ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম: দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০
  • ২৫০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ এক সময় বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি ও অনিয়মের খবর ঘন ঘন গণমাধ্যমের শিরোনাম হতো। এরপর দেশের কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পক্ষ থেকে নানারকম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক স্বার্থে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি/প্রবিধি যথাযথ প্রতিপালনের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য ইউজিসি থেকে পাঠানো পৃথক চিঠিতে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বস্তুত বিভিন্ন অনিয়মের প্রেক্ষাপটে ইউজিসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভিসিকে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে গবেষণা কার্যক্রমটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিধায় কমিশন এ কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকে। এ অর্থ গবেষণা কার্যক্রমে ব্যয় করার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে। বিষয়টি দুঃখজনক। গবেষণা খাতের বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে কী করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশেষভাবে তৎপর হতে হবে।

করোনার তাণ্ডবে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতির মুখে পড়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে কমিশন ও ভিসিদের মধ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যাতে সব শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে ডেটা সরবরাহ এবং সহজ শর্তে ঋণ বা মঞ্জুরির আওতায় স্মার্টফোন সুবিধার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য ইউজিসি থেকে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। যেসব শিক্ষার্থীর ডিভাইস ক্রয়ের আর্থিক সক্ষমতা নেই, তারা যাতে সময়মতো ডিভাইসসহ অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় ভাগ বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে না। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বাড়তি কিছু শর্ত আরোপ করেছে, যা বিদ্যমান নিয়ম ব্যত্যয়ের শামিল। এ অনিয়মের বিষয়টি ইউজিসির নজরে এসেছে।

কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নিজেদের আত্মীয়স্বজনের সন্তানকে দরিদ্র দেখিয়ে বিনা মূল্যে পড়াচ্ছেন। আবার কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে অধ্যয়ন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম: দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে

আপডেট টাইম : ০৯:৩৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ এক সময় বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি ও অনিয়মের খবর ঘন ঘন গণমাধ্যমের শিরোনাম হতো। এরপর দেশের কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পক্ষ থেকে নানারকম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক স্বার্থে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি/প্রবিধি যথাযথ প্রতিপালনের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য ইউজিসি থেকে পাঠানো পৃথক চিঠিতে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বস্তুত বিভিন্ন অনিয়মের প্রেক্ষাপটে ইউজিসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভিসিকে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে গবেষণা কার্যক্রমটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিধায় কমিশন এ কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকে। এ অর্থ গবেষণা কার্যক্রমে ব্যয় করার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে। বিষয়টি দুঃখজনক। গবেষণা খাতের বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে কী করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশেষভাবে তৎপর হতে হবে।

করোনার তাণ্ডবে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতির মুখে পড়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে কমিশন ও ভিসিদের মধ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যাতে সব শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে ডেটা সরবরাহ এবং সহজ শর্তে ঋণ বা মঞ্জুরির আওতায় স্মার্টফোন সুবিধার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য ইউজিসি থেকে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। যেসব শিক্ষার্থীর ডিভাইস ক্রয়ের আর্থিক সক্ষমতা নেই, তারা যাতে সময়মতো ডিভাইসসহ অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় ভাগ বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে না। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বাড়তি কিছু শর্ত আরোপ করেছে, যা বিদ্যমান নিয়ম ব্যত্যয়ের শামিল। এ অনিয়মের বিষয়টি ইউজিসির নজরে এসেছে।

কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নিজেদের আত্মীয়স্বজনের সন্তানকে দরিদ্র দেখিয়ে বিনা মূল্যে পড়াচ্ছেন। আবার কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে অধ্যয়ন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।