ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধূমপান বা অন্য কোনো নেশা নেই জয়ার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০১৯
  • ২৮৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ‘কণ্ঠ’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। দুই বাচিক শিল্পীর ভালোবাসার গল্পের সঙ্গে ল্যারিঙ্গ ক্যানসারে আক্রান্ত এক ব্যক্তির জীবনযুদ্ধের কাহিনি দেখা যাবে কলকাতার এ ছবিতে।

বাচিক শিল্পীর স্পিচ থেরাপিস্টের ভূমিকায় রয়েছেন জয়া আহসান। এই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নায়িকাকে বেশ প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। গলার যত্ন প্রসঙ্গে কলকাতার একটি পত্রিকাকে বলেন, “ধূমপান বা অন্য কোনো নেশা আমার নেই। তাই ওদিকটা থেকে বাঁচা। ঠান্ডা জল এড়িয়ে চলি।”

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে আরও বলেন, “ছবিটা করার আগে স্পিচ থেরাপিস্ট এবং ল্যারিঙ্গ ক্যানসারাক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। আগে এই ল্যারিঙ্গ ক্যানসার নিয়ে কোনো ধারণাই ছিল না, কিন্তু এখন এই বিষয়ে প্রায় অনেকটাই জানা হয়ে গিয়েছে। আর হ্যাঁ, চিত্রনাট্যের কথাও উল্লেখ করব। চরিত্রটা ছকে ফেলার জন্য ওটাই যথেষ্ট ছিল।”

চরিত্রটির চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বলেন, “আমি কতটা কমিউনিকেট করতে পারছি পেশেন্টের সঙ্গে সেই ইমোশনটাকেও ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে। উপরন্তু, আমার মাথায় সব সময় কাজ করত আমাকে পেশেন্টের থেকে আরও ভালো করে বলতে হবে। কারণ, এ ক্ষেত্রে আমি তার শিক্ষিকার ভূমিকায়। সেটা আমার কাছে চ্যালেঞ্জিং ছিল।”

পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবির নায়ক চরিত্রে আছেন শিবপ্রসাদ। তার অভিনয় প্রসঙ্গে বলেন, “ওনার দুটো সত্তাই ভীষণ ভালো। পরিচালক শিবপ্রসাদের ছবি নিয়ে নতুন করে আর কী বলি? তবে শিবুদাকে বলব, ‘তোমাকে অভিনেতা হিসেবে আরও দেখতে চাই।”

আপনার বাংলা নিয়ে অনেকেই কথা বলেন- এ প্রসঙ্গে জয়া সোজা উত্তর, “বলতেই পারেন! কিন্তু আমার এই ডায়ালেক্টটাকেই তো অনেকে কাজে লাগান এবং লাগিয়েছেনও। তাতে আখেরে খারাপ কিছু তো হয় না! আমি আমার মাতৃভাষা তো পরিবর্তন করতে পারব না। তবে, চরিত্রের প্রয়োজনে তা বদলাতেই পারি।”

“কলকাতায় না এসে আমি থাকতে পারব না। এমনও হয় আমি এক সপ্তাহে দু’-তিনবার আসি কলকাতায়। এমনও হয়েছে সকালে কলকাতায় গিয়ে বিকেলে চলে আসি। কাজের জন্য ম্যানেজ করতেই হয়। এত কাজের মাঝে আসলে নিজেকেই কম সময় দেওয়া হয়।” ঢাকা-কলকাতায় পরপর কাজ সম্পর্কে এভাবে বলেন জয়া।

সামনে অতনু ঘোষের ‘বিনি সুতোয়’ ছবিতে দেবজ্যোতি মিশ্রর পরিচালনায় রবীন্দ্র সংগীত ‘সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি’ শোনা যাবে জয়ার কণ্ঠে। তিনি বলেন, “চরিত্রটা এতটাই ন্যাচারাল যে অন্য কাউকে দিয়ে গাওয়ালে হয়তো সেই আমজ থাকত না। আমার ‘কণ্ঠ’-ই ডিমান্ড করছিল। তাই পরিচালকের কথাতেই গানটা গাই। এটা আসলে অতনুদার নিজস্ব স্টাইল। ছবির চরিত্রকে দিয়েই গান গাওয়াবেন। এর আগে তার ছবিতে সৌমিত্র কাকুও গেয়েছেন।”

জয়া আরও জানালেন, ‘বিনি সুতোয়’ তার চরিত্রটা একটু রহস্যজনক। দুজন অদ্ভুত মানুষের রিয়্যালিটি শো’তে পরিচয়। এর বেশি আর বললেন না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ধূমপান বা অন্য কোনো নেশা নেই জয়ার

