ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে উঠে এলো রুবাইয়ার লাশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০
  • ৪০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজশাহীর পদ্মা নদীতে বর-কনেবাহী দুটি নৌকাডুবিতে নিখোঁজ থাকা শিশু রুবাইয়া আক্তার স্বর্ণার (১৩) লাশ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে রবিবার দুপুরে রাজশাহীর লালন শাহ্ মুক্তমঞ্চের সামনে পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে তার লাশ উঠে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশটি উদ্ধার করে।

এ নিয়ে এই দুর্ঘটনার পর নদী থেকে ছয়টি লাশ উদ্ধার করা হলো। এছাড়া গত শুক্রবার রাতে নৌকাডুবির পরই এক শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখনো কনে সুইটি খাতুন পূর্ণিমা (১৬) ও তার খালা আঁখি খাতুন (২৫) নিখোঁজ রয়েছেন।

সর্বশেষ মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া শিশু রুবাইয়া কনে পূর্ণিমার ফুফাতো বোন। এছাড়া আরও যাদের লাশ পাওয়া গেছে তারা হলেন- পূর্ণিমার চাচা শামীম হোসেন (৩৫), তার স্ত্রী মনি খাতুন (৩০), তাদের মেয়ে রশ্নি খাতুন (৭), কনের খালাতো ভাই এখলাস হোসেন (২৮), দুলাভাই রতন আলী (৩০) এবং তার মেয়ে মরিয়ম খাতুন (৬)।

কনে পূর্ণিমা রাজশাহীর পবা উপজেলার ডাঙেরহাট গ্রামের শাহিন আলীর মেয়ে। দেড় মাস আগে পদ্মার ওপারে একই উপজেলার চরখিদিরপুর গ্রামের ইনসার আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান রুমনের (২৬) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কিন্তু তখন অনুষ্ঠান হয়েছিল না। তাই গত বৃহস্পতিবার কনের বাড়িতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বরপক্ষ কনেকে সেদিন চরে নিয়ে যায়। প্রথা অনুযায়ী, পরদিন শুক্রবার কনেপক্ষের লোকজন বর এবং কনেকে আবার কনের বাড়িতে নিয়ে আসছিলেন। তখন রাত ৭টার দিকে রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর এলাকার বিপরীতে মাঝপদ্মায় দুটি নৌকায় ডুবে যায়। দুটি নৌকায় প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। নৌকাডুবির পর ছোট আরেকটি নৌকা এবং বালুবাহী একটি ট্রলার ভাসমান মানুষদের উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, ডুবে যাওয়া নৌকা দুটিই উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো কনেসহ দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। বিআইডব্লিউটিএ, নৌ-পুলিশ এবং বিজিবিও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে উঠে এলো রুবাইয়ার লাশ

আপডেট টাইম : ০৩:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজশাহীর পদ্মা নদীতে বর-কনেবাহী দুটি নৌকাডুবিতে নিখোঁজ থাকা শিশু রুবাইয়া আক্তার স্বর্ণার (১৩) লাশ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে রবিবার দুপুরে রাজশাহীর লালন শাহ্ মুক্তমঞ্চের সামনে পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে তার লাশ উঠে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশটি উদ্ধার করে।

এ নিয়ে এই দুর্ঘটনার পর নদী থেকে ছয়টি লাশ উদ্ধার করা হলো। এছাড়া গত শুক্রবার রাতে নৌকাডুবির পরই এক শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখনো কনে সুইটি খাতুন পূর্ণিমা (১৬) ও তার খালা আঁখি খাতুন (২৫) নিখোঁজ রয়েছেন।

সর্বশেষ মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া শিশু রুবাইয়া কনে পূর্ণিমার ফুফাতো বোন। এছাড়া আরও যাদের লাশ পাওয়া গেছে তারা হলেন- পূর্ণিমার চাচা শামীম হোসেন (৩৫), তার স্ত্রী মনি খাতুন (৩০), তাদের মেয়ে রশ্নি খাতুন (৭), কনের খালাতো ভাই এখলাস হোসেন (২৮), দুলাভাই রতন আলী (৩০) এবং তার মেয়ে মরিয়ম খাতুন (৬)।

কনে পূর্ণিমা রাজশাহীর পবা উপজেলার ডাঙেরহাট গ্রামের শাহিন আলীর মেয়ে। দেড় মাস আগে পদ্মার ওপারে একই উপজেলার চরখিদিরপুর গ্রামের ইনসার আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান রুমনের (২৬) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কিন্তু তখন অনুষ্ঠান হয়েছিল না। তাই গত বৃহস্পতিবার কনের বাড়িতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বরপক্ষ কনেকে সেদিন চরে নিয়ে যায়। প্রথা অনুযায়ী, পরদিন শুক্রবার কনেপক্ষের লোকজন বর এবং কনেকে আবার কনের বাড়িতে নিয়ে আসছিলেন। তখন রাত ৭টার দিকে রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর এলাকার বিপরীতে মাঝপদ্মায় দুটি নৌকায় ডুবে যায়। দুটি নৌকায় প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। নৌকাডুবির পর ছোট আরেকটি নৌকা এবং বালুবাহী একটি ট্রলার ভাসমান মানুষদের উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, ডুবে যাওয়া নৌকা দুটিই উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো কনেসহ দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। বিআইডব্লিউটিএ, নৌ-পুলিশ এবং বিজিবিও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।