ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

ঢেঁড়স চাষ করে স্বাবলম্বী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৬৪৫ বার

ঢেঁড়স চাষ করে সাবলম্বী কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মোশাররফ হোসেন মুশা। মুশা এ উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের গোয়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত আফিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। ৫ বিঘা জমিতে ঢেঁড়সের চাষ করে মানুষ তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই ঢেঁড়স চাষি। তার ফলন ও আয় দেখে আরও অনেকেই ঢেঁড়স চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাগরখালী নদীতে জেগে ওঠা চরে বিভিন্ন ফসলের চাষ করছেন কৃষকরা। কিন্তু মোশাররফ হোসেন মুশা কেবলই ঢেঁড়স চাষে মনোযোগী হয়েছেন। আর এতে অন্যদের চেয়েও সফল হয়েছেন তিনি।

আলাপকালে মুশা জানান, এ বছর নদীতে পানি কম থাকার কারণে জেগে ওঠা চর ঢেঁড়স চাষের জন্য বেছে নেন। সেখানে প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ঢেঁড়সের চাষ করেন। চরের মাটি বেশ উর্বর থাকায় এখানে তার উৎপাদন খরচও বেশ কম হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শক্রমে বারি উদ্ভাবিত ‘বারি ঢেঁড়স-১’ জাতের ঢেঁড়সের চাষ করেছি। এতে বিঘাপ্রতি গড়ে আমি ১৫০-২০০ মন ঢেড়স পেয়েছি। বাজারে ঢেঁড়সের দাম ভালো থাকায় বেশ লাভবানও হয়েছি। আর এ বছর ঢেঁড়সের পোকা-মাকড়ের তেমন আক্রমনও ছিল না বলা যায়। ফলে খরচও কম হয়েছে।’

গোয়াবাড়ীয়া গ্রামের কৃষক জিয়াউল হক জানান, মুশা সারাবছরই সকলের চেয়ে আলাদা আলাদা চাষ করে থাকে। এ বছর সে নদীর চরে ঢেঁড়স চাষ করেছে। আমরা মনে করতাম নদীর চরে ঢেঁড়স ভালো হয় না। কিন্তু সে চাষ করে আমাদের পথ দেখিয়েছে।

এ ব্যপারে মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে ঢেঁড়সে পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হয়েছে। আর ঢেঁড়সের বিভিন্ন জাতের মধ্যে ‘বারি ঢেঁড়স-১’ এর ফলন ভালো। এটা চাষ করা লাভজনক।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢেঁড়স চাষ করে স্বাবলম্বী

আপডেট টাইম : ১১:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ঢেঁড়স চাষ করে সাবলম্বী কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মোশাররফ হোসেন মুশা। মুশা এ উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের গোয়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত আফিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। ৫ বিঘা জমিতে ঢেঁড়সের চাষ করে মানুষ তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই ঢেঁড়স চাষি। তার ফলন ও আয় দেখে আরও অনেকেই ঢেঁড়স চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাগরখালী নদীতে জেগে ওঠা চরে বিভিন্ন ফসলের চাষ করছেন কৃষকরা। কিন্তু মোশাররফ হোসেন মুশা কেবলই ঢেঁড়স চাষে মনোযোগী হয়েছেন। আর এতে অন্যদের চেয়েও সফল হয়েছেন তিনি।

আলাপকালে মুশা জানান, এ বছর নদীতে পানি কম থাকার কারণে জেগে ওঠা চর ঢেঁড়স চাষের জন্য বেছে নেন। সেখানে প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ঢেঁড়সের চাষ করেন। চরের মাটি বেশ উর্বর থাকায় এখানে তার উৎপাদন খরচও বেশ কম হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শক্রমে বারি উদ্ভাবিত ‘বারি ঢেঁড়স-১’ জাতের ঢেঁড়সের চাষ করেছি। এতে বিঘাপ্রতি গড়ে আমি ১৫০-২০০ মন ঢেড়স পেয়েছি। বাজারে ঢেঁড়সের দাম ভালো থাকায় বেশ লাভবানও হয়েছি। আর এ বছর ঢেঁড়সের পোকা-মাকড়ের তেমন আক্রমনও ছিল না বলা যায়। ফলে খরচও কম হয়েছে।’

গোয়াবাড়ীয়া গ্রামের কৃষক জিয়াউল হক জানান, মুশা সারাবছরই সকলের চেয়ে আলাদা আলাদা চাষ করে থাকে। এ বছর সে নদীর চরে ঢেঁড়স চাষ করেছে। আমরা মনে করতাম নদীর চরে ঢেঁড়স ভালো হয় না। কিন্তু সে চাষ করে আমাদের পথ দেখিয়েছে।

এ ব্যপারে মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে ঢেঁড়সে পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হয়েছে। আর ঢেঁড়সের বিভিন্ন জাতের মধ্যে ‘বারি ঢেঁড়স-১’ এর ফলন ভালো। এটা চাষ করা লাভজনক।’