ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

টমেটোয় কৃষকের মুখে হাসি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  • ২৭৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজবাড়ীতে বিপুল প্লাস জাতের টমেটো রোপন করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় আগামীতে এই জাতের টমেটোর চাষ আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, গত বছর রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ৩১৫ হেক্টর, গোয়ালন্দ উপজেলায় ৩২৫ হেক্টর, পাংশায় ৮৫ হেক্টর, বালিয়াকান্দিতে ১০ হেক্টর ও কালুখালী উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে মোট ৭৭৫ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছিলো।
এ বছর রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ৩২০ হেক্টর, গোয়ালন্দে ৩৪৫ হেক্টর, পাংশায় ৮৫ হেক্টর, বালিয়াকান্দিতে ১০ হেক্টর ও কালুখালী উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে মোট ৮০০ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ২০ হাজার মেট্টিক টন টমেটো উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

গতকাল সকালে সরেজমিনে জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাওয়াজানি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাঠের পর মাঠ টমেটোর আবাদ হয়েছে। বাজারে দাম বেশি তাই পাকা টমেটো তুলতে ব্যস্ত কৃষক। এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাওয়াজানি গ্রামের কৃষক নিজাম শেখ বলেন, আমি এ বছর ৬০ শতাংশ জমিতে বিপুল প্লাস জাতের টমেটা রোপন করেছি। ৬০ শতাংশ জমিতে টমেটো রোপন, সার ও কীটনাশকসহ মোট খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। এ থেকে সব মিলিয়ে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকা বিক্রি হবে বলেও জানান তিনি।

একই সময় সুলাইল সরদার নামে অপর কৃষক বলেন, এই কাওয়াজানি গ্রামটি চরাঞ্চলের হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পলি মাটি পরে জমির উর্বরতা বাড়ে। তাই এই অঞ্চলে সব ধরনের সবজিরই ভালো ফলন হয়। এ বছর সবচেয়ে বেশি হয়েছে টমেটোর চাষ। এখন বাজারে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া এই এলাকার টমেটো বিষমুক্ত যে কারণে অনেক সময় ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকেই টমেটো কিনে নিয়ে যায়।

সুফিয়া নামে অন্য এক কৃষক বলেন, আমি এ বছর এক বিঘা জমিতে টমোটোর চাষ করেছি। বিপুল প্লাস জাতের এই টমোটো ৭ থেকে ৮টিতেই এক কেজি হয়। এই জাতের টমেটোর ফলনও বেশি। আমরা টমেটো ক্ষেত থেকে তোলার পর ঢাকার মিরপুর বাজারে নিয়ে যাই। সেখানে পাইকারি বিক্রি করি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

টমেটোয় কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট টাইম : ০৭:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজবাড়ীতে বিপুল প্লাস জাতের টমেটো রোপন করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় আগামীতে এই জাতের টমেটোর চাষ আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, গত বছর রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ৩১৫ হেক্টর, গোয়ালন্দ উপজেলায় ৩২৫ হেক্টর, পাংশায় ৮৫ হেক্টর, বালিয়াকান্দিতে ১০ হেক্টর ও কালুখালী উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে মোট ৭৭৫ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছিলো।
এ বছর রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ৩২০ হেক্টর, গোয়ালন্দে ৩৪৫ হেক্টর, পাংশায় ৮৫ হেক্টর, বালিয়াকান্দিতে ১০ হেক্টর ও কালুখালী উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে মোট ৮০০ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ২০ হাজার মেট্টিক টন টমেটো উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

গতকাল সকালে সরেজমিনে জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাওয়াজানি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাঠের পর মাঠ টমেটোর আবাদ হয়েছে। বাজারে দাম বেশি তাই পাকা টমেটো তুলতে ব্যস্ত কৃষক। এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাওয়াজানি গ্রামের কৃষক নিজাম শেখ বলেন, আমি এ বছর ৬০ শতাংশ জমিতে বিপুল প্লাস জাতের টমেটা রোপন করেছি। ৬০ শতাংশ জমিতে টমেটো রোপন, সার ও কীটনাশকসহ মোট খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। এ থেকে সব মিলিয়ে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকা বিক্রি হবে বলেও জানান তিনি।

একই সময় সুলাইল সরদার নামে অপর কৃষক বলেন, এই কাওয়াজানি গ্রামটি চরাঞ্চলের হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পলি মাটি পরে জমির উর্বরতা বাড়ে। তাই এই অঞ্চলে সব ধরনের সবজিরই ভালো ফলন হয়। এ বছর সবচেয়ে বেশি হয়েছে টমেটোর চাষ। এখন বাজারে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া এই এলাকার টমেটো বিষমুক্ত যে কারণে অনেক সময় ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকেই টমেটো কিনে নিয়ে যায়।

সুফিয়া নামে অন্য এক কৃষক বলেন, আমি এ বছর এক বিঘা জমিতে টমোটোর চাষ করেছি। বিপুল প্লাস জাতের এই টমোটো ৭ থেকে ৮টিতেই এক কেজি হয়। এই জাতের টমেটোর ফলনও বেশি। আমরা টমেটো ক্ষেত থেকে তোলার পর ঢাকার মিরপুর বাজারে নিয়ে যাই। সেখানে পাইকারি বিক্রি করি।