ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নারীবান্ধব বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে গুরুত্ব জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সভায় জুবাইদা রহমান ১৭২ বিলিয়ন ডলারের সবুজ বিনিয়োগ : বাংলাদেশের বড় সুযোগ কফি শুধু ঘুম তাড়ায়? দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য নিয়ে যা বলছে গবেষণা কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ইতালির স্কুলে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীতে লাগাম ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসীরুদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সময়সীমা বেঁধে দিলো সরকার এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে নভেম্বরের মাঝামাঝি এমবাপ্পে নাকি ইয়ামাল, ব্যালন ডি’অর নিয়ে স্যামুয়েল ইতোর বাজি

প্রাথমিকে পদোন্নতি পাচ্ছেন সাত হাজার শিক্ষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০১৫
  • ৩৩৩ বার

পদোন্নতি পাচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষক। এতদিন মামলা-সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে ছিল প্রধান শিক্ষক পদে এসব সহকারী শিক্ষকের পদোন্নতি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দীর্ঘ দিন আটকে থাকা এসব শিক্ষককে পদোন্নতির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দিয়েছে।

এর ফলে রাজস্বখাতে নিয়োগকৃত সহকারী শিক্ষকরা জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উন্নয়ন খাতে উপজেলাভিত্তিক সাত হাজার ১৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পান। ১৯৯১ সালে উন্নয়ন খাত থেকে রাজস্ব খাতে চাকরি স্থানান্তর এবং ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত হলেও একটি অধ্যাদেশের কারণে তাদের পদোন্নতি বন্ধ থাকে।

অথচ সাত বছর চাকরির পর সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করেন। পদোন্নতি না হওয়ায় এ শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।

ভুক্তভোগীদের ঢাকা মোহাম্মদপুর বরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিনা বলেন, ১৯৯৫ সালে সরকার এক আদেশে এসব শিক্ষকদের পদোন্নতি বন্ধ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা ২০০৯ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০১৪ সালের শেষ দিকে হাইকোর্ট শিক্ষকদের পক্ষে রায় দেন। মন্ত্রণালয় রায়ের বিপরীতে আপিল করলেও শিক্ষকদের পক্ষেই তা বহাল থাকে।

হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের রায় শিক্ষকদের পক্ষে গেলে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা গত ৭ অক্টোবর বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক বলেন, এ আদেশের ফলে এসব শিক্ষক এখন প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন।

১৯৮৫-১৯৯০ সাল পর্যন্ত এসব শিক্ষকের যোগদানের তারিখ থেকে চাকরিকাল গণনা করে পদোন্নতি হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীবান্ধব বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে গুরুত্ব জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সভায় জুবাইদা রহমান

প্রাথমিকে পদোন্নতি পাচ্ছেন সাত হাজার শিক্ষক

আপডেট টাইম : ১২:১৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০১৫

পদোন্নতি পাচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষক। এতদিন মামলা-সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে ছিল প্রধান শিক্ষক পদে এসব সহকারী শিক্ষকের পদোন্নতি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দীর্ঘ দিন আটকে থাকা এসব শিক্ষককে পদোন্নতির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দিয়েছে।

এর ফলে রাজস্বখাতে নিয়োগকৃত সহকারী শিক্ষকরা জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উন্নয়ন খাতে উপজেলাভিত্তিক সাত হাজার ১৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পান। ১৯৯১ সালে উন্নয়ন খাত থেকে রাজস্ব খাতে চাকরি স্থানান্তর এবং ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত হলেও একটি অধ্যাদেশের কারণে তাদের পদোন্নতি বন্ধ থাকে।

অথচ সাত বছর চাকরির পর সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করেন। পদোন্নতি না হওয়ায় এ শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।

ভুক্তভোগীদের ঢাকা মোহাম্মদপুর বরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিনা বলেন, ১৯৯৫ সালে সরকার এক আদেশে এসব শিক্ষকদের পদোন্নতি বন্ধ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা ২০০৯ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০১৪ সালের শেষ দিকে হাইকোর্ট শিক্ষকদের পক্ষে রায় দেন। মন্ত্রণালয় রায়ের বিপরীতে আপিল করলেও শিক্ষকদের পক্ষেই তা বহাল থাকে।

হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের রায় শিক্ষকদের পক্ষে গেলে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা গত ৭ অক্টোবর বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক বলেন, এ আদেশের ফলে এসব শিক্ষক এখন প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন।

১৯৮৫-১৯৯০ সাল পর্যন্ত এসব শিক্ষকের যোগদানের তারিখ থেকে চাকরিকাল গণনা করে পদোন্নতি হবে।