ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রশাসনে বড় রদবদল : দুই মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব, দুজনকে প্রত্যাহার নোটিশ বৈধ হয়নি, সংসদ কি আগের কালচারে ফিরবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেলের জালে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কোরাল, ১৩ হাজারে বিক্রি মার্চে প্রবাসী আয় ৪১ হাজার কোটি টাকা ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি করেছে: মির্জা ফখরুল ৫ দিনের মাথায় এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর নিয়োগ বাতিল বিরোধীদলের নোটিশ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা, আগামীকাল বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মুলতবি অধিবেশন কোণঠাসা ইরান কি এখন পারমাণবিক বোমার পথে হাঁটবে অষ্টগ্রামে মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলে: চিকিৎসা সেবার বদলে দোকানপাট, চরম ভোগান্তিতে জনপদ ক্ষয়িষ্ণু বাম রাজনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর পথ কী

নওগাঁয় বারোমাসি তরমুজ চাষ করে লাভবান আল আমিন এগ্রো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯
  • ৩৩২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নওগাঁয় এই প্রথম মাচায় ব্ল্যাক কুইন জাতের বারোমাসি তরমুজ চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে আল আমিন এগ্রো নামে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। স্বাদ, রং ও উৎকৃষ্ট মানের হওয়ায় বাজারে চাহিদাও রয়েছে অধিক। সারা বছর পাওয়া যাবে এখানকার তরমুজ। শুধু তাই নয়, এখানে বেশ কিছু শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

আর কৃষি বিভাগ বলছে, নওগাঁ খরা ও বরেন্দ্র জেলা হওয়ায় পানি সাশ্রয়ের জন্য এই তরমুজ চাষ শুরু হয়েছে। এটি জেলায় প্রথম নতুন জাতের তরমুজ চাষ। আর তাই সফল হয়েছে আল আমিন এগ্রো।

নওগাঁ শহরের কোমাইগাড়ী এলাকার জেলখানার পূর্ব দেয়াল ঘেঁষে দুই বিঘা জমি তিন বছরের জন্য লিজ নিয়ে হাইব্রিড ব্ল্যাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেছে কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আল আমিন এগ্রো। নওগাঁ জেলায় প্রথম এই তরমুজ চাষ হয়েছে। নওগাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল। ভারত থেকে বীজ এনে চলতি বছর দুই বিঘা জমি তিন বছরের জন্য লিজ নেয় মাত্র ৪৫ হাজার টাকায়। আর ওই জমিতে মাচা তৈরি করে এপ্রিল মাসে সেখানে ব্ল্যাক কুইন নামে বারোমাসি তরমুজের চারা রোপণ করা হয়। রোপণের পর চলতি মাসে প্রথম তরমুজ তোলা হয়। প্রতিটি তরমুজের ওজন হয় আড়াই থেকে চার কেজি।

তরমুজের বাহির অংশ কুচকুচে কালো হলেও ভিতরে টকটকে লাল ও মিষ্টি। প্রথমবার প্রায় দেড়শ মণ তরমুজ উৎপাদিত হয়। তরমুজ কিনতে আসা বেশ কয়েকজন জানান, এখানকার তরমুজ খুবই সুস্বাদু ও মিষ্টি। অনেকেরই একবার কিনে ভালো লেগেছে, তাই আবার এসেছেন। আবার অনেকে লোকমুখে শুনে এসেছেন তরমুজ কিনতে। প্রতি কেজি তরমুজ কিনছেন ২৫-৩০ টাকা দরে। তবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি।

আল আমিন এগ্রো’র ম্যানেজার আজিজুর রহমান বলেন, চারা ক্রয়, পরিচর্যা, মাচা তৈরি, কর্মচারীদের বেতনসহ মোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। দুই মাসে তরমুজ চাষ করে প্রায় তিন লাখ টাকা লাভ করা সম্ভব। এতে বেকার সমস্যা দূর হবে এবং দেশও আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আহসান শহীদ সরকার বলেন, খরা ও বরেন্দ্র জেলা হওয়ায় পানি সাশ্রয়ের জন্য এই তরমুজ চাষ শুরু করা হয়েছে এখানে। বারোমাসি হাই ব্রিড ব্ল্যাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক। এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব রকমের সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এই নতুন জাতের তরমুজ জেলায় প্রথম চাষ শুরু করেছে আল আমিন এগ্রো।

