ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

অনুদানের চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য সরকারি অনুদান পায়। এবার এই ছবিটি নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করেছেন যাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার চিত্রপ্রযোজক মো. মিজানুর রহমান। ‘হৃদিতা’ মূলত আনিসুল হকের লেখা একটি উপন্যাস। এ উপন্যাস নিয়েই নির্মিত হবে ছবি।

মিজানুর রহমানের দাবি, ২০১৯ সালের মাঝামাঝি এ উপন্যাস থেকে ছবি নির্মাণের জন্য লেখক আনিসুল হকের লিখিত অনুমতি নেয়া হয়। লেখক উপন্যাসটি নিয়ে ছবি বানানোর জন্য প্রযোজকের অফিসিয়াল প্যাডে লিখিত দেন। সেসময় ছবিটির পরিচালনা করার কথা ছিল দ্বৈত পরিচালক ইস্পাহানি আরিফ জাহানের।

আনিসুল হকের লিখিত অনুমতির পর এ উপন্যাস নিয়ে নির্মিতব্য ছবির মহরতও করা হয়। ছবির নাম রাখা হয়েছিল ‘ড্রিমগার্ল’। যেখানে নায়ক হিসেবে রোশন এবং নায়িকা হিসেবে অধরা খানের অভিনয় করার কথা চূড়ান্ত করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৫ জুন সরকারি অনুদানের গেজেট প্রকাশের পর দেখা যায় আনিসুল হকের ‘হৃদিতা’ উপন্যাস নিয়ে একই নামে ছবির নির্মাণের জন্য অনুদান দেয়া হয়েছে, যেখানে প্রযোজক হিসেবে এমএন ইস্পাহানি ও পরিচালক হিসেবে ইস্পাহানি আরিফ জাহানের নাম উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি নজরে এলে যাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার প্রযোজক মিজানুর রহমান বেশ ক্ষুদ্ধ হন।

তিনি বলেন, আমার কাছে আনিসুল হকের লিখিত অনুমতি আছে। সেখানে কীভাবে অন্য কেউ এ গল্প নিয়ে ছবি নির্মাণের জন্য অনুদান পেতে আবেদন করে? নিশ্চয়ই লেখক অন্য কাউকে তার গল্প নিয়ে ছবি বানানোর অনুমতি দেননি। আমিও সরকারি গেজেটে উল্লেখিত পরিচালক কিংবা প্রযোজককে অনুদানের জন্য জমা দেয়ার অনুমতি দেইনি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা এ ছবির মহরতও আমি করে ফেলেছি। নায়ক নায়িকার সাইনিং মানিও দিয়েছি। শুটিং প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আমার অনেক অর্থও ব্যয় হয়েছে। সুতরাং অন্যায়ভাবে জালিয়াতি করে একটি গল্প প্রযোজকের নাম বদলে অনুদানের জন্য জমা দেয়া আইনের পরিপন্থি। বিষয়টি আমি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে জানাব। এ নিয়ে আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।

তিনি আরো বলেন, হৃদিতা নিয়ে যেহেতু আমি লেখক থেকে ছবি বানানোর অনুমতি নিয়েছি তাই আমিই এটি নির্মাণ করবো। শিগগিরই এ নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এ বিষয়ে হৃদিতার লেখক আনিসুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একবার একজন প্রযোজককেই অনুমতি দিয়েছি। দ্বিতীয়বার কাউকে অনুমতি দেইনি। শেষ পর্যন্ত যতোটুকু জানি, ছবিটি অনুদান পেয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে কে প্রযোজক হচ্ছেন সেটা আমার জানা নেই। বিষয়টি তারা বুঝবেন। আমার কাছে যদি আসে তাহলে আমি যাকে শুরুতে অনুমতি দিয়েছে সেই পাবে। পরবর্তীতে কারা কী করলো সেটা আমার দেখার বিষয় নয়।

তিনি আরো বলেন, যার অফিসিয়াল প্যাডে অনুমতি দিয়েছি সেই প্রযোজক যদি ছবি তৈরির মালিকানা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেন তাহলে সেখানেও আমার কথা এটাই থাকবে, আমি তাকেই অনুমতি দিয়েছি আমার উপন্যাস নিয়ে ছবি নির্মাণ করার, অন্য কাউকে নয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে

