সংবাদ শিরোনাম
ফাঁসির আগে আল্লামা সায়্যিদ কুতুব (রহ.) যা বলেছিলেন
মিশরের শীর্ষ ইসলামি ব্যক্তিত্ব আল্লামা সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমা তাইয়্যিবার ব্যাখ্যা লেখা ও ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা সংবলিত একটি
যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করল
পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদায় মহান আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, আমি বনী ইসরাঈলের ওপর এ আদেশ দিলাম, যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা
যা করলে প্রিয় নবী (সা.) কে স্বপ্নে দেখা সম্ভব
প্রতিটি মুসলমানের আশা থাকে, আমাদের প্রিয় নবী (সা.) কে স্বপ্নে দেখার। কারো ভাগ্যে হয় আবার কারো ভাগ্যে হয় না। সত্যিকারের
যে গুনাহ আল্লাহ পাক কখনোই ক্ষমা করবেন না
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করা ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধ ক্ষমা করেন।
মৃত্যুর আগ মুহূর্তে মা ফাতিমাকে ডেকে চুপে চুপে যা বলেছিলেন রাসূল (সাঃ)
প্রত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর আগে তার আপনজনকে কিছু না কিছু বলে যান। কিংবা অসিয়ত করে যান। তেমনি আল্লাহর রাসূলও (সাঃ) মৃত্যুর
সুবাহানাল্লাহ, এই সামান্য কাজটি করলে নিযুক্ত হবে সত্তর হাজার ফেরেশতা’
মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই। একের বিপদে অন্যের এগিয়ে যাওয়া কর্তব্য। কোনো অবস্থাতেই হিংসা থাকা উচিত নয়। প্রতিটি মুসলমানের খোঁজ-খবর নেয়া
যেখানে দাঁড়িয়ে রাসুল (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন
মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, একদিন মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে রাসুলের (সা.) কান্না দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছিলেন সাহাবায়ে কেরাম, রাসুলের কান্নায়
বিস্ময়কর বালিকা, ৭ মাসেই কোরআনে হাফেজ
বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে হাফেজা আদিবা তাসনিম। কেননা, মাত্র সাড়ে ছয় বছর বয়সে মাত্র সাত মাসেই পবিত্র আল কোরআন হেফজ করেছে
ঘুমানোর আগে মহানবী (সা.) যে দোয়াটি পড়তেন
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। আবার অনেকেই আছেন যারা রাতের খাবার খাওয়ার পর মহান আল্লাহ
আল্লাহ-রাসূলের হুঁশিয়ারি, চার ব্যক্তি থেকে সাবধান
আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত, রাসূল (সা:)বলেছেন, চারটি গুণ যার মধ্যে একত্র হবে, সে সত্যিকার মুনাফেক। আর যার মধ্যে



















