ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

বিপাকে কারা কর্তৃপক্ষ কয়েদির শরীরে করোনার লক্ষণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০
  • ৩৪৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নাটোর জেলা কারাগারের এক কয়েদির শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাকি কয়েদি ও কারাগারে কর্মরত কর্মীদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারা হাসপাতালের আইসোলেশন বেডে ভর্তি থাকা ওই কয়েদিকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই তাঁকে জামিনে মুক্ত করে ‘হোম কোয়ারেন্টিনে’ পাঠানোর কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ।
নাটোর জেলা কারাগার সূত্রে আজ রোববার জানা যায়, সদর থানার একটি মারামারি মামলার আসামি এই কয়েদি পাঁচ দিন আগে জ্বর, সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন। তাঁকে কারাগারের ভেতরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি সুস্থ হচ্ছেন না। বরং আজ সকালে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গগুলো স্পষ্ট।

আজ সকাল ১০টায় ওই কয়েদিকে কারা হাসপাতালের আইসোলেশন বেডে স্থানান্তর করা হয়। জেল সুপার বিষয়টি জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার, সরকারি কৌঁসুলি ও সংশ্লিষ্ট বিচারককে অবহিত করেন। বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে তাঁরা আলাপ করেন। আপাতত ওই আসামিকে জামিনে মুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে ‘হোম কোয়ারেন্টিনে’ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
জেল সুপার আবদুল বারেক বলেন, ওই কয়েদিকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। তাঁর অসুস্থতা দেখে কারা হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে তাঁর সুরক্ষার পাশাপাশি কারাগারের অন্য কয়েদি ও কারাকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। দ্রুত করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা করানো দরকার তাঁর। তা না হলে সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হবে। তাঁরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই কয়েদিকে কারাগার থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে পুরো বিষয়টি আদালতের ওপর নির্ভর করছে।
জেলা সিভিল সার্জন কাজী মিজানুর রহমান বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনা জানার পর তাঁরা রোগীকে আপাতত হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কোভিড-১৯ পরীক্ষার পর চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা হবে। একই সঙ্গে কারাগারসংশ্লিষ্টদের কোয়ারেন্টিনের বিষয়েও ভাবা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বিপাকে কারা কর্তৃপক্ষ কয়েদির শরীরে করোনার লক্ষণ

আপডেট টাইম : ০৪:৩২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নাটোর জেলা কারাগারের এক কয়েদির শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাকি কয়েদি ও কারাগারে কর্মরত কর্মীদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারা হাসপাতালের আইসোলেশন বেডে ভর্তি থাকা ওই কয়েদিকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই তাঁকে জামিনে মুক্ত করে ‘হোম কোয়ারেন্টিনে’ পাঠানোর কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ।
নাটোর জেলা কারাগার সূত্রে আজ রোববার জানা যায়, সদর থানার একটি মারামারি মামলার আসামি এই কয়েদি পাঁচ দিন আগে জ্বর, সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন। তাঁকে কারাগারের ভেতরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি সুস্থ হচ্ছেন না। বরং আজ সকালে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গগুলো স্পষ্ট।

আজ সকাল ১০টায় ওই কয়েদিকে কারা হাসপাতালের আইসোলেশন বেডে স্থানান্তর করা হয়। জেল সুপার বিষয়টি জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার, সরকারি কৌঁসুলি ও সংশ্লিষ্ট বিচারককে অবহিত করেন। বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে তাঁরা আলাপ করেন। আপাতত ওই আসামিকে জামিনে মুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে ‘হোম কোয়ারেন্টিনে’ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
জেল সুপার আবদুল বারেক বলেন, ওই কয়েদিকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। তাঁর অসুস্থতা দেখে কারা হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে তাঁর সুরক্ষার পাশাপাশি কারাগারের অন্য কয়েদি ও কারাকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। দ্রুত করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা করানো দরকার তাঁর। তা না হলে সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হবে। তাঁরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই কয়েদিকে কারাগার থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে পুরো বিষয়টি আদালতের ওপর নির্ভর করছে।
জেলা সিভিল সার্জন কাজী মিজানুর রহমান বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনা জানার পর তাঁরা রোগীকে আপাতত হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কোভিড-১৯ পরীক্ষার পর চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা হবে। একই সঙ্গে কারাগারসংশ্লিষ্টদের কোয়ারেন্টিনের বিষয়েও ভাবা হবে।