ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

প্রকৃতি যেন নিজের কোলে লালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে : তথ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯
  • ৩৫৯ বার

 হাওর বার্তা ডেস্কঃ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেটিকে প্রকৃতি অপরূপ সাজে সাজিয়েছে। পৃথিবীর বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার আমার সৌভাগ্য হয়েছে। কিন্তু এমন সুন্দর প্রকৃতির শোভা পৃথিবীর খুব কম বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। প্রকৃতি যেন নিজের কোলে লালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে।

শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মন্ত্রী একথা বলেন। চট্টগ্রাম নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এলামনাইয়ের এই মিলনমেলার মতো ভবিষ্যতে যাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মিলন মেলা করা হয় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, চেনা মুখগুলো বহু বছর দেখিনি, তাদের সঙ্গে দেখা হলো আজ। ইচ্ছে করে আবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই জীবনে ফিরে যেতে। যেই বালুকণায় ঘিরে আমাদের স্মৃতি, যেখানে আমরা সময় কাটিয়েছি সেই দিনগুলোতে ফেরত যেতে ইচ্ছে করে। এই অসাধারণ আয়োজনের জন্য যারা কষ্ট করেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

 

তিনি বলেন, ট্রেনে করেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতাম। আমার ট্রেনের সহপাঠীরা অনেকেই আজকে এলামনাইয়ে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ট্রেনে গলা ছেড়ে গান আমিও গাইতাম। আমার সেই বন্ধুরা এখানে অনেকেই আছে। তারা সবাই এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও উচ্চপদস্থ। তাদের সঙ্গে আবারও গলা ছেড়ে গাই গাইতে পারলে খুব ভালো লাগতো।

সবার জন্য সুন্দর জীবন ও সমৃদ্ধি কামনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সবাই মিলে আমরা আমাদের দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাবো। সেটাই হোক সকলের প্রত্যাশা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিরীন আখতার, এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলমসহ বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

প্রকৃতি যেন নিজের কোলে লালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯

 হাওর বার্তা ডেস্কঃ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেটিকে প্রকৃতি অপরূপ সাজে সাজিয়েছে। পৃথিবীর বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার আমার সৌভাগ্য হয়েছে। কিন্তু এমন সুন্দর প্রকৃতির শোভা পৃথিবীর খুব কম বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। প্রকৃতি যেন নিজের কোলে লালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে।

শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মন্ত্রী একথা বলেন। চট্টগ্রাম নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এলামনাইয়ের এই মিলনমেলার মতো ভবিষ্যতে যাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মিলন মেলা করা হয় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, চেনা মুখগুলো বহু বছর দেখিনি, তাদের সঙ্গে দেখা হলো আজ। ইচ্ছে করে আবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই জীবনে ফিরে যেতে। যেই বালুকণায় ঘিরে আমাদের স্মৃতি, যেখানে আমরা সময় কাটিয়েছি সেই দিনগুলোতে ফেরত যেতে ইচ্ছে করে। এই অসাধারণ আয়োজনের জন্য যারা কষ্ট করেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

 

তিনি বলেন, ট্রেনে করেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতাম। আমার ট্রেনের সহপাঠীরা অনেকেই আজকে এলামনাইয়ে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ট্রেনে গলা ছেড়ে গান আমিও গাইতাম। আমার সেই বন্ধুরা এখানে অনেকেই আছে। তারা সবাই এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও উচ্চপদস্থ। তাদের সঙ্গে আবারও গলা ছেড়ে গাই গাইতে পারলে খুব ভালো লাগতো।

সবার জন্য সুন্দর জীবন ও সমৃদ্ধি কামনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সবাই মিলে আমরা আমাদের দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাবো। সেটাই হোক সকলের প্রত্যাশা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিরীন আখতার, এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলমসহ বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।