ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরিফুল আলমের পদত্যাগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩৫৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী শরিফুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমানউল্লাহ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

জানা যায়, গত ৪ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেন কাজী শরিফুল আলম।

তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, শুধু উপাচার্য পদত্যাগ করলেই হবে না। তাদের বাকি দাবিগুলোর বিষয়ে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বসতে হবে। অন্যথায় তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যাবেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদী বিভিন্ন কর্মসূচিও চলবে।

গত সোমবার থেকে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণ না হলে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষা হতে দেয়া হবে না। এছাড়া একাডেমি ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- উপাচার্যের জন্য যে ১০ জন জ্যেষ্ঠ ফ্যাকাল্টিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে। সেমিস্টার ফি বাবদ যে অর্থ আদায় করা হচ্ছে তা কী খাতে ব্যয় হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে তা জানাতে হবে। ক্লিয়ারেন্সে টাকা দেয়ার নতুন নিয়ম বাতিল ও ক্যারি ক্লিয়ারেন্সে সর্বোচ্চ সিজিপিএ ৩ করতে হবে।

ইউনিভার্সিটিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে সম্মতি দিতে হবে। সেমিস্টারে এস্টাবলিস্টমেন্ট এবং ডেভেলপমেন্ট ফি নেয়া হলেও তার সব সুবিধা দেয়া হয় না, এ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ল্যাব সুবিধা, ক্লাসরুম উন্নয়ন, ওয়াশরুম সংস্কার, নিরাপত্তার জোরদার, ক্যান্টিনের খাবার ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত, যাতায়াত ব্যবস্থা ও গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন গঠনের অনুমতি দিতে হবে, যেখানে বর্তমান শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিত্ব করবে। নতুন করে একাডেমিক ক্যালেন্ডার বর্তমান সেমিস্টার রুটিনের আদলেই তৈরি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল কর্মকাণ্ড সহজ ও সাবলীল করার লক্ষ্যে র‌্যাগ ফেস্টসহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরিফুল আলমের পদত্যাগ

আপডেট টাইম : ১০:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী শরিফুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমানউল্লাহ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

জানা যায়, গত ৪ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেন কাজী শরিফুল আলম।

তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, শুধু উপাচার্য পদত্যাগ করলেই হবে না। তাদের বাকি দাবিগুলোর বিষয়ে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বসতে হবে। অন্যথায় তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যাবেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদী বিভিন্ন কর্মসূচিও চলবে।

গত সোমবার থেকে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণ না হলে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষা হতে দেয়া হবে না। এছাড়া একাডেমি ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- উপাচার্যের জন্য যে ১০ জন জ্যেষ্ঠ ফ্যাকাল্টিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে। সেমিস্টার ফি বাবদ যে অর্থ আদায় করা হচ্ছে তা কী খাতে ব্যয় হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে তা জানাতে হবে। ক্লিয়ারেন্সে টাকা দেয়ার নতুন নিয়ম বাতিল ও ক্যারি ক্লিয়ারেন্সে সর্বোচ্চ সিজিপিএ ৩ করতে হবে।

ইউনিভার্সিটিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে সম্মতি দিতে হবে। সেমিস্টারে এস্টাবলিস্টমেন্ট এবং ডেভেলপমেন্ট ফি নেয়া হলেও তার সব সুবিধা দেয়া হয় না, এ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ল্যাব সুবিধা, ক্লাসরুম উন্নয়ন, ওয়াশরুম সংস্কার, নিরাপত্তার জোরদার, ক্যান্টিনের খাবার ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত, যাতায়াত ব্যবস্থা ও গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন গঠনের অনুমতি দিতে হবে, যেখানে বর্তমান শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিত্ব করবে। নতুন করে একাডেমিক ক্যালেন্ডার বর্তমান সেমিস্টার রুটিনের আদলেই তৈরি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল কর্মকাণ্ড সহজ ও সাবলীল করার লক্ষ্যে র‌্যাগ ফেস্টসহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।