ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অননুমোদিত দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ তেলের ঘাটতি নেই, আগের চেয়ে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে : জ্বালানিমন্ত্রী ঢামেকসহ ৫ মেডিক্যাল কলেজে নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের হারানো ইমেজ উদ্ধারে সক্রিয় সরকার, অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় একটি গ্রুপ আকাশপথের নতুন রাজত্বের পথে পারস্য! ৬.৫ বিলিয়নের রাশিয়ান Kibony সিস্টেমসহ Su-35 এখন ইরানে, তবে কি অকেজো মার্কিন রাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জুন : শিক্ষামন্ত্রী সংসদে নামাজ পড়তে গিয়ে জুতা খোয়ালেন এমপি ২০ বছর পর ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তার নিয়োগ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা মঙ্গলবার শুরু

বাঁশের সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে রাত-দিন পারাপার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯
  • ৩৩৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কামারডাংগা-চরপাড়া ছোট নদীতে আছে একটি বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকোর ভরসায় আছেন ৯ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ১২০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে রাত-দিন যাতায়াত করেন তারা।

সরেজমিনে ঝুঁকিপূর্ণ ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীসহ এলাকার কৃষকদের পার হতে দেখা যায়। কৃষিপণ্য নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে পারাপার করছেন তারা। নদীটির ওপারে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিশেষ করে দুবলিয়া হাজী জসিম উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ, ফজিলাতুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দুবলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেন ওপারে।

তাই শিক্ষার্থীরাও লেখা-পড়া করার জন্য প্রতিদিন এই সাঁকোর উপর দিয়ে তাদের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। মাঝে মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা। কামার ডাংগা গ্রামের ডা. আব্দুর রউফ জানান, এই সাঁকোর উপর দিয়ে একা একাই পাড় হওয়া যায় না, তার উপর কৃষি ক্ষেত খামার থেকে ফসল ঘরে তুলতে ব্রিজ না থাকায় খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচলের সময় অনেক কৃষকেরই হাত-পা ভেঙে গেছে।

চরপাড়া গ্রামের আব্দুল গফুর প্রামানিক জানান, স্বাধীনতার পর থেকে বাড়ি বাড়ি থেকে বাঁশ ও টাকা তুলে আমরা এ সাঁকো তৈরি করে আসছি। প্রতি বছর এ বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করা আমাদের জন্য কষ্টকর। আমাদের এই দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই। নির্বাচনের সময় আসলেই বিভিন্ন প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু পরে ব্রিজ নির্মাণের আর খোঁজ থাকে না। সাঁকো নির্মাণের কোনো সহযোগিতাও পাওয়া যায় না।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস মুন্সি বলেন, এলাকার ছোট ছোট কাজ কালভার্ট, ড্রেন, মাঠে পানি জমে থাকলে এগুলো আমি নিজ উদ্যোগে কাজ করতে পারি। কিন্তু এসব ব্রিজের কাজ আমি করতে পারি না। তবে ব্রিজটি নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।

এলজিইডি পাবনা নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ওখানকার জন্য একটি সেতু করার প্রকল্প প্রস্তাবনা দেয়া আছে। সেটি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

অননুমোদিত দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

বাঁশের সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে রাত-দিন পারাপার

আপডেট টাইম : ০২:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কামারডাংগা-চরপাড়া ছোট নদীতে আছে একটি বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকোর ভরসায় আছেন ৯ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ১২০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে রাত-দিন যাতায়াত করেন তারা।

সরেজমিনে ঝুঁকিপূর্ণ ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীসহ এলাকার কৃষকদের পার হতে দেখা যায়। কৃষিপণ্য নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে পারাপার করছেন তারা। নদীটির ওপারে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিশেষ করে দুবলিয়া হাজী জসিম উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ, ফজিলাতুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দুবলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেন ওপারে।

তাই শিক্ষার্থীরাও লেখা-পড়া করার জন্য প্রতিদিন এই সাঁকোর উপর দিয়ে তাদের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। মাঝে মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা। কামার ডাংগা গ্রামের ডা. আব্দুর রউফ জানান, এই সাঁকোর উপর দিয়ে একা একাই পাড় হওয়া যায় না, তার উপর কৃষি ক্ষেত খামার থেকে ফসল ঘরে তুলতে ব্রিজ না থাকায় খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচলের সময় অনেক কৃষকেরই হাত-পা ভেঙে গেছে।

চরপাড়া গ্রামের আব্দুল গফুর প্রামানিক জানান, স্বাধীনতার পর থেকে বাড়ি বাড়ি থেকে বাঁশ ও টাকা তুলে আমরা এ সাঁকো তৈরি করে আসছি। প্রতি বছর এ বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করা আমাদের জন্য কষ্টকর। আমাদের এই দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই। নির্বাচনের সময় আসলেই বিভিন্ন প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু পরে ব্রিজ নির্মাণের আর খোঁজ থাকে না। সাঁকো নির্মাণের কোনো সহযোগিতাও পাওয়া যায় না।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস মুন্সি বলেন, এলাকার ছোট ছোট কাজ কালভার্ট, ড্রেন, মাঠে পানি জমে থাকলে এগুলো আমি নিজ উদ্যোগে কাজ করতে পারি। কিন্তু এসব ব্রিজের কাজ আমি করতে পারি না। তবে ব্রিজটি নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।

এলজিইডি পাবনা নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ওখানকার জন্য একটি সেতু করার প্রকল্প প্রস্তাবনা দেয়া আছে। সেটি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।