ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইপিজেডে সক্রিয় ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান পাবে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৫৬ বার

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) অবস্থিত শিল্প-কারখানা ও এতে ব্যবহূত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট অব্যাহতি পাওয়ার বিধান কড়াকড়ি ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। যে কেউ আবেদন করলেই ভ্যাট অব্যাহতি পেয়ে যাওয়ার সুযোগ আর থাকছে না। এতদিন এ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে একটি অস্পষ্টতা ছিলো। এখন সেটি এনবিআরের একটি আদেশে পরিষ্কার হয়েছে।

ফলে ভ্যাট অব্যাহতি পেতে হলে আবেদনকারী কারখানা বা প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট কর্তৃপক্ষের মানদণ্ডে টিকে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কারখানা হলে বিবেচিত হবে এর অবস্থান ইপিজেডসংশ্লিষ্ট কি-না এবং এর উৎপাদন ও পণ্যের বাজারজাতকরণের প্রকৃতি। এতে প্রতিষ্ঠানটি মূসক নিবন্ধিত, শতভাগ সরাসরি রপ্তানিকারক বা শতভাগ প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক কি না তা মূল্যায়িত হবে।

অপরদিকে সেবাসংশ্লিষ্ট হলে ইপিজেডে অবস্থিত কারখানার সঙ্গে ওই সেবা সংশ্লিষ্টতার সম্পৃক্ততা ও যৌক্তিকতা আমলে নেয়া হবে। ভ্যাট কর্তৃপক্ষ এগুলো নিশ্চিত হলেই সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আমলে নেবে অব্যাহতির সুবিধা। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অঞ্চলের কমিশনার। তিনি আবেদনকারীর প্রদেয় সব ধরনের ডকুমেন্ট পরীক্ষার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে অব্যাহতির আদেশ দেবেন।

এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা থাকলে সেখানে শুনানির ব্যবস্থাও করবেন তিনি। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২-র ৪৭ নং আইনের ধারা ১২৬-এর উপধারা (১) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা ২০১৬-র বিধি ১১৮ক-এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। যার প্রজ্ঞাপনও ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি মো. সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, এর মাধ্যমে ইপিজেডে অবস্থিত শিল্প-কারখানার উদ্যোক্তাদের পণ্য ও সেবার বিপরীতে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কারা এর সুবিধাভোগী হবে। এর জন্য কি কি দলিলাদি দাখিল করতে হবে। কতদিনের মধ্যে কার কাছে আবেদন করতে হবে এবং কে এর সিদ্ধান্ত নেবেন— সে সম্পর্কে একটা আগাম বার্তা পাওয়া গেলো। যা অযাচিত জটিলতা দূর করবে। উদ্যোক্তাদের সময় ও পরিশ্রম কমাবে। এ উদ্যোগ বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে আরও সহায়ক হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে মূসক আইন ও বিধি শাখার দ্বিতীয় সচিব মো. তারেক হাসান স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট অব্যাহতি নেয়ার কার্যকরি আরও কিছু নির্দেশনাও সুস্পষ্ট করা হয়। এতে বলা হয়, প্রাকৃতিক গ্যাস, ওয়াসা ও বিদ্যুৎ বিতরণ সেবার মূসক অব্যাহতি সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির কারখানা বা উৎপাদন স্থলে রপ্তানি কাজে ব্যবহূত মিটার নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারের কাছে আবেদন করতে হবে।

যে মাসের বিল থেকে আলোচ্য অব্যাহিত সুবিধা গ্রহণ করতে আগ্রহী সেই মাসের ১৫ তারিখের ওই আবেদন দিতে হবে। আবেদনপ্রাপ্তির পর কমিশনার সরেজমিন রপ্তানি কার্যক্রম পরীক্ষাপূর্বক আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, মূসক নিবন্ধন নম্বর ও দাখিলপত্র করবে। এসব বিষয়ে কমিশনারের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট মিটারের বিপরীতে মূসক অব্যাহতি কার্যকরের আদেশ দেবেন এবং সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। যেখানে সুস্পষ্টভাবে অব্যাহতির সুবিধার মাসের উল্লেখ থাকবে।

