বলে সব ছেড়েছুড়ে ঘরবন্দি হয়, নতুন কোনো স্বপ্নে। এখনো অবিবাহিত। প্রেমিকা একজন ছিল বটে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কিন্তু কোন এক অজানা কারণে সম্পর্কচ্ছেদ হয়। ছোট ছেলে-মেয়ে দুটো পিঠাপিঠি। সারাক্ষণ দুজনের মধ্যে ঝগড়া, অভিমান চলতে থাকে। তবে বেশিক্ষণ একা একা থাকতে পারে না। দু জনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। নানান রকম অদ্ভুত আইডিয়া সবসময় তাদের মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে। ছেলেটা প্রেমে পড়েছে বোঝা যায়। কিন্তু মেয়েটা বেশ কনফিউজড এসব ব্যাপারে।

কাল থেকে দেশটিভিতে নতুন ধারাবাহিক ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি

বাসার কাজের লোকটা আবেদ সাহেবেরই গ্রামের। বহু বছর ধরে আছে। তিনকুলে তার কেউ নাই। এই সংসারই তার সংসার। তবে তার ভুলে যাবার রোগ আছে। আবেদ সাহেবের স্ত্রীচরিত্রটিকে সন্তানদের সব ব্যাপারেই সাহায্যকারীর ভূমিকায় দেখা যায়। সন্তানদের সব কিছুতেই তার সায়। অনেক চেষ্টা করেও কঠোর হতে পারে না। আর আবেদ সাহেব এসব দেখতে দেখতে সর্বংসহা। গল্পে আমরা একটা মামা চরিত্র দেখবো, যে মাঝে মাঝে আর্বিভূত হবে। তার একমাত্র মাথাব্যথা বড় ভাগ্নের বিয়ে।

গল্পটি এই পরিবারকেই ঘিরে আবর্তিত হবে। তবে অনুসঙ্গ হয়ে ঢুকে যাবে নিত্যদিনের ঘটে চলা ঘটনা ও তার অভিঘাত। যার একটা প্রভাব দেখতে পাবো সেই সংসারে। যেমন এক সকালে বড় মেয়েটি পত্রিকা পড়ে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করবে এই সংবাদ পড়ে যে, বাংলাদেশের প্রায় ২৭% মানুষ খাবার খেতে পায় না। সকালে নাস্তার টেবিলে সে খেতে আসবে না। তাকে নানাভাবে বোঝানো হবে, তাকে নিয়ে বিভিন্ন বস্তিতে যাওয়া হবে, সবভাই বোনরা মিলে তখন ঝাপিয়ে পড়বে তাকে কিভাবে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরানো যায়। নানান অদ্ভুত উপায় তারা বের করার চেষ্টা করবে।

এতোক্ষণ যা বলা হলো পাঠক হৃদয় নিশ্চই ধারণ করতে পেরেছে যে এটি একটি নাটক সিনেমা কিংবা ড্রামার গল্প। আসলেই আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া একটি ধারাবাহিকের গল্পটা এমনই। সেসব দেখতে কিছুটা হাস্যকর দেখালেও গল্পের ভেতরে সমাজের নানান অসঙ্গতি ভিন্ন কৌশলে দর্শকদের সামনে উপস্থাপিত করা হবে। এভাবেই গল্প এগোতে থাকবে। যেহেতু পরিবারকেন্দ্রিক পুরো চড়াই উৎরাই, তাই এই ধারাবাহিকটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি।’ আর এই ফ্যামিলির সইদস্য হিসেবে অভিনয় করবেন জিয়াউল হাসান কিসলু, ডলি জহুর, শতাব্দি ওয়াদুদ, নাদিয়া, ইরফান সাজ্জাদ, নাদিয়া নদী, কাজী উজ্জল, ইভানা, এস আই শহীদ, ঈশিকা, মৌসুমি বিশ্বাস ও মোস্তফা প্রকাশ।

এটি নির্মাণ করছেন অনন্য ইমন। নাটকটি রচনা করেছেন আদিত্য জায়িদ। ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটকটি ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি মঙ্গল, বুধ,বৃহস্পতিবার  রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রচারিত হবে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন দেশ টিভিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

কাল থেকে দেশটিভিতে নতুন ধারাবাহিক ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি

আপডেট টাইম : ০২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমাদের এই বিশ্বসংসারে যখন প্রতিদিনই কিছু না কিছু অদ্ভুত, অনাকাঙ্ক্ষিত, অমানবিক, হাস্যকর ঘটনা ঘটে চলেছে। আমরা সচেতন বা অবচেতন ভাবে সেইসব ঘটনার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে যাই। ঠিক যেমনটি আবেদ সাহেবের পরিবারে আমরা দেখতে পাই। আবেদ সাহেবের পরিবারের সদস্যসংখ্যা মোটেই ৭ জন। কিন্তু কখনো কখনো এই সাতজনের নানামাত্রিক আচরণে সমস্ত পরিবারের উপর সাত আসমান ভেঙে পড়ে।