এই তরমুজ দেখার জন্য প্রতিদিন মানুষ ভিড় করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে বড় রদবদল : দুই মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব, দুজনকে প্রত্যাহার

নওগাঁয় বারোমাসি তরমুজ চাষ করে লাভবান আল আমিন এগ্রো

আপডেট টাইম : ০৩:২২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নওগাঁয় এই প্রথম মাচায় ব্ল্যাক কুইন জাতের বারোমাসি তরমুজ চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে আল আমিন এগ্রো নামে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। স্বাদ, রং ও উৎকৃষ্ট মানের হওয়ায় বাজারে চাহিদাও রয়েছে অধিক। সারা বছর পাওয়া যাবে এখানকার তরমুজ। শুধু তাই নয়, এখানে বেশ কিছু শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

আর কৃষি বিভাগ বলছে, নওগাঁ খরা ও বরেন্দ্র জেলা হওয়ায় পানি সাশ্রয়ের জন্য এই তরমুজ চাষ শুরু হয়েছে। এটি জেলায় প্রথম নতুন জাতের তরমুজ চাষ। আর তাই সফল হয়েছে আল আমিন এগ্রো।

নওগাঁ শহরের কোমাইগাড়ী এলাকার জেলখানার পূর্ব দেয়াল ঘেঁষে দুই বিঘা জমি তিন বছরের জন্য লিজ নিয়ে হাইব্রিড ব্ল্যাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেছে কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আল আমিন এগ্রো। নওগাঁ জেলায় প্রথম এই তরমুজ চাষ হয়েছে। নওগাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল। ভারত থেকে বীজ এনে চলতি বছর দুই বিঘা জমি তিন বছরের জন্য লিজ নেয় মাত্র ৪৫ হাজার টাকায়। আর ওই জমিতে মাচা তৈরি করে এপ্রিল মাসে সেখানে ব্ল্যাক কুইন নামে বারোমাসি তরমুজের চারা রোপণ করা হয়। রোপণের পর চলতি মাসে প্রথম তরমুজ তোলা হয়। প্রতিটি তরমুজের ওজন হয় আড়াই থেকে চার কেজি।

তরমুজের বাহির অংশ কুচকুচে কালো হলেও ভিতরে টকটকে লাল ও মিষ্টি। প্রথমবার প্রায় দেড়শ মণ তরমুজ উৎপাদিত হয়। তরমুজ কিনতে আসা বেশ কয়েকজন জানান, এখানকার তরমুজ খুবই সুস্বাদু ও মিষ্টি। অনেকেরই একবার কিনে ভালো লেগেছে, তাই আবার এসেছেন। আবার অনেকে লোকমুখে শুনে এসেছেন তরমুজ কিনতে। প্রতি কেজি তরমুজ কিনছেন ২৫-৩০ টাকা দরে। তবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি।

আল আমিন এগ্রো’র ম্যানেজার আজিজুর রহমান বলেন, চারা ক্রয়, পরিচর্যা, মাচা তৈরি, কর্মচারীদের বেতনসহ মোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। দুই মাসে তরমুজ চাষ করে প্রায় তিন লাখ টাকা লাভ করা সম্ভব। এতে বেকার সমস্যা দূর হবে এবং দেশও আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আহসান শহীদ সরকার বলেন, খরা ও বরেন্দ্র জেলা হওয়ায় পানি সাশ্রয়ের জন্য এই তরমুজ চাষ শুরু করা হয়েছে এখানে। বারোমাসি হাই ব্রিড ব্ল্যাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক। এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব রকমের সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এই নতুন জাতের তরমুজ জেলায় প্রথম চাষ শুরু করেছে আল আমিন এগ্রো।

এই তরমুজ দেখার জন্য প্রতিদিন মানুষ ভিড় করছেন।