ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চলচ্চিত্রের শুটিং নভেম্বরে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০১৯
  • ৩৩৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিতব্য বহুল প্রত্যাশিত চলচ্চিত্রের শুটিং চলতি বছরের নভেম্বরে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ‘মুজিব বর্ষ ২০২০-২১’ শেষ হওয়ার আগেই এই চলচ্চিত্রের মুক্তির ব্যাপারে বাংলাদেশ-ভারত কর্মকর্তা পর্যায়ের এক সভায় মঙ্গলবার মতৈক্য হয়েছে। ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক শ্যাম বেনেগাল জানান, চলচ্চিত্রের পাণ্ডলিপি লেখক অতুল তিওয়ারী এই প্রকল্পের পটভূমি গবেষণার কাজে আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে তাকে সহায়তা করবেন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব পিপলু খান। উভয় দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেনেগাল শ্যাম বৈঠকে অংশ নেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম ও সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে ১৮০ মিনিটের চলচ্চিত্রটির পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক শ্যাম বেনেগালকে। আর অতুল তিওয়ারী নির্বাচিত হয়েছেন পাণ্ডলিপি লেখক।

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই ছবিটি নির্মিত হবে। এমন ঘোষণা উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় আগেই দিয়েছেন।

শ্যাম বেনেগাল বলেন, ‘এই চলচ্চিত্রের জন্য বেশিভাগ অভিনেতা-অভিনেত্রী নেয়া হবে বাংলাদেশ থেকে এবং শিগগিরই আমরা অভিনেতা-অভিনেত্রী খোঁজার কাজটি শুরু করে দেব। অবশ্য বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার চরিত্রে যিনি অভিনয় করবেন তাকে পছন্দ করা হবে একটি কঠিন কাজ।’

তিনি জানান, পাণ্ডলিপির আনুসঙ্গিক বিষয় ও পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের মতো কাজ হয়ে গেলে শুটিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ ৮০ দিন লাগবে। শুটিং পরবর্তী কাজ হবে মুম্বাইয়ে। ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে বাংলা ভাষায় এবং পরে অন্যান্য ভাষায় এটি তৈরি করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর নেতৃত্বে বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ও তথ্য সচিব আব্দুল মালেক এবং ভারতের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব অমিত খারে।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে যৌথ প্রযোজনায় বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি বায়োপিক নির্মাণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চলচ্চিত্রের শুটিং নভেম্বরে

আপডেট টাইম : ১১:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিতব্য বহুল প্রত্যাশিত চলচ্চিত্রের শুটিং চলতি বছরের নভেম্বরে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ‘মুজিব বর্ষ ২০২০-২১’ শেষ হওয়ার আগেই এই চলচ্চিত্রের মুক্তির ব্যাপারে বাংলাদেশ-ভারত কর্মকর্তা পর্যায়ের এক সভায় মঙ্গলবার মতৈক্য হয়েছে। ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক শ্যাম বেনেগাল জানান, চলচ্চিত্রের পাণ্ডলিপি লেখক অতুল তিওয়ারী এই প্রকল্পের পটভূমি গবেষণার কাজে আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে তাকে সহায়তা করবেন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব পিপলু খান। উভয় দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেনেগাল শ্যাম বৈঠকে অংশ নেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম ও সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে ১৮০ মিনিটের চলচ্চিত্রটির পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক শ্যাম বেনেগালকে। আর অতুল তিওয়ারী নির্বাচিত হয়েছেন পাণ্ডলিপি লেখক।

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই ছবিটি নির্মিত হবে। এমন ঘোষণা উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় আগেই দিয়েছেন।

শ্যাম বেনেগাল বলেন, ‘এই চলচ্চিত্রের জন্য বেশিভাগ অভিনেতা-অভিনেত্রী নেয়া হবে বাংলাদেশ থেকে এবং শিগগিরই আমরা অভিনেতা-অভিনেত্রী খোঁজার কাজটি শুরু করে দেব। অবশ্য বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার চরিত্রে যিনি অভিনয় করবেন তাকে পছন্দ করা হবে একটি কঠিন কাজ।’

তিনি জানান, পাণ্ডলিপির আনুসঙ্গিক বিষয় ও পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের মতো কাজ হয়ে গেলে শুটিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ ৮০ দিন লাগবে। শুটিং পরবর্তী কাজ হবে মুম্বাইয়ে। ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে বাংলা ভাষায় এবং পরে অন্যান্য ভাষায় এটি তৈরি করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর নেতৃত্বে বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ও তথ্য সচিব আব্দুল মালেক এবং ভারতের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব অমিত খারে।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে যৌথ প্রযোজনায় বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি বায়োপিক নির্মাণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।