ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সমাপ্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৩৪০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়’র (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শুরু হওয়া আন্দোলন প্রায় দুই মাস ধরে চলার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ বুধবার বুয়েটের শহীদ মিনারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা।

সব দাবি মেনে নেয়ায় সংবাদ সম্মেলনে বুয়েট প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। সেই সঙ্গে তারা আগামী ২৮ ডিসেম্বর আসন্ন টার্ম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুর রহমান সায়েম।

এদিকে গত সোমবার রাতে র‌্যাগিং ও ছাত্র রাজনীতির সর্বোচ্চ শাস্তি চিরতরে বহিষ্কার নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবির সব কটি পূরণ হলো।

গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী। এরপর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনের মুখে কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করাসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি মেনে নেয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। ওই ঘটনায় নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর থেকে আন্দোলনে নামেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সমাপ্ত

আপডেট টাইম : ০৯:০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়’র (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শুরু হওয়া আন্দোলন প্রায় দুই মাস ধরে চলার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ বুধবার বুয়েটের শহীদ মিনারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা।

সব দাবি মেনে নেয়ায় সংবাদ সম্মেলনে বুয়েট প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। সেই সঙ্গে তারা আগামী ২৮ ডিসেম্বর আসন্ন টার্ম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুর রহমান সায়েম।

এদিকে গত সোমবার রাতে র‌্যাগিং ও ছাত্র রাজনীতির সর্বোচ্চ শাস্তি চিরতরে বহিষ্কার নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবির সব কটি পূরণ হলো।

গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী। এরপর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনের মুখে কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করাসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি মেনে নেয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। ওই ঘটনায় নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর থেকে আন্দোলনে নামেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা।