ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

সম্পর্ক ভাঙতে পারে স্মার্টফোন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫
  • ৩৭৭ বার

প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন অথচ মুখ গুজে আছেন স্মার্টফোনে! সাবধান এর কারণে সম্পর্কে নেমে আসতে পারে অশান্তি। কারণ গবেষকরা বলছেন, স্মার্টফোনের ব্যবহার প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে, বাড়িয়ে দিতে পারে দুশ্চিন্তার মাত্রা।
টেক্সাসের বেলর ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেমস রবার্টস জানাচ্ছেন, “এর পরিণতি স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো। মোবাইল ফোন ব্যবহারের মতো সামান্য বিষয়ই আমাদের জীবন থেকে সুখ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।” প্রেমের সম্পর্কে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করা এবং এই কারণে সঙ্গীর প্রতি অমনোযোগী থাকার প্রভাব পরিমাপ করতে এই গবেষণা করা হয়। এই পর্যালোচনার জন্য গবেষকরা আমেরিকার মোট ৪৫৩ জন প্রাপ্তবয়সির অংশগ্রহণে দুটি পৃথক গবেষণা করেন। রবার্টস বলেন, “যখন কেউ বুঝতে পারেন যে, স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে সঙ্গীর প্রতি মনোযোগ নেই, তখনই যত সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে আসে।”
৩০৮ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে করা প্রথম গবেষণায় স্মার্টফোন ব্যবহার বিষয়ক সমস্যাগুলি পরিমাপের একটি মানদণ্ড তৈরিতে গবেষকদের সাহায্য করে। এই মানদণ্ডে ছিল স্মার্টেফোনের নয় ধরনের ব্যবহার যা বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত। আর ১৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপর গবেষণায় মাপা হয় দম্পতিদের মধ্যে এই সমস্যা কতটা প্রচলিত। ফলাফলে দেখা যায়, ৪৬.৩ শতাংশই ফোনের কারণে সঙ্গীর অমনোযোগী ব্যবহারের শিকার হয়েছেন এবং এরমধ্যে ২২.৬ শতাংশই জানিয়েছেন যে তাদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের ৩৬.৬ শতাংশই বলছেন তারা এই কারণে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মানসিক চাপে ভুগেছেন।
বেলর ইউনিভার্সিটির হানকামার স্কুল অফ বিজনেসের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেরেডিথ ডেভিড বলেন, “জীবনে সেল বা মোবাইল ফোনের কারণে খানিকটা সময় মনোযোগ সরে যাওয়াটা তেমন কোনো বিষয় বলে মনে হয় না।” তবে গবেষণা মোতাবেক, স্মার্টফোনের দিকে মনোযোগ থাকার কারণে দম্পতিদের একত্রে সময় কাটানো যত বেশি বিঘ্নিত হয়, তাদের সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে যাওয়ার আশঙ্কা ততটাই বেড়ে যায় বলে মনে করেন এই অধ্যাপক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

সম্পর্ক ভাঙতে পারে স্মার্টফোন

আপডেট টাইম : ০৮:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫

প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন অথচ মুখ গুজে আছেন স্মার্টফোনে! সাবধান এর কারণে সম্পর্কে নেমে আসতে পারে অশান্তি। কারণ গবেষকরা বলছেন, স্মার্টফোনের ব্যবহার প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে, বাড়িয়ে দিতে পারে দুশ্চিন্তার মাত্রা।
টেক্সাসের বেলর ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেমস রবার্টস জানাচ্ছেন, “এর পরিণতি স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো। মোবাইল ফোন ব্যবহারের মতো সামান্য বিষয়ই আমাদের জীবন থেকে সুখ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।” প্রেমের সম্পর্কে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করা এবং এই কারণে সঙ্গীর প্রতি অমনোযোগী থাকার প্রভাব পরিমাপ করতে এই গবেষণা করা হয়। এই পর্যালোচনার জন্য গবেষকরা আমেরিকার মোট ৪৫৩ জন প্রাপ্তবয়সির অংশগ্রহণে দুটি পৃথক গবেষণা করেন। রবার্টস বলেন, “যখন কেউ বুঝতে পারেন যে, স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে সঙ্গীর প্রতি মনোযোগ নেই, তখনই যত সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে আসে।”
৩০৮ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে করা প্রথম গবেষণায় স্মার্টফোন ব্যবহার বিষয়ক সমস্যাগুলি পরিমাপের একটি মানদণ্ড তৈরিতে গবেষকদের সাহায্য করে। এই মানদণ্ডে ছিল স্মার্টেফোনের নয় ধরনের ব্যবহার যা বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত। আর ১৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপর গবেষণায় মাপা হয় দম্পতিদের মধ্যে এই সমস্যা কতটা প্রচলিত। ফলাফলে দেখা যায়, ৪৬.৩ শতাংশই ফোনের কারণে সঙ্গীর অমনোযোগী ব্যবহারের শিকার হয়েছেন এবং এরমধ্যে ২২.৬ শতাংশই জানিয়েছেন যে তাদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের ৩৬.৬ শতাংশই বলছেন তারা এই কারণে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মানসিক চাপে ভুগেছেন।
বেলর ইউনিভার্সিটির হানকামার স্কুল অফ বিজনেসের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেরেডিথ ডেভিড বলেন, “জীবনে সেল বা মোবাইল ফোনের কারণে খানিকটা সময় মনোযোগ সরে যাওয়াটা তেমন কোনো বিষয় বলে মনে হয় না।” তবে গবেষণা মোতাবেক, স্মার্টফোনের দিকে মনোযোগ থাকার কারণে দম্পতিদের একত্রে সময় কাটানো যত বেশি বিঘ্নিত হয়, তাদের সম্পর্কে সন্তুষ্টির মাত্রা কমে যাওয়ার আশঙ্কা ততটাই বেড়ে যায় বলে মনে করেন এই অধ্যাপক।