ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়: অর্থমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০১৯
  • ৪৪৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণেই বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে টাকার প্রয়োজন হয়। কিন্তু টাকার অভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় না। প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় তার ম্যানেজমেন্টের কারণে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) প্রথম বার্ষিক ব্যবসা সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ, পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. এহসান খসরু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা ব্যাংক আরো এগিয়ে যাবে প্রত্যাশা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকটির পুরো ব্যবস্থাপনাকে সংস্কার করা হয়েছে। একটি দক্ষ টিমের দায়িত্ব নিয়েছে। আশা করছি এটি ভালো করবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। আগামী পাঁচ বছর সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আমাদের কাজ করতে হবে। ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে তাহলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব।

বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর পেছনের দিকে তাকানোর সুযোগ নেই। এ বছর আমাদের রেকর্ড পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে। এখন ৮ দশমিক ১ শতাংশ অর্জন হয়েছে। আরো কয়েক মাস বাকি রয়েছে। আশা করছি প্রবৃদ্ধি আরো বাড়বে। এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়: অর্থমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণেই বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে টাকার প্রয়োজন হয়। কিন্তু টাকার অভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় না। প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় তার ম্যানেজমেন্টের কারণে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) প্রথম বার্ষিক ব্যবসা সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ, পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. এহসান খসরু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা ব্যাংক আরো এগিয়ে যাবে প্রত্যাশা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকটির পুরো ব্যবস্থাপনাকে সংস্কার করা হয়েছে। একটি দক্ষ টিমের দায়িত্ব নিয়েছে। আশা করছি এটি ভালো করবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। আগামী পাঁচ বছর সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আমাদের কাজ করতে হবে। ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে তাহলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব।

বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর পেছনের দিকে তাকানোর সুযোগ নেই। এ বছর আমাদের রেকর্ড পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে। এখন ৮ দশমিক ১ শতাংশ অর্জন হয়েছে। আরো কয়েক মাস বাকি রয়েছে। আশা করছি প্রবৃদ্ধি আরো বাড়বে। এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি।