ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

যে ৪ কারণেই মনোনয়ন পাননি খোকন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৩৯৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন থেকে বাদ পড়েছেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তার পরিবর্তে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে।২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয় সাঈদ খোকন। নির্বাচিত হওয়ার পর দল, রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে আলোচিত, সমালোচিত হয়েছেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীবাসীর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়া, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অসফলতা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারাসহ বিভিন্ন কারণে দলীয় মনোনয়ন পাননি সাঈদ খোকন। এছাড়া বিভিন্ন সময় বেফাঁস মন্তব্য করে সমালোচিত দক্ষিণের এই মেয়র। তবে মেয়রের দাবি, কর্তব্যে কখনো তিনি অবহেলা করেননি।

রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে গত ২৫ জুলাই এক অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাকে ‘গুজব’ বলে মন্তব্য করেন মেয়র খোকন। তিনি বলেন, মশা নিয়ে রাজনীতি কাম্য নয়। সাড়ে তিন লাখ আক্রান্তের যে তথ্য এসেছে সেটি কাল্পনিক তথ্য। এটা সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক, বিভ্রান্তিমূলক। ছেলে ধরা, সাড়ে তিন লাখ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত একই সূত্রে গাঁথা। মেয়রের এমন বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দলের ভেতরে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এর আগে ঢাকার সড়কগুলোর পাশে ডাস্টবিন বসানোর প্রজেক্টেও ব্যর্থ হন তিনি, এ নিয়েও সমালোচিত হয়েছেন সাঈদ খোকন।

এছাড়া ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর আজিমপুরের পার্ল হারবাল কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশের পাশেই মেয়র সাঈদ খোকন পাল্টা কর্মসূচি দেন। পরে ওই সমাবেশস্থলের সামনে ট্রাকে করে সিটি কর্পোরেশনের ময়লা ফেলার ঘটনায় মেয়রকেই দোষারোপ করা হয়। ওই ঘটনায় তখন তৎকালীন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও মেয়র খোকনের মধ্যে যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় তা নিয়েও দলীয়ভাবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সাঈদ খোকন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যে ৪ কারণেই মনোনয়ন পাননি খোকন

আপডেট টাইম : ১২:০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন থেকে বাদ পড়েছেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তার পরিবর্তে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে।২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয় সাঈদ খোকন। নির্বাচিত হওয়ার পর দল, রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে আলোচিত, সমালোচিত হয়েছেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীবাসীর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়া, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অসফলতা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারাসহ বিভিন্ন কারণে দলীয় মনোনয়ন পাননি সাঈদ খোকন। এছাড়া বিভিন্ন সময় বেফাঁস মন্তব্য করে সমালোচিত দক্ষিণের এই মেয়র। তবে মেয়রের দাবি, কর্তব্যে কখনো তিনি অবহেলা করেননি।

রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে গত ২৫ জুলাই এক অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাকে ‘গুজব’ বলে মন্তব্য করেন মেয়র খোকন। তিনি বলেন, মশা নিয়ে রাজনীতি কাম্য নয়। সাড়ে তিন লাখ আক্রান্তের যে তথ্য এসেছে সেটি কাল্পনিক তথ্য। এটা সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক, বিভ্রান্তিমূলক। ছেলে ধরা, সাড়ে তিন লাখ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত একই সূত্রে গাঁথা। মেয়রের এমন বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দলের ভেতরে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এর আগে ঢাকার সড়কগুলোর পাশে ডাস্টবিন বসানোর প্রজেক্টেও ব্যর্থ হন তিনি, এ নিয়েও সমালোচিত হয়েছেন সাঈদ খোকন।

এছাড়া ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর আজিমপুরের পার্ল হারবাল কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশের পাশেই মেয়র সাঈদ খোকন পাল্টা কর্মসূচি দেন। পরে ওই সমাবেশস্থলের সামনে ট্রাকে করে সিটি কর্পোরেশনের ময়লা ফেলার ঘটনায় মেয়রকেই দোষারোপ করা হয়। ওই ঘটনায় তখন তৎকালীন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও মেয়র খোকনের মধ্যে যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় তা নিয়েও দলীয়ভাবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সাঈদ খোকন।