আপডেট টাইম : ০৪:০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ‘কণ্ঠ’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। দুই বাচিক শিল্পীর ভালোবাসার গল্পের সঙ্গে ল্যারিঙ্গ ক্যানসারে আক্রান্ত এক ব্যক্তির জীবনযুদ্ধের কাহিনি দেখা যাবে কলকাতার এ ছবিতে।

বাচিক শিল্পীর স্পিচ থেরাপিস্টের ভূমিকায় রয়েছেন জয়া আহসান। এই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নায়িকাকে বেশ প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। গলার যত্ন প্রসঙ্গে কলকাতার একটি পত্রিকাকে বলেন, “ধূমপান বা অন্য কোনো নেশা আমার নেই। তাই ওদিকটা থেকে বাঁচা। ঠান্ডা জল এড়িয়ে চলি।”

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে আরও বলেন, “ছবিটা করার আগে স্পিচ থেরাপিস্ট এবং ল্যারিঙ্গ ক্যানসারাক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। আগে এই ল্যারিঙ্গ ক্যানসার নিয়ে কোনো ধারণাই ছিল না, কিন্তু এখন এই বিষয়ে প্রায় অনেকটাই জানা হয়ে গিয়েছে। আর হ্যাঁ, চিত্রনাট্যের কথাও উল্লেখ করব। চরিত্রটা ছকে ফেলার জন্য ওটাই যথেষ্ট ছিল।”

চরিত্রটির চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বলেন, “আমি কতটা কমিউনিকেট করতে পারছি পেশেন্টের সঙ্গে সেই ইমোশনটাকেও ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে। উপরন্তু, আমার মাথায় সব সময় কাজ করত আমাকে পেশেন্টের থেকে আরও ভালো করে বলতে হবে। কারণ, এ ক্ষেত্রে আমি তার শিক্ষিকার ভূমিকায়। সেটা আমার কাছে চ্যালেঞ্জিং ছিল।”

পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবির নায়ক চরিত্রে আছেন শিবপ্রসাদ। তার অভিনয় প্রসঙ্গে বলেন, “ওনার দুটো সত্তাই ভীষণ ভালো। পরিচালক শিবপ্রসাদের ছবি নিয়ে নতুন করে আর কী বলি? তবে শিবুদাকে বলব, ‘তোমাকে অভিনেতা হিসেবে আরও দেখতে চাই।”

আপনার বাংলা নিয়ে অনেকেই কথা বলেন- এ প্রসঙ্গে জয়া সোজা উত্তর, “বলতেই পারেন! কিন্তু আমার এই ডায়ালেক্টটাকেই তো অনেকে কাজে লাগান এবং লাগিয়েছেনও। তাতে আখেরে খারাপ কিছু তো হয় না! আমি আমার মাতৃভাষা তো পরিবর্তন করতে পারব না। তবে, চরিত্রের প্রয়োজনে তা বদলাতেই পারি।”

“কলকাতায় না এসে আমি থাকতে পারব না। এমনও হয় আমি এক সপ্তাহে দু’-তিনবার আসি কলকাতায়। এমনও হয়েছে সকালে কলকাতায় গিয়ে বিকেলে চলে আসি। কাজের জন্য ম্যানেজ করতেই হয়। এত কাজের মাঝে আসলে নিজেকেই কম সময় দেওয়া হয়।” ঢাকা-কলকাতায় পরপর কাজ সম্পর্কে এভাবে বলেন জয়া।

সামনে অতনু ঘোষের ‘বিনি সুতোয়’ ছবিতে দেবজ্যোতি মিশ্রর পরিচালনায় রবীন্দ্র সংগীত ‘সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি’ শোনা যাবে জয়ার কণ্ঠে। তিনি বলেন, “চরিত্রটা এতটাই ন্যাচারাল যে অন্য কাউকে দিয়ে গাওয়ালে হয়তো সেই আমজ থাকত না। আমার ‘কণ্ঠ’-ই ডিমান্ড করছিল। তাই পরিচালকের কথাতেই গানটা গাই। এটা আসলে অতনুদার নিজস্ব স্টাইল। ছবির চরিত্রকে দিয়েই গান গাওয়াবেন। এর আগে তার ছবিতে সৌমিত্র কাকুও গেয়েছেন।”

জয়া আরও জানালেন, ‘বিনি সুতোয়’ তার চরিত্রটা একটু রহস্যজনক। দুজন অদ্ভুত মানুষের রিয়্যালিটি শো’তে পরিচয়। এর বেশি আর বললেন না।