এমনিতে সবকিছু ঠিক ঠাক। দুঃখ যা একটু তা শুধুমাত্র বড় মেয়েটাকে নিয়ে। বিয়ের ছয়মাসের মাথায় সংসার করা সম্ভব নয় বলে স্বামীকে ছেড়ে চলে এসেছে। কেন? কি সমস্যা? সেসবের কোনো উত্তর নেই। একেক সময় একেক রকম তথ্য সে দেয়। যার কোনোটা সত্য, কোনোটা বানানো। বড় ছিচকাঁদুনে স্বভাবের। বড় ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করে বেকার। সমাজবদলের যে চিন্তা তার মাথায় ঢুকেছিল ছাত্রাবস্থায় সেই স্বপ্নেই বুঁদ হয়ে একেক সময় একেকরকম কাজে যুক্ত হয়ে পড়ে।

কিছুদিন পর ‘কিচ্ছু হবে না, সব ভন্ড’, এসব বলে সব ছেড়েছুড়ে ঘরবন্দি হয়, নতুন কোনো স্বপ্নে। এখনো অবিবাহিত। প্রেমিকা একজন ছিল বটে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কিন্তু কোন এক অজানা কারণে সম্পর্কচ্ছেদ হয়। ছোট ছেলে-মেয়ে দুটো পিঠাপিঠি। সারাক্ষণ দুজনের মধ্যে ঝগড়া, অভিমান চলতে থাকে। তবে বেশিক্ষণ একা একা থাকতে পারে না। দু জনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। নানান রকম অদ্ভুত আইডিয়া সবসময় তাদের মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে। ছেলেটা প্রেমে পড়েছে বোঝা যায়। কিন্তু মেয়েটা বেশ কনফিউজড এসব ব্যাপারে।

কাল থেকে দেশটিভিতে নতুন ধারাবাহিক ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি

বাসার কাজের লোকটা আবেদ সাহেবেরই গ্রামের। বহু বছর ধরে আছে। তিনকুলে তার কেউ নাই। এই সংসারই তার সংসার। তবে তার ভুলে যাবার রোগ আছে। আবেদ সাহেবের স্ত্রীচরিত্রটিকে সন্তানদের সব ব্যাপারেই সাহায্যকারীর ভূমিকায় দেখা যায়। সন্তানদের সব কিছুতেই তার সায়। অনেক চেষ্টা করেও কঠোর হতে পারে না। আর আবেদ সাহেব এসব দেখতে দেখতে সর্বংসহা। গল্পে আমরা একটা মামা চরিত্র দেখবো, যে মাঝে মাঝে আর্বিভূত হবে। তার একমাত্র মাথাব্যথা বড় ভাগ্নের বিয়ে।

গল্পটি এই পরিবারকেই ঘিরে আবর্তিত হবে। তবে অনুসঙ্গ হয়ে ঢুকে যাবে নিত্যদিনের ঘটে চলা ঘটনা ও তার অভিঘাত। যার একটা প্রভাব দেখতে পাবো সেই সংসারে। যেমন এক সকালে বড় মেয়েটি পত্রিকা পড়ে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করবে এই সংবাদ পড়ে যে, বাংলাদেশের প্রায় ২৭% মানুষ খাবার খেতে পায় না। সকালে নাস্তার টেবিলে সে খেতে আসবে না। তাকে নানাভাবে বোঝানো হবে, তাকে নিয়ে বিভিন্ন বস্তিতে যাওয়া হবে, সবভাই বোনরা মিলে তখন ঝাপিয়ে পড়বে তাকে কিভাবে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরানো যায়। নানান অদ্ভুত উপায় তারা বের করার চেষ্টা করবে।

এতোক্ষণ যা বলা হলো পাঠক হৃদয় নিশ্চই ধারণ করতে পেরেছে যে এটি একটি নাটক সিনেমা কিংবা ড্রামার গল্প। আসলেই আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া একটি ধারাবাহিকের গল্পটা এমনই। সেসব দেখতে কিছুটা হাস্যকর দেখালেও গল্পের ভেতরে সমাজের নানান অসঙ্গতি ভিন্ন কৌশলে দর্শকদের সামনে উপস্থাপিত করা হবে। এভাবেই গল্প এগোতে থাকবে। যেহেতু পরিবারকেন্দ্রিক পুরো চড়াই উৎরাই, তাই এই ধারাবাহিকটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি।’ আর এই ফ্যামিলির সইদস্য হিসেবে অভিনয় করবেন জিয়াউল হাসান কিসলু, ডলি জহুর, শতাব্দি ওয়াদুদ, নাদিয়া, ইরফান সাজ্জাদ, নাদিয়া নদী, কাজী উজ্জল, ইভানা, এস আই শহীদ, ঈশিকা, মৌসুমি বিশ্বাস ও মোস্তফা প্রকাশ।

এটি নির্মাণ করছেন অনন্য ইমন। নাটকটি রচনা করেছেন আদিত্য জায়িদ। ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটকটি ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি মঙ্গল, বুধ,বৃহস্পতিবার  রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রচারিত হবে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন দেশ টিভিতে।