ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

রঙ্গিন পাখার বাংলা কাঠঠোকরা পাখির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪৭২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভোরের এ সময়ে গ্রামের সৌন্দর্য যেনো চোখে পরার মতো। শিল্পীর হাতে আকাঁ যেনো সব কিছু। হঠাৎ দেখা পাওয়া গেলো রঙ্গিন পাখার বাংলা কাঠঠোকরা পাখির।

ঘন কালো সূচালো তীক্ষ্ম ঠোটে হাতুড়ির মতো ঠকঠক শব্দে এক মনে গাছে ঠুকরিয়ে যাচ্ছে। কর্কশ ডাক ছেড়ে মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে সতর্ক হয়ে এক গাছ থেকে অন্য গাছে আশ্রয় নিয়ে খাবারের সন্ধানে উড়ে বেড়াচ্ছে কাঠঠোকরা। শরীরের ভারসাম্য রাখতে শক্ত পা দিয়ে আঁকড়ে ধরছে গাছের বাকঁল।

আগে কাঠঠোকরা পাখি নিয়মিত দেখা গেলেও এখন তেমন চোখে পরেনা। প্রায় ৩০ সেন্টিমিটারের মত লম্বা এ কাঠঠোকরার আকর্ষণীয় দিক হলো পুরুষ কাঠঠোকরার ঝুঁটি উজ্জ্বল লাল রঙের। আর স্ত্রী জাতীয় পাখির হলদে। এক সময়কার সুপরিচিত বাংলা কাঠঠোকরা চেনা পাখি হলেও এখন ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এ পাখি। গাছের পোকামাকড় খেয়ে গাছের উপকার করা পাখি এটি।

সৌন্দর্যে দ্যুতি ছড়ানো আকর্ষণীয় রঙ্গিন এ পাখিটি গ্রাম-গঞ্জে দেখা যায়। প্রতিকূল পরিবেশের কারণে কমে গেছে কাঠঠোকরার প্রজনন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় হটাৎ করে বৃষ্টির এলো রাস্তার পামে এক দোকানে দাড়ালে চোখে পড়ে, রস্থার পূর্ব দিকে নারকেল গাছে দিকে, দুটো পাখি খেলা করছে। চোখ মুছে ভালো করে দেখলাম পাখি দুটো কাঁঠ-ঠোরা পাখি।

মানুষের মাঝে যেরকম ভালোবাসা হয় ঠিক তেমনি, পাখিদের মাঝেও ভালো মিল। একে সঙ্গে দুটি পাখিয়ে বৃষ্টির পানিতে গোসল করছে। তাদের মিল দেখে মনে হচ্ছে তারা দীর্ঘ পাঁচ ছয় বছর পর দেখা হলো। বৃষ্টির পানিতে ভালোই মজা করছিলো পাখি দুটো। বেশ ঘন্টা দুয়েক এক সঙ্গে ছিলো। হটাৎ বৃষ্টি শেষ হতে না হতেই পাখি দুটো দুদিকে চলে যায়। আর গাছটি শুর্ন্য হয়ে যায়। আবার কবে দেখা পাবোকিনা তাও ঠিক নাই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

রঙ্গিন পাখার বাংলা কাঠঠোকরা পাখির

আপডেট টাইম : ০৫:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভোরের এ সময়ে গ্রামের সৌন্দর্য যেনো চোখে পরার মতো। শিল্পীর হাতে আকাঁ যেনো সব কিছু। হঠাৎ দেখা পাওয়া গেলো রঙ্গিন পাখার বাংলা কাঠঠোকরা পাখির।

ঘন কালো সূচালো তীক্ষ্ম ঠোটে হাতুড়ির মতো ঠকঠক শব্দে এক মনে গাছে ঠুকরিয়ে যাচ্ছে। কর্কশ ডাক ছেড়ে মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে সতর্ক হয়ে এক গাছ থেকে অন্য গাছে আশ্রয় নিয়ে খাবারের সন্ধানে উড়ে বেড়াচ্ছে কাঠঠোকরা। শরীরের ভারসাম্য রাখতে শক্ত পা দিয়ে আঁকড়ে ধরছে গাছের বাকঁল।

আগে কাঠঠোকরা পাখি নিয়মিত দেখা গেলেও এখন তেমন চোখে পরেনা। প্রায় ৩০ সেন্টিমিটারের মত লম্বা এ কাঠঠোকরার আকর্ষণীয় দিক হলো পুরুষ কাঠঠোকরার ঝুঁটি উজ্জ্বল লাল রঙের। আর স্ত্রী জাতীয় পাখির হলদে। এক সময়কার সুপরিচিত বাংলা কাঠঠোকরা চেনা পাখি হলেও এখন ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এ পাখি। গাছের পোকামাকড় খেয়ে গাছের উপকার করা পাখি এটি।

সৌন্দর্যে দ্যুতি ছড়ানো আকর্ষণীয় রঙ্গিন এ পাখিটি গ্রাম-গঞ্জে দেখা যায়। প্রতিকূল পরিবেশের কারণে কমে গেছে কাঠঠোকরার প্রজনন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় হটাৎ করে বৃষ্টির এলো রাস্তার পামে এক দোকানে দাড়ালে চোখে পড়ে, রস্থার পূর্ব দিকে নারকেল গাছে দিকে, দুটো পাখি খেলা করছে। চোখ মুছে ভালো করে দেখলাম পাখি দুটো কাঁঠ-ঠোরা পাখি।

মানুষের মাঝে যেরকম ভালোবাসা হয় ঠিক তেমনি, পাখিদের মাঝেও ভালো মিল। একে সঙ্গে দুটি পাখিয়ে বৃষ্টির পানিতে গোসল করছে। তাদের মিল দেখে মনে হচ্ছে তারা দীর্ঘ পাঁচ ছয় বছর পর দেখা হলো। বৃষ্টির পানিতে ভালোই মজা করছিলো পাখি দুটো। বেশ ঘন্টা দুয়েক এক সঙ্গে ছিলো। হটাৎ বৃষ্টি শেষ হতে না হতেই পাখি দুটো দুদিকে চলে যায়। আর গাছটি শুর্ন্য হয়ে যায়। আবার কবে দেখা পাবোকিনা তাও ঠিক নাই।