ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয়তায় শীর্ষে‘ কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০১৯
  • ৩৪৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা, অন্যতম সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকাস্থ ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতির’ প্রতিষ্ঠাতা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম’ ১৯৭১ সালের পহেলা মার্চ আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পৌরসভার জালমাছমারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর পিতা সৈয়দ কসিমুদ্দীন মিঞা এবং মাতা সৈয়দা গুলনাহার বেগম। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতার চতুর্থ সন্তান। ১৯৮৬ সালে লালমনিরহাট চিলড্রেন পার্ক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম বিভাগে এসএসসি,

১৯৮৮ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি এবং ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বি.এস.সি ও ১৯৯৩ সালে এম.এস.সি পাশ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে এম.এ.এস ডিগ্রী অর্জন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির হওয়ার পর থেকেই মূলত তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ‘স্যার.এ.এফ রহমান হলের’ ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে ‘স্যার.এ.এফ রহমান’ হল শাখার সভাপতি।

এবং ১৯৯৮ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তথা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কার্যকরী সংসদের সহ-পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত হন সেই সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম’।

ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সেই সময় তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন। ঢাকায় বসবাসরত চাঁপাইনবাবগঞ্জের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে ১৯৯৭ সালে।

‘ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতি’ নামের একটি সংগঠন গড়ার উদ্যোগ নেন। ‘ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এই সংগঠনের ব্যানারে তিনি সেই সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানসহ বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতা করেন।

২০তম বি.সি.এস (পুলিশ ক্যাডার) পাশ করে ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের এ.এস.পি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটিন পুলিশের কোতোয়ালী থানার সহকারী কমিশনার, রমনা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এস.পি), ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার (এস.বি, ঢাকা) সহ পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও ‘পুলিশ সুপার’ পদ মর্যাদায় বাংলাদেশ পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ঢাকা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম’। ময়মনসিংহ জেলায় পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ’র সর্বোচ্চ সম্মাননার ব্যাচ পরিয়ে দিচ্ছেন।

জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে বহুদিন কাজ করেছেন তিনি। সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সর্বচ্চো পুরস্কার-সম্মাননা বিপিএম ও পিপিএম (বার) পদক অর্জন করেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। বর্তমানে ‘পুলিশ সুপার’ পদ মর্যাদায় বৃহত্তর কুমিল্লা জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয়তায় শীর্ষে‘ কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ১২:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা, অন্যতম সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকাস্থ ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতির’ প্রতিষ্ঠাতা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম’ ১৯৭১ সালের পহেলা মার্চ আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পৌরসভার জালমাছমারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর পিতা সৈয়দ কসিমুদ্দীন মিঞা এবং মাতা সৈয়দা গুলনাহার বেগম। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতার চতুর্থ সন্তান। ১৯৮৬ সালে লালমনিরহাট চিলড্রেন পার্ক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম বিভাগে এসএসসি,

১৯৮৮ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি এবং ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বি.এস.সি ও ১৯৯৩ সালে এম.এস.সি পাশ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে এম.এ.এস ডিগ্রী অর্জন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির হওয়ার পর থেকেই মূলত তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ‘স্যার.এ.এফ রহমান হলের’ ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে ‘স্যার.এ.এফ রহমান’ হল শাখার সভাপতি।

এবং ১৯৯৮ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তথা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কার্যকরী সংসদের সহ-পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত হন সেই সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম’।

ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সেই সময় তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন। ঢাকায় বসবাসরত চাঁপাইনবাবগঞ্জের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে ১৯৯৭ সালে।

‘ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতি’ নামের একটি সংগঠন গড়ার উদ্যোগ নেন। ‘ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্র সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এই সংগঠনের ব্যানারে তিনি সেই সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানসহ বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতা করেন।

২০তম বি.সি.এস (পুলিশ ক্যাডার) পাশ করে ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের এ.এস.পি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটিন পুলিশের কোতোয়ালী থানার সহকারী কমিশনার, রমনা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এস.পি), ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার (এস.বি, ঢাকা) সহ পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও ‘পুলিশ সুপার’ পদ মর্যাদায় বাংলাদেশ পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ঢাকা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম’। ময়মনসিংহ জেলায় পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ’র সর্বোচ্চ সম্মাননার ব্যাচ পরিয়ে দিচ্ছেন।

জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে বহুদিন কাজ করেছেন তিনি। সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সর্বচ্চো পুরস্কার-সম্মাননা বিপিএম ও পিপিএম (বার) পদক অর্জন করেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। বর্তমানে ‘পুলিশ সুপার’ পদ মর্যাদায় বৃহত্তর কুমিল্লা জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দেশের অন্যতম উদ্ধর্তন পুলিশ কর্মকর্তা ‘সৈয়দ নুরুল ইসলাম।