ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইহ-পরকালে জালেমের প্রতি আল্লাহর শাস্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জানুয়ারী ২০১৯
  • ৪২৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন, وَأَعۡتَدۡنَا لِلظَّاٰلِمِينَ عَذَابًا أَلِيمٗا “আর আমরা যালেমদের জন্য কঠিন পীড়াদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করেছি”। -সূরা ফুরকান:৩৭ আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) বলেছেন, তোমরা কি জানো গরীব কে? সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে যার সম্পদ নাই সে হলো গরীব লোক। তখন তিনি বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে সে হলো গরীব যে, কিয়ামতের দিন নামায, রোযা ও যাকাত নিয়ে আসবে অথচ সে অমুককে গালি দিয়েছে, অমুককে অপবাদ দিয়েছে, অন্যায়ভাবে লোকের মাল খেয়েছে, সে লোকের রক্ত প্রবাহিত করেছে এবং কাউকে প্রহার করেছে। কাজেই এসব নির্যাতিত ব্যক্তিদেরকে সেদিন তার নেক আমল নামা দিয়ে দেয়া হবে। এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।-তিরমিযী:২৪১৮

আবু হুরায়রা (রা.) আরও বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি কারো মানহানি বা অন্যকোন বিষয়ে অত্যাচার করে তাহলে সে যেন জীবিত থাকতেই তা ক্ষমা চেয়ে নেয় অথবা অত্যাচার পরিমাণ বিনিময় পরিশোধ করে দেয়। কেননা সে দিন (কিয়ামত) তার নিকট কোন দীনার ও দিরহাম কিছুই থাকবে না। যদি তার ভাল কোন আমল থাকে তাহলে অত্যাচার অনুপাতে তার থেকে ভাল আমল ছিনিয়ে নেয়া হবে। আর যদি কোন নেক আমল না থাকে অত্যাচারিত ব্যক্তির পাপকে এনে তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। -সহীহ ইবন হিব্বান:৭৩৬১

আবু মূসা আল-আশআরী  (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা অত্যাচারীকে অবকাশ দিয়ে থাকেন। অবশেষে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করেন যে, সে আর ছুটে যেতে পারে না -বাইহাকী: ৬/৯৪

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইহ-পরকালে জালেমের প্রতি আল্লাহর শাস্তি

আপডেট টাইম : ০৫:৩১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জানুয়ারী ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন, وَأَعۡتَدۡنَا لِلظَّاٰلِمِينَ عَذَابًا أَلِيمٗا “আর আমরা যালেমদের জন্য কঠিন পীড়াদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করেছি”। -সূরা ফুরকান:৩৭ আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) বলেছেন, তোমরা কি জানো গরীব কে? সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে যার সম্পদ নাই সে হলো গরীব লোক। তখন তিনি বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে সে হলো গরীব যে, কিয়ামতের দিন নামায, রোযা ও যাকাত নিয়ে আসবে অথচ সে অমুককে গালি দিয়েছে, অমুককে অপবাদ দিয়েছে, অন্যায়ভাবে লোকের মাল খেয়েছে, সে লোকের রক্ত প্রবাহিত করেছে এবং কাউকে প্রহার করেছে। কাজেই এসব নির্যাতিত ব্যক্তিদেরকে সেদিন তার নেক আমল নামা দিয়ে দেয়া হবে। এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।-তিরমিযী:২৪১৮

আবু হুরায়রা (রা.) আরও বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি কারো মানহানি বা অন্যকোন বিষয়ে অত্যাচার করে তাহলে সে যেন জীবিত থাকতেই তা ক্ষমা চেয়ে নেয় অথবা অত্যাচার পরিমাণ বিনিময় পরিশোধ করে দেয়। কেননা সে দিন (কিয়ামত) তার নিকট কোন দীনার ও দিরহাম কিছুই থাকবে না। যদি তার ভাল কোন আমল থাকে তাহলে অত্যাচার অনুপাতে তার থেকে ভাল আমল ছিনিয়ে নেয়া হবে। আর যদি কোন নেক আমল না থাকে অত্যাচারিত ব্যক্তির পাপকে এনে তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। -সহীহ ইবন হিব্বান:৭৩৬১

আবু মূসা আল-আশআরী  (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা অত্যাচারীকে অবকাশ দিয়ে থাকেন। অবশেষে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করেন যে, সে আর ছুটে যেতে পারে না -বাইহাকী: ৬/৯৪