ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

ঋণ পরিশোধে সুযোগ দেয়া নিয়ে যা বলেছেন বিশ্বনবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০
  • ২৭৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কে সেই ব্যক্তি? যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেয়, ফলে আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ, বহুগুণ বাড়িয়ে দেবেন। আর আল্লাহই রিজিক সংকুচিত করেন এবং বাড়িয়ে দেন। আর তোমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৪৫)

কুরআনুল কারিমের এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঋণ দেয়ার প্রতি এ মর্মে উদ্বুদ্ধ করেছেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে ঋণ দেয় তবে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তিকে দ্বিগুণ-বহুগুণ (সম্পদ) বাড়িয়ে দেবেন।

 সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ঋণ নেয়ার পর তা পরিশোধে অপরাগ। ঋণে পরিশোধে অপরাগ ব্যক্তিদের বাড়ি-ঘর কেড়ে নেয়ার সংবাদও শোনা যায়। আবার সামান্য ঋণের কারণে গুম-খুন-হত্যার মতো জঘন্য ঘটনাও ঘটে থাকে। অথচ হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে তা পরিশোধে সময় সুযোগ দেয়ার জন্য নসিহত পেশ করেছেন।

বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনার কারণে অনেক মানুষ জীবন-যাপনে কষ্ট ভোগ করছেন। এরই মাঝে যারা ঋণগ্রস্ত তাদের অবস্থা আরও বেশি শোচনীয়। সুযোগ থাকলে এ মুহূর্তে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদের সময় ও সুযোগ দেয়া জরুরি। হাদিসে পাকে এক ঋণদাতা ব্যক্তির ঘটনা উঠে এসেছে। যা প্রত্যেকের জন্য হতে পারে অনুসরণযোগ্য।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করেন-
কেয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আল্লাহর সামনে আনা হবে। আল্লাহ তাআলা তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, বল, তুমি আমার জন্য কী সাওয়াব অর্জন করেছ?

ওই ব্যক্তি বলবে, হে আল্লাহ! আমি একটি অণু পরিমাণ সাওয়াবের কাজও করতে পারিনি। যার প্রতিদান আজ আমি আপনার কাছে চাইতে পারি।

এবার লোকটি বলবে, হে আল্লাহ! একটি সামান্য আমলের কথা মনে পড়ছে। আপনি দয়া করে আমাকে কিছু সম্পদ দান করেছিলেন। আমি ব্যবসা করতাম। লোকেরা আমার কাছ থেকে (প্রয়োজনে) ঋণ-কর্জ নিত।

কিন্তু আমি যখন দেখতাম এই (ঋণগ্রস্ত) ব্যক্তি দরিদ্র এবং নির্ধারিত সময়ে সে কর্জ পরিশোধ করতে পারছে না তখন আমি তাকে আরও কিছুদিন অবকাশ (সময় ও সুযোগ) দিতাম। (এমনকি) ধনীদের উপরও পীড়াপীড়ি করতাম না। (অনেক সময়) অত্যন্ত দরিদ্র ব্যক্তিকে ক্ষমাও করে দিতাম। আল্লাহ আমার এই ছোট্ট আমল ছাড়া আর কোনো কিছুই মনে পড়ছেনা।

তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, তুমি আমার বান্দাদের জন্য কর্জ পরিশোধ করা সহজ করে দিয়েছিলে, তাহলে আমি কেন তোমার পথ সহজ করে দেব না? আমি তো সর্বাপেক্ষা বেশি দানশীল ও দয়ালু। যাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। তুমি জান্নাতে চলে যাও।’ (সুবহানাল্লাহ!)

ঋণ পরিশোধে সময় সুযোগ দেয়ার ঘটনা নিয়ে বর্ণিত প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ হাদিসটি হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ- মুসলিম, ইবনে মাজাহ ও ফাতহুল বারিতে বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ হাদিসটি হতে পারে ঋণদাতাতের জন্য পরকালের নাজাতের উসিলা। বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।

আবার ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য জরুরি হলো, যথাসময়ে ঋণ পরিশোধের সর্বাত্মক চেষ্টা থাকা। আল্লাহর কাছে ঋণ থেকে মুক্ত হতে প্রার্থনা করা। যেভাবে প্রার্থনা করতে শিখিয়েছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর তাহলো-
– اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكِ عَمَّنْ سِوَاكَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা আম্মান সিওয়াক।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার হালালের সাহায্যে হারাম থেকে বাঁচান। আর আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আপনি ব্যতিত অন্যের মুখাপেক্ষিতা থেকেও বাঁচান।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

যদি কারো পাহাড় পরিমাণ দেনার চাপও থাকে, আল্লাহ তাআলা এ দোয়ার ওসিলায় তা পরিশোধ করার সামর্থ্য দান করে বলেও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

– হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চিন্তাযুক্ত অবস্থায় এই দোয়া পড়তেন-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِن ضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আঝযি ওয়ালকাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনালবুখলি ওয়ালজুবনি, ওয়া আউজুবিকা মিন দ্বালায়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।’ (বুখারি, মুসলিম ও মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব ঋণদাতাকে এ হাদিসের উপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনায় জীবন গঠন করে দুনিয়া ও পরকালে আলোকিত জীবন লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ঋণ পরিশোধে সুযোগ দেয়া নিয়ে যা বলেছেন বিশ্বনবি

