ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়ার ‘কণ্ঠ’ দেখতে রোগীদের উপদেশ দেবী শেঠির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০১৯
  • ৩৩১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ দুই জায়গাতেই অভিনয়ের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান। শুক্রবার কলকাতায় মুক্তি পেলো জয়া অভিনীত ছবি ‘কণ্ঠ’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জী।

ছবিটির মূল চরিত্রে আছেন অর্জুন। যিনি পেশায় একজন রেডিও জকি। গলায় ক্যানসার ধরা পড়ে তার। ফলে  স্বরযন্ত্র কেটে ফেলতে হয়। সুন্দর কণ্ঠ তো নয়ই গলা দিয়ে যখন অদ্ভুত স্বর বেরোতে। হতাশায় ডুবে যায় সে। ঠিক এ সময় এগিয়ে আসেন একজন ‘স্পিচ থেরাপিস্ট’। তিনিই জয়া আহসান।

ছবিটি মুক্তির আগে ট্রেলার প্রকাশেল পরই নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন ক্যানসার আক্রান্ত বলিউড অভিনেতা ঋষি কাপুর প্রশংসা করেন। মুক্তির সে প্রশংসা ছুড়ছেন ভারতের অনেক বিখ্যাত মানুষজন।

ভারতের কার্ডিয়াক সার্জন দেবী শেঠি। যিনি শুধু ভারত নয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় কার্ডিয়াক সার্জন। অল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভারত সরকার ২০১২ সালে তাকে ‘পদ্মভূষণ’ পদকে ভূষিত করেন। জয়ার কণ্ঠ দেখতে গিয়েছিলেন তিনিও।

ছবিটি দেখার পর এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই ছবি ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীকে আশা জোগায়। বিশ্বাস দেয়, তারা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে পারবেন। তারাও জীবনে উপভোগ করতে পারবেন। ভবিষ্যতের সুন্দর দিনে তাদের অধিকার আছে। আর যেভাবে গল্পটা বলা হলো, এটা এক কথায় অসাধারণ।’ তিনি তার রোগীদের এই সিনেমা দেখতে উপদেশ দেবেন বলেও এ সময় জানান। নিজের হাসপাতাল নারায়ণা হৃদয়ালয়াতেও ছবিটির বিশেষ কয়েকটি প্রদর্শনীর অনুরোধও করেছেন ডা. শেঠি।

জয়ার অভিনয়ে মুগ্ধ শেঠি। ‘ছবিটিতে স্পিচ থেরাপিস্ট ছিলেন জয়া। তার অভিনয় বেশ ভালো হয়েছে। মনেই হয়নি সে অভিনয় করছেন‘ মন্তব্য দেবী শেঠির।

জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে টেলিভিশনে কাজ করার সময় বিভূতি চক্রবর্তী নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় পরিচালক শিবপ্রসাদের। লোকটি কণ্ঠ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয় সে। ওই লোকটির কাছ থেকে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প শুনেছিলেন শিব। তখেই গল্পটি নিয়ে সিনেমা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। এই ছবির মধ্য দিয়ে ক্যানসার নিয়ে সবার মধ্যে কিছু বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জয়ার ‘কণ্ঠ’ দেখতে রোগীদের উপদেশ দেবী শেঠির

আপডেট টাইম : ০৫:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ দুই জায়গাতেই অভিনয়ের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান। শুক্রবার কলকাতায় মুক্তি পেলো জয়া অভিনীত ছবি ‘কণ্ঠ’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জী।

ছবিটির মূল চরিত্রে আছেন অর্জুন। যিনি পেশায় একজন রেডিও জকি। গলায় ক্যানসার ধরা পড়ে তার। ফলে  স্বরযন্ত্র কেটে ফেলতে হয়। সুন্দর কণ্ঠ তো নয়ই গলা দিয়ে যখন অদ্ভুত স্বর বেরোতে। হতাশায় ডুবে যায় সে। ঠিক এ সময় এগিয়ে আসেন একজন ‘স্পিচ থেরাপিস্ট’। তিনিই জয়া আহসান।

ছবিটি মুক্তির আগে ট্রেলার প্রকাশেল পরই নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন ক্যানসার আক্রান্ত বলিউড অভিনেতা ঋষি কাপুর প্রশংসা করেন। মুক্তির সে প্রশংসা ছুড়ছেন ভারতের অনেক বিখ্যাত মানুষজন।

ভারতের কার্ডিয়াক সার্জন দেবী শেঠি। যিনি শুধু ভারত নয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় কার্ডিয়াক সার্জন। অল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভারত সরকার ২০১২ সালে তাকে ‘পদ্মভূষণ’ পদকে ভূষিত করেন। জয়ার কণ্ঠ দেখতে গিয়েছিলেন তিনিও।

ছবিটি দেখার পর এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই ছবি ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীকে আশা জোগায়। বিশ্বাস দেয়, তারা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে পারবেন। তারাও জীবনে উপভোগ করতে পারবেন। ভবিষ্যতের সুন্দর দিনে তাদের অধিকার আছে। আর যেভাবে গল্পটা বলা হলো, এটা এক কথায় অসাধারণ।’ তিনি তার রোগীদের এই সিনেমা দেখতে উপদেশ দেবেন বলেও এ সময় জানান। নিজের হাসপাতাল নারায়ণা হৃদয়ালয়াতেও ছবিটির বিশেষ কয়েকটি প্রদর্শনীর অনুরোধও করেছেন ডা. শেঠি।

জয়ার অভিনয়ে মুগ্ধ শেঠি। ‘ছবিটিতে স্পিচ থেরাপিস্ট ছিলেন জয়া। তার অভিনয় বেশ ভালো হয়েছে। মনেই হয়নি সে অভিনয় করছেন‘ মন্তব্য দেবী শেঠির।

জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে টেলিভিশনে কাজ করার সময় বিভূতি চক্রবর্তী নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় পরিচালক শিবপ্রসাদের। লোকটি কণ্ঠ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয় সে। ওই লোকটির কাছ থেকে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প শুনেছিলেন শিব। তখেই গল্পটি নিয়ে সিনেমা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। এই ছবির মধ্য দিয়ে ক্যানসার নিয়ে সবার মধ্যে কিছু বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।