ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য প্রত্যাহারে আহ্বান আইনজীবী সমিতির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০১৫
  • ৪৫০ বার
‘আইনজীবীদের ক্রটির কারণে ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মামলায় বিচারপ্রার্থীরা হেরে যান’, প্রধান বিচারপতির এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।
রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান আইনজীবীরা।
এদিকে প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষুদ্ধ একদল আইনজীবী  সমাবেশ ও মিছিল করেছেন।
আজ দুপুরে আইনজীবী সমিতির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করে তার বক্তব্যের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানান।
পরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন বলেন,  আমরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করে বলেছি আপনার বক্তব্যে আইনজীবীরা অসম্মানিত হয়েছেন। আপনার এ বক্তব্য সম্পূর্ণ সঠিক নয়।
তিনি বলেন, আমরা আইনজীবীরা সব সময় চেষ্টা করি মানুষ যাতে ন্যায়বিচার পায়। বার কাউন্সিল দেশের আইনজীবীদের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান। আইনজীবীরা পরীক্ষার মাধ্যমে কাউন্সিল থেকে সনদ নিয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।
তিনি বলেন, সরকার আসে সরকার যায়। কিন্তু রাষ্ট্র থেকে কখনো বার কাউন্সিলকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়না। আইনজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা বা ট্রেনিং দেয়ার জন্য রাষ্ট্র কোন ভূমিকা পালন করে না। রাষ্ট্র যদি বার কাউন্সিলকে আর্থিক সহায়তা দেয় তাহলে আইনজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই সংস্থা ভূমিকা রাখতে পারবে।
ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন বলেন, নিম্ন আদালতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবীদের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু উচ্চ আদালতে তৃতীয় শ্রেণি ডিগ্রী অর্জনকারী ব্যক্তিরাও বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন। ফলে কিছু বিচারপতিদের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে।
তিনি বলেন, শুধু আইনজীবীরাই নয় বিচারকদের দক্ষতা ও যোগ্যতার উপরও ন্যায় বিচারের বিষয়টি নির্ভর করে।
তিনি বলেন, সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু বিচারক নিয়োগে এখন পর্যন্ত কোন নীতিমালা করা হয়নি। সব সরকারই তাদের পছন্দমত লোককে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য প্রত্যাহারে আহ্বান আইনজীবী সমিতির

আপডেট টাইম : ০৪:০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০১৫
‘আইনজীবীদের ক্রটির কারণে ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মামলায় বিচারপ্রার্থীরা হেরে যান’, প্রধান বিচারপতির এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।
রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান আইনজীবীরা।
এদিকে প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষুদ্ধ একদল আইনজীবী  সমাবেশ ও মিছিল করেছেন।
আজ দুপুরে আইনজীবী সমিতির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করে তার বক্তব্যের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানান।
পরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন বলেন,  আমরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করে বলেছি আপনার বক্তব্যে আইনজীবীরা অসম্মানিত হয়েছেন। আপনার এ বক্তব্য সম্পূর্ণ সঠিক নয়।
তিনি বলেন, আমরা আইনজীবীরা সব সময় চেষ্টা করি মানুষ যাতে ন্যায়বিচার পায়। বার কাউন্সিল দেশের আইনজীবীদের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান। আইনজীবীরা পরীক্ষার মাধ্যমে কাউন্সিল থেকে সনদ নিয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।
তিনি বলেন, সরকার আসে সরকার যায়। কিন্তু রাষ্ট্র থেকে কখনো বার কাউন্সিলকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়না। আইনজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা বা ট্রেনিং দেয়ার জন্য রাষ্ট্র কোন ভূমিকা পালন করে না। রাষ্ট্র যদি বার কাউন্সিলকে আর্থিক সহায়তা দেয় তাহলে আইনজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই সংস্থা ভূমিকা রাখতে পারবে।
ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন বলেন, নিম্ন আদালতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবীদের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু উচ্চ আদালতে তৃতীয় শ্রেণি ডিগ্রী অর্জনকারী ব্যক্তিরাও বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন। ফলে কিছু বিচারপতিদের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে।
তিনি বলেন, শুধু আইনজীবীরাই নয় বিচারকদের দক্ষতা ও যোগ্যতার উপরও ন্যায় বিচারের বিষয়টি নির্ভর করে।
তিনি বলেন, সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু বিচারক নিয়োগে এখন পর্যন্ত কোন নীতিমালা করা হয়নি। সব সরকারই তাদের পছন্দমত লোককে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করে।