ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

সম্পর্ক ভাঙতে পারে স্মার্টফোন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫
  • ৩৮০ বার

প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন অথচ মুখ গুজে আছেন স্মার্টফোনে! সাবধান এর কারণে সম্পর্কে নেমে আসতে পারে অশান্তি। কারণ গবেষকরা বলছেন, স্মার্টফোনের ব্যবহার প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে, বাড়িয়ে দিতে পারে দুশ্চিন্তার মাত্রা।
টেক্সাসের বেলর ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেমস রবার্টস জানাচ্ছেন, “এর পরিণতি স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো। মোবাইল ফোন ব্যবহারের মতো সামান্য বিষয়ই আমাদের জীবন থেকে সুখ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।” প্রেমের সম্পর্কে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করা এবং এই কারণে সঙ্গীর প্রতি অমনোযোগী থাকার প্রভাব পরিমাপ করতে এই গবেষণা করা হয়। এই পর্যালোচনার জন্য গবেষকরা আমেরিকার মোট ৪৫৩ জন প্রাপ্তবয়সির অংশগ্রহণে দুটি পৃথক গবেষণা করেন। রবার্টস বলেন, “যখন কেউ বুঝতে পারেন যে, স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে সঙ্গীর প্রতি মনোযোগ নেই, তখনই যত সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে আসে।”
৩০৮ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে করা প্রথম গবেষণায় স্মার্টফোন ব্যবহার বিষয়ক সমস্যাগুলি পরিমাপের একটি মানদণ্ড তৈরিতে গবেষকদের সাহায্য করে। এই মানদণ্ডে ছিল স্মার্টেফোনের নয় ধরনের ব্যবহার যা বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত। আর ১৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপর গবেষণায় মাপা হয় দম্পতিদের মধ্যে এই সমস্যা কতটা প্রচলিত। ফলাফলে দেখা যায়, ৪৬.৩ শতাংশই ফোনের কারণে সঙ্গীর অমনোযোগী ব্যবহারের শিকার হয়েছেন এবং এরমধ্যে ২২.৬ শতাংশই জানিয়েছেন যে তাদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের ৩৬.৬ শতাংশই বলছেন তারা এই কারণে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মানসিক চাপে ভুগেছেন।
বেলর ইউনিভার্সিটির হানকামার স্কুল অফ বিজনেসের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেরেডিথ ডেভিড বলেন, “জীবনে সেল বা মোবাইল ফোনের কারণে খানিকটা সময় মনোযোগ সরে যাওয়াটা তেমন কোনো বিষয় বলে মনে হয় না।” তবে গবেষণা মোতাবেক, স্মার্টফোনের দিকে মনোযোগ থাকার কারণে দম্পতিদের একত্রে সময় কাটানো যত বেশি বিঘ্নিত হয়, তাদের সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে যাওয়ার আশঙ্কা ততটাই বেড়ে যায় বলে মনে করেন এই অধ্যাপক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

সম্পর্ক ভাঙতে পারে স্মার্টফোন

আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫

প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন অথচ মুখ গুজে আছেন স্মার্টফোনে! সাবধান এর কারণে সম্পর্কে নেমে আসতে পারে অশান্তি। কারণ গবেষকরা বলছেন, স্মার্টফোনের ব্যবহার প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে, বাড়িয়ে দিতে পারে দুশ্চিন্তার মাত্রা।
টেক্সাসের বেলর ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেমস রবার্টস জানাচ্ছেন, “এর পরিণতি স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো। মোবাইল ফোন ব্যবহারের মতো সামান্য বিষয়ই আমাদের জীবন থেকে সুখ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।” প্রেমের সম্পর্কে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করা এবং এই কারণে সঙ্গীর প্রতি অমনোযোগী থাকার প্রভাব পরিমাপ করতে এই গবেষণা করা হয়। এই পর্যালোচনার জন্য গবেষকরা আমেরিকার মোট ৪৫৩ জন প্রাপ্তবয়সির অংশগ্রহণে দুটি পৃথক গবেষণা করেন। রবার্টস বলেন, “যখন কেউ বুঝতে পারেন যে, স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে সঙ্গীর প্রতি মনোযোগ নেই, তখনই যত সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে আসে।”
৩০৮ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে করা প্রথম গবেষণায় স্মার্টফোন ব্যবহার বিষয়ক সমস্যাগুলি পরিমাপের একটি মানদণ্ড তৈরিতে গবেষকদের সাহায্য করে। এই মানদণ্ডে ছিল স্মার্টেফোনের নয় ধরনের ব্যবহার যা বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত। আর ১৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপর গবেষণায় মাপা হয় দম্পতিদের মধ্যে এই সমস্যা কতটা প্রচলিত। ফলাফলে দেখা যায়, ৪৬.৩ শতাংশই ফোনের কারণে সঙ্গীর অমনোযোগী ব্যবহারের শিকার হয়েছেন এবং এরমধ্যে ২২.৬ শতাংশই জানিয়েছেন যে তাদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের ৩৬.৬ শতাংশই বলছেন তারা এই কারণে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মানসিক চাপে ভুগেছেন।
বেলর ইউনিভার্সিটির হানকামার স্কুল অফ বিজনেসের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেরেডিথ ডেভিড বলেন, “জীবনে সেল বা মোবাইল ফোনের কারণে খানিকটা সময় মনোযোগ সরে যাওয়াটা তেমন কোনো বিষয় বলে মনে হয় না।” তবে গবেষণা মোতাবেক, স্মার্টফোনের দিকে মনোযোগ থাকার কারণে দম্পতিদের একত্রে সময় কাটানো যত বেশি বিঘ্নিত হয়, তাদের সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে যাওয়ার আশঙ্কা ততটাই বেড়ে যায় বলে মনে করেন এই অধ্যাপক।