ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিকের ফল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২০
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  এবারের প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের চারটি সমাপনী পরীক্ষার ফল গতকাল প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও এসব পরীক্ষার ফল মোটামুটি সন্তোষজনক বলা যায়।

এবার পিইসি পাস করেছে ৯৫.৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী আর ইইসি পাস করেছে ৯৫.৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। জেএসসি ও জেডিসিতে গড় পাসের হার ৮৭.৯০ শতাংশ। গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ করা যাচ্ছে এসব সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কত শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে এ আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। ফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

আর যারা জিপিএ-৫ পায়নি সেসব শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা হতাশ হন। যে কোনো পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা আনন্দিত হবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জিপিএ-৫ না পেলে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের হতাশ হওয়া উচিত নয়। কারণ যারা জিপিএ-৫ পায়নি তাদের কম মেধাবী ভাবার কোনো কারণ নেই। বিষয়টি উপলব্ধি করে জিপিএ-৫ তুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

এটি যত দ্রুত তুলে দেয়া যায় ততই মঙ্গল। বস্তুত অভিভাবকদের বড় দায়িত্ব হল শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করা। শিক্ষার্থীরা উৎসাহ ও সুযোগ পেলে যে বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিতে সক্ষম হবে, এটা জোর দিয়ে বলা যায়। এখনও অনেক অঞ্চলে গ্রামের শিক্ষার্থীরা শহরের শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ পায় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও যাতে শহরের শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতির কারণে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর মূল চিন্তা থাকে কী করে বেশি নম্বর পাওয়া যায়। কোনো কোনো অভিভাবকও শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

এতে সারা দেশে কোচিং সেন্টারের প্রভাব বাড়ছে। এই ব্যাধি শিক্ষার্থীদের কী ক্ষতি করছে, তা তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং এনসিটিবির পাঠ্যবই পড়ার বিষয়ে তাদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করতে হবে। শিশুদের বিভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থ পাঠে যত বেশি সময় নির্ধারণ করা যাবে, নতুন বিষয়ে জানতে তারা তত বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিকের ফল

আপডেট টাইম : ১১:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  এবারের প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের চারটি সমাপনী পরীক্ষার ফল গতকাল প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও এসব পরীক্ষার ফল মোটামুটি সন্তোষজনক বলা যায়।

এবার পিইসি পাস করেছে ৯৫.৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী আর ইইসি পাস করেছে ৯৫.৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। জেএসসি ও জেডিসিতে গড় পাসের হার ৮৭.৯০ শতাংশ। গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ করা যাচ্ছে এসব সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কত শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে এ আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। ফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

আর যারা জিপিএ-৫ পায়নি সেসব শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা হতাশ হন। যে কোনো পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা আনন্দিত হবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জিপিএ-৫ না পেলে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের হতাশ হওয়া উচিত নয়। কারণ যারা জিপিএ-৫ পায়নি তাদের কম মেধাবী ভাবার কোনো কারণ নেই। বিষয়টি উপলব্ধি করে জিপিএ-৫ তুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

এটি যত দ্রুত তুলে দেয়া যায় ততই মঙ্গল। বস্তুত অভিভাবকদের বড় দায়িত্ব হল শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করা। শিক্ষার্থীরা উৎসাহ ও সুযোগ পেলে যে বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিতে সক্ষম হবে, এটা জোর দিয়ে বলা যায়। এখনও অনেক অঞ্চলে গ্রামের শিক্ষার্থীরা শহরের শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ পায় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও যাতে শহরের শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতির কারণে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর মূল চিন্তা থাকে কী করে বেশি নম্বর পাওয়া যায়। কোনো কোনো অভিভাবকও শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

এতে সারা দেশে কোচিং সেন্টারের প্রভাব বাড়ছে। এই ব্যাধি শিক্ষার্থীদের কী ক্ষতি করছে, তা তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং এনসিটিবির পাঠ্যবই পড়ার বিষয়ে তাদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করতে হবে। শিশুদের বিভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থ পাঠে যত বেশি সময় নির্ধারণ করা যাবে, নতুন বিষয়ে জানতে তারা তত বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে।