ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবৈধ মসজিদ-মন্দির ভেঙে ফেলা হবে : রাজ্য সরকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৫
  • ৫৭৬ বার

অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছে অনেক মসজিদ-মন্দির। তাই এসব মসজিদ এবং মন্দির ভেঙে ফেলা হবে। আসছে দিওয়ালির পর থেকে এই সকল অবৈধ্য মসজিদ-মন্দির ভাঙার কাজ শুরু করবে। ভারতের রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মুম্বাই হাইকোর্টকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। গত সাপ্তাহে সরকারের কাছে আদালতের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ভারতে অবৈধভাবে নির্মিত ধর্মীয় পরিকাঠামোগুলো কবে ভাঙা হবে। এমন প্রশ্নের উত্তরে মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে উত্তর দেয়া হয়েছিল, আসছে দিওয়ালির পর থেকেই এসব অবৈধ্য নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অবৈধ্যভাবে নির্মিত স্থাপনাগুলোর ভাঙার কাজ আগামী নয় মাসের মধ্যেই শেষ করা হবে। জানা যায়, এই অবৈধ্য স্থাপনাগুলো ভাঙতে আদালতের কাছে এক বছরের সময় চাওয়া হয়েছিল মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু আদালত সরকারের এই দাবিতে সাড়া না দিয়ে জানায়, এরিমধ্যেই এই কাজে অনেক দেরি হয়ে গেছে। নয় মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

অবৈধ মসজিদ-মন্দির ভেঙে ফেলা হবে : রাজ্য সরকার

আপডেট টাইম : ০৮:৩০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৫

অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছে অনেক মসজিদ-মন্দির। তাই এসব মসজিদ এবং মন্দির ভেঙে ফেলা হবে। আসছে দিওয়ালির পর থেকে এই সকল অবৈধ্য মসজিদ-মন্দির ভাঙার কাজ শুরু করবে। ভারতের রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মুম্বাই হাইকোর্টকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। গত সাপ্তাহে সরকারের কাছে আদালতের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ভারতে অবৈধভাবে নির্মিত ধর্মীয় পরিকাঠামোগুলো কবে ভাঙা হবে। এমন প্রশ্নের উত্তরে মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে উত্তর দেয়া হয়েছিল, আসছে দিওয়ালির পর থেকেই এসব অবৈধ্য নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অবৈধ্যভাবে নির্মিত স্থাপনাগুলোর ভাঙার কাজ আগামী নয় মাসের মধ্যেই শেষ করা হবে। জানা যায়, এই অবৈধ্য স্থাপনাগুলো ভাঙতে আদালতের কাছে এক বছরের সময় চাওয়া হয়েছিল মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু আদালত সরকারের এই দাবিতে সাড়া না দিয়ে জানায়, এরিমধ্যেই এই কাজে অনেক দেরি হয়ে গেছে। নয় মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে।