হাওর বার্তা ডেস্কঃ মধু কই কই বিষ খাওয়াইলা। এটি চট্টগ্রামের একটি জনপ্রিয় আঞ্চলিক গান। আজকাল বাজার থেকে কলা কেনার ক্ষেত্রে এ গানটি বেশ মিলে যায়। দোকানির কাছ থেকে ঢাউস ঢাউস কলা কিনে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেন ক্রেতা। অথচ এসব কলা নাকি স্বাভাবিকভাবে পাকে না।
শনিবার এমন তথ্যের ভিত্তিতে হাটহাজারী পৌরসভার কবুতর হাট এলাকায় কলার আড়তে অভিযান পরিচালনা করে এ ঘটনার সত্যতা পান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমীন।
এ সময় ফল পাকাতে ও রঙ আনতে ব্যবহৃত বিষাক্ত কেমিকেল উদ্ধার এবং এক কর্মচারীকে আটক করা হয়। এছাড়া কেমিকেল মেশানো প্রায় দুই মণ আম ও বেশ কিছু কলা ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়। তবে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান আঁচ করতে পেরে এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা কেমিকেল আড়তের ছাদে ও বাইরে ফেলে দেয়।
বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্বে থাকা ইউএনও রুহুল আমীন জানান, রাইপেন-১৫ নামে একটি কেমিকেল মেশানোর পর একদিনের মধ্যে কলা পেকে যায়। কোনোটার রঙ হয় হলুদ, কোনোটা আবার গাঢ় হলুদ।
এদিকে শুধু কলা নয় মৌসুমি প্রায় সব ফলই এখন বিষে ভরা। বাজারে এখন কেমিকেল মিশ্রিত ফলই বেশি। হাটহাজারী পৌরসভা এলাকার আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, কলার আড়তসহ বিভিন্ন ফলের দোকানে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী দেদারছে কেমিকেল ব্যবহার করে চলেছেন। এসব আড়তে ও দোকানে কোন কোন ব্যবসায়ী ফল পাকাতে এ ধরনের কেমিকেল ব্যবহার করছেন।
Reporter Name 
