অনুদানের চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৩:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য সরকারি অনুদান পায়। এবার এই ছবিটি নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করেছেন যাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার চিত্রপ্রযোজক মো. মিজানুর রহমান। ‘হৃদিতা’ মূলত আনিসুল হকের লেখা একটি উপন্যাস। এ উপন্যাস নিয়েই নির্মিত হবে ছবি।

মিজানুর রহমানের দাবি, ২০১৯ সালের মাঝামাঝি এ উপন্যাস থেকে ছবি নির্মাণের জন্য লেখক আনিসুল হকের লিখিত অনুমতি নেয়া হয়। লেখক উপন্যাসটি নিয়ে ছবি বানানোর জন্য প্রযোজকের অফিসিয়াল প্যাডে লিখিত দেন। সেসময় ছবিটির পরিচালনা করার কথা ছিল দ্বৈত পরিচালক ইস্পাহানি আরিফ জাহানের।

আনিসুল হকের লিখিত অনুমতির পর এ উপন্যাস নিয়ে নির্মিতব্য ছবির মহরতও করা হয়। ছবির নাম রাখা হয়েছিল ‘ড্রিমগার্ল’। যেখানে নায়ক হিসেবে রোশন এবং নায়িকা হিসেবে অধরা খানের অভিনয় করার কথা চূড়ান্ত করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৫ জুন সরকারি অনুদানের গেজেট প্রকাশের পর দেখা যায় আনিসুল হকের ‘হৃদিতা’ উপন্যাস নিয়ে একই নামে ছবির নির্মাণের জন্য অনুদান দেয়া হয়েছে, যেখানে প্রযোজক হিসেবে এমএন ইস্পাহানি ও পরিচালক হিসেবে ইস্পাহানি আরিফ জাহানের নাম উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি নজরে এলে যাদুকাঠি মিডিয়ার কর্ণধার প্রযোজক মিজানুর রহমান বেশ ক্ষুদ্ধ হন।

তিনি বলেন, আমার কাছে আনিসুল হকের লিখিত অনুমতি আছে। সেখানে কীভাবে অন্য কেউ এ গল্প নিয়ে ছবি নির্মাণের জন্য অনুদান পেতে আবেদন করে? নিশ্চয়ই লেখক অন্য কাউকে তার গল্প নিয়ে ছবি বানানোর অনুমতি দেননি। আমিও সরকারি গেজেটে উল্লেখিত পরিচালক কিংবা প্রযোজককে অনুদানের জন্য জমা দেয়ার অনুমতি দেইনি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা এ ছবির মহরতও আমি করে ফেলেছি। নায়ক নায়িকার সাইনিং মানিও দিয়েছি। শুটিং প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আমার অনেক অর্থও ব্যয় হয়েছে। সুতরাং অন্যায়ভাবে জালিয়াতি করে একটি গল্প প্রযোজকের নাম বদলে অনুদানের জন্য জমা দেয়া আইনের পরিপন্থি। বিষয়টি আমি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে জানাব। এ নিয়ে আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।

তিনি আরো বলেন, হৃদিতা নিয়ে যেহেতু আমি লেখক থেকে ছবি বানানোর অনুমতি নিয়েছি তাই আমিই এটি নির্মাণ করবো। শিগগিরই এ নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এ বিষয়ে হৃদিতার লেখক আনিসুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একবার একজন প্রযোজককেই অনুমতি দিয়েছি। দ্বিতীয়বার কাউকে অনুমতি দেইনি। শেষ পর্যন্ত যতোটুকু জানি, ছবিটি অনুদান পেয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে কে প্রযোজক হচ্ছেন সেটা আমার জানা নেই। বিষয়টি তারা বুঝবেন। আমার কাছে যদি আসে তাহলে আমি যাকে শুরুতে অনুমতি দিয়েছে সেই পাবে। পরবর্তীতে কারা কী করলো সেটা আমার দেখার বিষয় নয়।

তিনি আরো বলেন, যার অফিসিয়াল প্যাডে অনুমতি দিয়েছি সেই প্রযোজক যদি ছবি তৈরির মালিকানা নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেন তাহলে সেখানেও আমার কথা এটাই থাকবে, আমি তাকেই অনুমতি দিয়েছি আমার উপন্যাস নিয়ে ছবি নির্মাণ করার, অন্য কাউকে নয়।