ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন কারণে পুরুষদের হতে পারে স্তন ক্যান্সার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ৩২৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকেন নারীরা। ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুও হয়ে থাকে। তবে অনেকের জন্যই অজানা এক তথ্য হচ্ছে, স্তন ক্যান্সার শুধু নারীদেরই হয় তা নয়। পুরুষদের স্তনেও এ ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে।

চিকিৎসকরা মূলত তিনটি কারণকেই এর জন্য দায়ী করেছেন। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই কারণগুলো-

১. জেনেটিক অর্থাৎ জন্মসূত্রেই পুরুষের শরীরে এ রোগের জীবাণু থাকে। দেখা গেছে, প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ বংশানুক্রমিকভাবেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

২. শরীরে ইস্ট্রোজেন ও অ্যান্ড্রেজেনের অনুপাতের তারতম্যের কারণেও পুরুষদের স্তন ক্যান্সার হতে পারে। মারিজুয়ানার অভ্যাস, থাইরয়েড, ওবেসিটি, যকৃতের কর্মহীনতার কারণেই পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ে।

৩. অনেক সময় পুরুষের অণ্ডোকোষও তাদের শরীরে স্তন ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাই বেশি। যকৃতে সংক্রমণ থেকেই তাদের স্তন ক্যান্সার হয়।

বার্ধক্যে থাকা পুরুষদের মধ্যেই বেশি স্তন ক্যান্সার বাসা বাঁধে, তবে অল্প বয়সীরাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। যদি প্রথম ধাপেই স্তন ক্যান্সারকে শনাক্ত করা যায় তাহলে অল্পবয়সী পুরুষকে বাঁচানো সম্ভব।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিশেষ করে পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা অপারেশন করে সংক্রামক টিস্যুগুলো বাদ দিয়ে দেয়। এছাড়া কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপিতে স্তন ক্যান্সার সারানো যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন কারণে পুরুষদের হতে পারে স্তন ক্যান্সার

আপডেট টাইম : ০১:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকেন নারীরা। ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুও হয়ে থাকে। তবে অনেকের জন্যই অজানা এক তথ্য হচ্ছে, স্তন ক্যান্সার শুধু নারীদেরই হয় তা নয়। পুরুষদের স্তনেও এ ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে।

চিকিৎসকরা মূলত তিনটি কারণকেই এর জন্য দায়ী করেছেন। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই কারণগুলো-

১. জেনেটিক অর্থাৎ জন্মসূত্রেই পুরুষের শরীরে এ রোগের জীবাণু থাকে। দেখা গেছে, প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ বংশানুক্রমিকভাবেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

২. শরীরে ইস্ট্রোজেন ও অ্যান্ড্রেজেনের অনুপাতের তারতম্যের কারণেও পুরুষদের স্তন ক্যান্সার হতে পারে। মারিজুয়ানার অভ্যাস, থাইরয়েড, ওবেসিটি, যকৃতের কর্মহীনতার কারণেই পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ে।

৩. অনেক সময় পুরুষের অণ্ডোকোষও তাদের শরীরে স্তন ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাই বেশি। যকৃতে সংক্রমণ থেকেই তাদের স্তন ক্যান্সার হয়।

বার্ধক্যে থাকা পুরুষদের মধ্যেই বেশি স্তন ক্যান্সার বাসা বাঁধে, তবে অল্প বয়সীরাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। যদি প্রথম ধাপেই স্তন ক্যান্সারকে শনাক্ত করা যায় তাহলে অল্পবয়সী পুরুষকে বাঁচানো সম্ভব।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিশেষ করে পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা অপারেশন করে সংক্রামক টিস্যুগুলো বাদ দিয়ে দেয়। এছাড়া কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপিতে স্তন ক্যান্সার সারানো যায়।