ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ওসি মোয়াজ্জেমের নৈতিক অধিকার নেই পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকার: ব্যারিস্টার সুমন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯
  • ২৯১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফেনী সোনাগাজী নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পিবিআই’র তদন্তে ওসি মোয়াজ্জেম দোষি সাব্যস্ত হয়েছেন জানিয়ে তার পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকার নৈতিক অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। গত রোববার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই আজ রোবাবার আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন জানিয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমরা সাইবার ট্রাইবুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে তিনটা সেকশনে মামলা করেছিলাম। আদালতে আজ তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই।

তদন্ত প্রতিবেদনে পিবিআই বলেছে, সোনাগাজীর তৎকালীন দায়িত্বরত ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে যতগুলো অভিযোগ আনা হয়েছে তা প্রমাণিত হয়েছে। অনুমতি ছাড়া থানায় নুসরাতের ভিডিও করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেওয়া এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার এই তিন অভিযোগের তদন্তে ওসি মোয়াজ্জেম দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে যেহেতু ওসি মোয়াজ্জেম দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন-আমরা চাইবো মাননীয় আদালত যেন তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। আমি মনে করি ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকার আর নৈতিক কোনো অধিকার নেই। গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে পুলিশ বাহিনীর কলঙ্কমুক্ত হবে এবং ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে মনে করি।

অল্প সমেয়ে স্বচ্ছ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ায় পিবিআইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম ডিজিটাল নিরাপত্ত আইনের মামলায় পুলিশ তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

ওসির রুমে একটা মেয়ের নিরাপত্তা না থাকলে আর কোথায় থাকবে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত ওসি আছেন তারা সতর্ক হবেন যে, ওসির রুমটা যেন শ্লীলতাহানি বলেন আর যাই বলেন মেয়েদের জন্য অন্তত নিরাপদ হয়। এটা না হলে বিচারব্যবস্থা বলে কিছু থাকবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার সুমন আরো বলেন, এটা শুধু একটা মামলা না বরং এটার মধ্য পিবিআই প্রমাণ করেছে-তারা নিজেদের ডিপার্টমেন্টের লোকের বিরুদ্ধেও স্পষ্ট তদন্ত করতে পারে কোনোরকম বিতর্ক ছাড়া। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতার করে এই ঘটনায় কলঙ্কমুক্ত হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ওসি মোয়াজ্জেমের নৈতিক অধিকার নেই পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকার: ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট টাইম : ১১:১৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফেনী সোনাগাজী নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পিবিআই’র তদন্তে ওসি মোয়াজ্জেম দোষি সাব্যস্ত হয়েছেন জানিয়ে তার পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকার নৈতিক অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। গত রোববার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই আজ রোবাবার আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন জানিয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমরা সাইবার ট্রাইবুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে তিনটা সেকশনে মামলা করেছিলাম। আদালতে আজ তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই।

তদন্ত প্রতিবেদনে পিবিআই বলেছে, সোনাগাজীর তৎকালীন দায়িত্বরত ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে যতগুলো অভিযোগ আনা হয়েছে তা প্রমাণিত হয়েছে। অনুমতি ছাড়া থানায় নুসরাতের ভিডিও করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেওয়া এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার এই তিন অভিযোগের তদন্তে ওসি মোয়াজ্জেম দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে যেহেতু ওসি মোয়াজ্জেম দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন-আমরা চাইবো মাননীয় আদালত যেন তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। আমি মনে করি ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থাকার আর নৈতিক কোনো অধিকার নেই। গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে পুলিশ বাহিনীর কলঙ্কমুক্ত হবে এবং ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে মনে করি।

অল্প সমেয়ে স্বচ্ছ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ায় পিবিআইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম ডিজিটাল নিরাপত্ত আইনের মামলায় পুলিশ তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

ওসির রুমে একটা মেয়ের নিরাপত্তা না থাকলে আর কোথায় থাকবে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত ওসি আছেন তারা সতর্ক হবেন যে, ওসির রুমটা যেন শ্লীলতাহানি বলেন আর যাই বলেন মেয়েদের জন্য অন্তত নিরাপদ হয়। এটা না হলে বিচারব্যবস্থা বলে কিছু থাকবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার সুমন আরো বলেন, এটা শুধু একটা মামলা না বরং এটার মধ্য পিবিআই প্রমাণ করেছে-তারা নিজেদের ডিপার্টমেন্টের লোকের বিরুদ্ধেও স্পষ্ট তদন্ত করতে পারে কোনোরকম বিতর্ক ছাড়া। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতার করে এই ঘটনায় কলঙ্কমুক্ত হতে পারে।