ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিয়ের দুই বছর পর নববধূর সাজে সোনাক্ষী মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে বাধ্য হবে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ইইউ-এর ৭ দেশের দূতের রাজস্ব আদায়ে গতি বাড়াতে অধ্যাদেশ সংশোধন অনুমোদন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা হামজার মধ্যে তারকা হওয়ার সব গুণ দেখছেন লামিন ইয়ামাল জনগণ কেমন সেবা পাচ্ছেন দেখতে বোরকা পরে ভূমি অফিসে ডিসি আদাবর ও মোহাম্মদপুরে তাণ্ডব: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার ১৩ ডিএই এবং বিএডিসি: ১৩ প্রকল্পের পিডি বদলের তোড়জোড় নিয়ে প্রশ্ন বৃহস্পতিবার ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে একগুচ্ছ কর্মসূচি ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মাটির নিচে ১৯ তলা হোটেল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪৬৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চীনের সাংহাই শহরের কাছে সংজিয়াং জেলার খনি অঞ্চলে একটি ২১ তলা হোটেল হচ্ছে। হোটেলটির ১৯ তলাই মাটির নিচে  থাকবে। আর উপরে থাকবে মাত্র দুটি তলা। নির্মাণাধীন এই অভিনব হোটেলটির কাজ শেষ হলে, ওই খনি এলাকার চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে। অনবরত মেশিনের শব্দ আর কালো ধোঁয়ায় জ্বালাতন থাকবে না। আনাগোনা থাকবে না শ্রমিকদেরও। ওই এলাকার আশেপাশে শ্রমিকরা বসবাস করতেন।

কিছু দিনের মধ্যে চালু হবে এই ঝাঁ চকচকে হোটেল। ফলে রুক্ষ এই খনি অঞ্চল হবে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০১৮-র মে মাস থেকেই চালু হয়ে যাবে এই হোটেল। বিলাসবহুল এই অভিনব হোটেলে ছুটি কাটাতে পারবেন পর্যটকেরা।

এই হোটেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের নভেম্বরে। হোটেলটির বৈশিষ্ট্য শুনলে আপনি অবাক হবেন। কারণ, হোটেলের পুরোটাই মাটির নিচে । ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০ মিটার গভীর খনির ৮০ মিটার নিচে পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে হোটেলটি। হোটেলের বেশ কিছুটা অংশ রয়েছে জলের নিচে ও। আর এটাই এই হোটেলের প্রধান আকর্ষণ। ব্রিটিশ সংস্থা আটকিনস্ এই হোটেলের নকশা বানিয়েছে।

হোটেলটির নামেই অবশ্য তার বৈশিষ্ট্যের আভাস পাওয়া যায়। হোটেলটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিপ পিট হোটেল’। ২১ তলা হোটেলের ১৭টি ফ্লোর মাটির নিচে, দু’টি ফ্লোর পানির তলায় এবং দু’টি ফ্লোর মাটির উপরে।

হোটেলটিতে সব মিলিয়ে পর্যটকদের জন্য ৩৮৩টি রুম রয়েছে। হোটেলের মাঝখানে কাচের তৈরি কৃত্রিম জলপ্রপাত রয়েছে। হোটেলের নিচে দাঁড়িয়ে উপরে তাকালে মনে হবে, ঠিক যেন পাহাড়ের গা বেয়ে ৮০ ফুট নিচে গভীর খাদে নেমে আসছে জলপ্রপাতটি।

হঠাৎ খনিকে বিলাসবহুল হোটেলে পরিণত করা হল কেন? আগে পুরোমাত্রায় সচল থাকলেও বিগত কয়েক বছর ধরে পরিত্যক্তই ছিল ওই খনি এলাকাটি। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত চীনের।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের দুই বছর পর নববধূর সাজে সোনাক্ষী

মাটির নিচে ১৯ তলা হোটেল

আপডেট টাইম : ০৪:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ চীনের সাংহাই শহরের কাছে সংজিয়াং জেলার খনি অঞ্চলে একটি ২১ তলা হোটেল হচ্ছে। হোটেলটির ১৯ তলাই মাটির নিচে  থাকবে। আর উপরে থাকবে মাত্র দুটি তলা। নির্মাণাধীন এই অভিনব হোটেলটির কাজ শেষ হলে, ওই খনি এলাকার চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে। অনবরত মেশিনের শব্দ আর কালো ধোঁয়ায় জ্বালাতন থাকবে না। আনাগোনা থাকবে না শ্রমিকদেরও। ওই এলাকার আশেপাশে শ্রমিকরা বসবাস করতেন।

কিছু দিনের মধ্যে চালু হবে এই ঝাঁ চকচকে হোটেল। ফলে রুক্ষ এই খনি অঞ্চল হবে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০১৮-র মে মাস থেকেই চালু হয়ে যাবে এই হোটেল। বিলাসবহুল এই অভিনব হোটেলে ছুটি কাটাতে পারবেন পর্যটকেরা।

এই হোটেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের নভেম্বরে। হোটেলটির বৈশিষ্ট্য শুনলে আপনি অবাক হবেন। কারণ, হোটেলের পুরোটাই মাটির নিচে । ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০ মিটার গভীর খনির ৮০ মিটার নিচে পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে হোটেলটি। হোটেলের বেশ কিছুটা অংশ রয়েছে জলের নিচে ও। আর এটাই এই হোটেলের প্রধান আকর্ষণ। ব্রিটিশ সংস্থা আটকিনস্ এই হোটেলের নকশা বানিয়েছে।

হোটেলটির নামেই অবশ্য তার বৈশিষ্ট্যের আভাস পাওয়া যায়। হোটেলটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিপ পিট হোটেল’। ২১ তলা হোটেলের ১৭টি ফ্লোর মাটির নিচে, দু’টি ফ্লোর পানির তলায় এবং দু’টি ফ্লোর মাটির উপরে।

হোটেলটিতে সব মিলিয়ে পর্যটকদের জন্য ৩৮৩টি রুম রয়েছে। হোটেলের মাঝখানে কাচের তৈরি কৃত্রিম জলপ্রপাত রয়েছে। হোটেলের নিচে দাঁড়িয়ে উপরে তাকালে মনে হবে, ঠিক যেন পাহাড়ের গা বেয়ে ৮০ ফুট নিচে গভীর খাদে নেমে আসছে জলপ্রপাতটি।

হঠাৎ খনিকে বিলাসবহুল হোটেলে পরিণত করা হল কেন? আগে পুরোমাত্রায় সচল থাকলেও বিগত কয়েক বছর ধরে পরিত্যক্তই ছিল ওই খনি এলাকাটি। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত চীনের।