আপডেট টাইম : ০৩:১৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কে সেই ব্যক্তি? যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেয়, ফলে আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ, বহুগুণ বাড়িয়ে দেবেন। আর আল্লাহই রিজিক সংকুচিত করেন এবং বাড়িয়ে দেন। আর তোমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৪৫)

কুরআনুল কারিমের এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঋণ দেয়ার প্রতি এ মর্মে উদ্বুদ্ধ করেছেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে ঋণ দেয় তবে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তিকে দ্বিগুণ-বহুগুণ (সম্পদ) বাড়িয়ে দেবেন।

 সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ঋণ নেয়ার পর তা পরিশোধে অপরাগ। ঋণে পরিশোধে অপরাগ ব্যক্তিদের বাড়ি-ঘর কেড়ে নেয়ার সংবাদও শোনা যায়। আবার সামান্য ঋণের কারণে গুম-খুন-হত্যার মতো জঘন্য ঘটনাও ঘটে থাকে। অথচ হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে তা পরিশোধে সময় সুযোগ দেয়ার জন্য নসিহত পেশ করেছেন।

বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনার কারণে অনেক মানুষ জীবন-যাপনে কষ্ট ভোগ করছেন। এরই মাঝে যারা ঋণগ্রস্ত তাদের অবস্থা আরও বেশি শোচনীয়। সুযোগ থাকলে এ মুহূর্তে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদের সময় ও সুযোগ দেয়া জরুরি। হাদিসে পাকে এক ঋণদাতা ব্যক্তির ঘটনা উঠে এসেছে। যা প্রত্যেকের জন্য হতে পারে অনুসরণযোগ্য।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করেন-
কেয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আল্লাহর সামনে আনা হবে। আল্লাহ তাআলা তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, বল, তুমি আমার জন্য কী সাওয়াব অর্জন করেছ?

ওই ব্যক্তি বলবে, হে আল্লাহ! আমি একটি অণু পরিমাণ সাওয়াবের কাজও করতে পারিনি। যার প্রতিদান আজ আমি আপনার কাছে চাইতে পারি।

এবার লোকটি বলবে, হে আল্লাহ! একটি সামান্য আমলের কথা মনে পড়ছে। আপনি দয়া করে আমাকে কিছু সম্পদ দান করেছিলেন। আমি ব্যবসা করতাম। লোকেরা আমার কাছ থেকে (প্রয়োজনে) ঋণ-কর্জ নিত।

কিন্তু আমি যখন দেখতাম এই (ঋণগ্রস্ত) ব্যক্তি দরিদ্র এবং নির্ধারিত সময়ে সে কর্জ পরিশোধ করতে পারছে না তখন আমি তাকে আরও কিছুদিন অবকাশ (সময় ও সুযোগ) দিতাম। (এমনকি) ধনীদের উপরও পীড়াপীড়ি করতাম না। (অনেক সময়) অত্যন্ত দরিদ্র ব্যক্তিকে ক্ষমাও করে দিতাম। আল্লাহ আমার এই ছোট্ট আমল ছাড়া আর কোনো কিছুই মনে পড়ছেনা।

তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, তুমি আমার বান্দাদের জন্য কর্জ পরিশোধ করা সহজ করে দিয়েছিলে, তাহলে আমি কেন তোমার পথ সহজ করে দেব না? আমি তো সর্বাপেক্ষা বেশি দানশীল ও দয়ালু। যাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। তুমি জান্নাতে চলে যাও।’ (সুবহানাল্লাহ!)

ঋণ পরিশোধে সময় সুযোগ দেয়ার ঘটনা নিয়ে বর্ণিত প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ হাদিসটি হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ- মুসলিম, ইবনে মাজাহ ও ফাতহুল বারিতে বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ হাদিসটি হতে পারে ঋণদাতাতের জন্য পরকালের নাজাতের উসিলা। বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।

আবার ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য জরুরি হলো, যথাসময়ে ঋণ পরিশোধের সর্বাত্মক চেষ্টা থাকা। আল্লাহর কাছে ঋণ থেকে মুক্ত হতে প্রার্থনা করা। যেভাবে প্রার্থনা করতে শিখিয়েছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর তাহলো-
– اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكِ عَمَّنْ سِوَاكَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা আম্মান সিওয়াক।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার হালালের সাহায্যে হারাম থেকে বাঁচান। আর আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আপনি ব্যতিত অন্যের মুখাপেক্ষিতা থেকেও বাঁচান।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

যদি কারো পাহাড় পরিমাণ দেনার চাপও থাকে, আল্লাহ তাআলা এ দোয়ার ওসিলায় তা পরিশোধ করার সামর্থ্য দান করে বলেও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

– হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চিন্তাযুক্ত অবস্থায় এই দোয়া পড়তেন-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَ أَعُوذُ بِكَ مِن ضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আঝযি ওয়ালকাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনালবুখলি ওয়ালজুবনি, ওয়া আউজুবিকা মিন দ্বালায়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।’ (বুখারি, মুসলিম ও মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব ঋণদাতাকে এ হাদিসের উপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনায় জীবন গঠন করে দুনিয়া ও পরকালে আলোকিত জীবন লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।