অন্যদিকে যে সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে বিল ইস্যু না করে ইপিজেড কর্তৃপক্ষের নামে বিল ইস্যু করে, সেই ক্ষেত্রে ইপিজেড কর্তৃপক্ষ তাদের আওতাভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের নামে পৃথকভাবে উল্লিখিত সেবার ব্যবহার ও বিলের পরিমাণ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে প্রত্যয়নপত্র দেবে। ওই প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি কার্যক্রম সন্তোষজনক হলে মূসক অব্যাহতি সুব্ধাি পাওয়া যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে কিছু শর্তও বেধে দিয়েছে এনবিআর।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যেই সেবা ইপিজেড কর্তৃপক্ষ নিজে ব্যবহার করে সেই সেবাসমূহের ক্ষেত্রে মূসক অব্যহতি থাকবে না। কোনো ক্ষেত্রেই রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কারখানা বা উৎপাদনস্থল ভিন্ন অন্য কোনো অফিসে ব্যবহূত হলে ওই সেবার ক্ষেত্রে মূসক অব্যাহতি সুবিধা মিলবে না। একই মিটার যদি একাধিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে যার প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান রপ্তানি পণ্য উৎপাদন করে না, তাহলে বিদ্যুৎ বিলের উপর প্রযোজ্য মূসক পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে মূসক অব্যাহতি সুবিধা থাকবে না।

এদিকে কারখানায় উৎপাদন ও বাজারসংশ্লিষ্ট সুবিধার জন্য আরও কিছু সেবা ইপিজেড কর্তৃপক্ষ বা উদ্যোক্তাকে গ্রহণ করতে হয়। ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স, ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং সংস্থা, বিমা কোম্পানি ও শিপিং এজেন্ট এর অন্যতম। এসব সেবার ওপর প্রযোজ্য মূসক অব্যাহতির ক্ষেত্রে আমদানি বা শুল্কস্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রত্যয়ন করবে।

পাশাপাশি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মূসক নিবন্ধনপত্র, দাখিলপত্র এবং অন্যান্য দলিলাদি যেমন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা অনুরূপ সংস্থার নিবন্ধনপত্র, সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসাবে সনদও চাওয়া হবে। এসব ডকুমেন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট কমিশনার থেকে মূসক অব্যাহতির সুবধা পাবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইপিজেডে সক্রিয় ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান পাবে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা

আপডেট টাইম : ০৮:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) অবস্থিত শিল্প-কারখানা ও এতে ব্যবহূত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট অব্যাহতি পাওয়ার বিধান কড়াকড়ি ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। যে কেউ আবেদন করলেই ভ্যাট অব্যাহতি পেয়ে যাওয়ার সুযোগ আর থাকছে না। এতদিন এ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে একটি অস্পষ্টতা ছিলো। এখন সেটি এনবিআরের একটি আদেশে পরিষ্কার হয়েছে।

ফলে ভ্যাট অব্যাহতি পেতে হলে আবেদনকারী কারখানা বা প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট কর্তৃপক্ষের মানদণ্ডে টিকে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কারখানা হলে বিবেচিত হবে এর অবস্থান ইপিজেডসংশ্লিষ্ট কি-না এবং এর উৎপাদন ও পণ্যের বাজারজাতকরণের প্রকৃতি। এতে প্রতিষ্ঠানটি মূসক নিবন্ধিত, শতভাগ সরাসরি রপ্তানিকারক বা শতভাগ প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক কি না তা মূল্যায়িত হবে।

অপরদিকে সেবাসংশ্লিষ্ট হলে ইপিজেডে অবস্থিত কারখানার সঙ্গে ওই সেবা সংশ্লিষ্টতার সম্পৃক্ততা ও যৌক্তিকতা আমলে নেয়া হবে। ভ্যাট কর্তৃপক্ষ এগুলো নিশ্চিত হলেই সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আমলে নেবে অব্যাহতির সুবিধা। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অঞ্চলের কমিশনার। তিনি আবেদনকারীর প্রদেয় সব ধরনের ডকুমেন্ট পরীক্ষার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে অব্যাহতির আদেশ দেবেন।

এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা থাকলে সেখানে শুনানির ব্যবস্থাও করবেন তিনি। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২-র ৪৭ নং আইনের ধারা ১২৬-এর উপধারা (১) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা ২০১৬-র বিধি ১১৮ক-এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। যার প্রজ্ঞাপনও ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি মো. সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, এর মাধ্যমে ইপিজেডে অবস্থিত শিল্প-কারখানার উদ্যোক্তাদের পণ্য ও সেবার বিপরীতে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কারা এর সুবিধাভোগী হবে। এর জন্য কি কি দলিলাদি দাখিল করতে হবে। কতদিনের মধ্যে কার কাছে আবেদন করতে হবে এবং কে এর সিদ্ধান্ত নেবেন— সে সম্পর্কে একটা আগাম বার্তা পাওয়া গেলো। যা অযাচিত জটিলতা দূর করবে। উদ্যোক্তাদের সময় ও পরিশ্রম কমাবে। এ উদ্যোগ বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে আরও সহায়ক হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে মূসক আইন ও বিধি শাখার দ্বিতীয় সচিব মো. তারেক হাসান স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট অব্যাহতি নেয়ার কার্যকরি আরও কিছু নির্দেশনাও সুস্পষ্ট করা হয়। এতে বলা হয়, প্রাকৃতিক গ্যাস, ওয়াসা ও বিদ্যুৎ বিতরণ সেবার মূসক অব্যাহতি সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির কারখানা বা উৎপাদন স্থলে রপ্তানি কাজে ব্যবহূত মিটার নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারের কাছে আবেদন করতে হবে।

যে মাসের বিল থেকে আলোচ্য অব্যাহিত সুবিধা গ্রহণ করতে আগ্রহী সেই মাসের ১৫ তারিখের ওই আবেদন দিতে হবে। আবেদনপ্রাপ্তির পর কমিশনার সরেজমিন রপ্তানি কার্যক্রম পরীক্ষাপূর্বক আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, মূসক নিবন্ধন নম্বর ও দাখিলপত্র করবে। এসব বিষয়ে কমিশনারের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট মিটারের বিপরীতে মূসক অব্যাহতি কার্যকরের আদেশ দেবেন এবং সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। যেখানে সুস্পষ্টভাবে অব্যাহতির সুবিধার মাসের উল্লেখ থাকবে।

অন্যদিকে যে সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে বিল ইস্যু না করে ইপিজেড কর্তৃপক্ষের নামে বিল ইস্যু করে, সেই ক্ষেত্রে ইপিজেড কর্তৃপক্ষ তাদের আওতাভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের নামে পৃথকভাবে উল্লিখিত সেবার ব্যবহার ও বিলের পরিমাণ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে প্রত্যয়নপত্র দেবে। ওই প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি কার্যক্রম সন্তোষজনক হলে মূসক অব্যাহতি সুব্ধাি পাওয়া যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে কিছু শর্তও বেধে দিয়েছে এনবিআর।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যেই সেবা ইপিজেড কর্তৃপক্ষ নিজে ব্যবহার করে সেই সেবাসমূহের ক্ষেত্রে মূসক অব্যহতি থাকবে না। কোনো ক্ষেত্রেই রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কারখানা বা উৎপাদনস্থল ভিন্ন অন্য কোনো অফিসে ব্যবহূত হলে ওই সেবার ক্ষেত্রে মূসক অব্যাহতি সুবিধা মিলবে না। একই মিটার যদি একাধিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে যার প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান রপ্তানি পণ্য উৎপাদন করে না, তাহলে বিদ্যুৎ বিলের উপর প্রযোজ্য মূসক পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে মূসক অব্যাহতি সুবিধা থাকবে না।

এদিকে কারখানায় উৎপাদন ও বাজারসংশ্লিষ্ট সুবিধার জন্য আরও কিছু সেবা ইপিজেড কর্তৃপক্ষ বা উদ্যোক্তাকে গ্রহণ করতে হয়। ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স, ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং সংস্থা, বিমা কোম্পানি ও শিপিং এজেন্ট এর অন্যতম। এসব সেবার ওপর প্রযোজ্য মূসক অব্যাহতির ক্ষেত্রে আমদানি বা শুল্কস্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রত্যয়ন করবে।

পাশাপাশি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মূসক নিবন্ধনপত্র, দাখিলপত্র এবং অন্যান্য দলিলাদি যেমন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা অনুরূপ সংস্থার নিবন্ধনপত্র, সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসাবে সনদও চাওয়া হবে। এসব ডকুমেন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট কমিশনার থেকে মূসক অব্যাহতির সুবধা পাবেন।