ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

সম্ভাবনাময় আক্তাপাড়া মিনাবাজার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ এপ্রিল ২০১৮
  • ৪৪৪ বার

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নে এক অপার সম্ভাবনাময় বাজারে রূপ নিয়েছে আক্তাপাড়া মিনাবাজার। সাধারণ মানুষের ব্যবহার্য জিনিসপত্র, বাড়িঘর তৈরির জন্য সব ধরণের বাঁশ, হাওর পাড়ের মানুষের বর্ষায় চলাচলের প্রধান বাহন নৌকা, ঘর তৈরির ছনসহ প্রভৃতি পাওয়া যায় এই বাজারে। সম্প্রতি সরকারের ঘরেও নাকি কদর বেড়েছে এ বাজারের। রাজস্বখাতে এ বাজার গত বছর জমা দিয়েছে ৮ লক্ষাধিক টাকা। যা উপজেলার অনেকগুলো বাজারের একত্রিত রাজস্ব। বাঁশের বাজার হিসেবে আক্তাপাড়া মিনাবাজারের ঐতিহ্য ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত উপজেলায়। শুধু বাঁশের বাজার নয়, নৌকার বাজারের জন্যই এখন আরো নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে মিনাবাজারের। এছাড়াও কুটির শিল্পের আবাসভূমি এ বাজারই। আক্তাপাড়া গ্রামের সাধারণ কৃষকরা যখন সারা বছর ধান চাষ করতে ব্যস্ত থকেন, ধান ঘরে তোলার পর বা এর ফাকে ফাঁকে বাঁশের তৈরি কুটির শিল্পেরও কাজ করে থাকেন তারা। তারা বাঁশের দিয়ে বিভিন্ন নকশা খচিত রঙ বেরঙের ঘরের ছাদ, তরোজার বেড়াও তৈরি করে থাকেন। অনেক সৌখিন মানুষ ঘরের শ্রীবৃদ্ধির জন্য এসব বাঁশের তৈরি জিনিস ব্যবহার করে থাকেন। এতে এখানকার ব্যবসায়ীরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তেমনি বাচিয়ে রাখছেন আমাদের শখের কুটির শিল্পকেও।
রবিবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে শতাধিক মানুষের ভিড়। সবাই বাঁশ বাজারের ক্রেতা। কেউ কিনছে, কেউ বিক্রি করছে। অপরদিকে, কৃষি ব্যবহার্য জিনিস বিক্রিও বাড়ছে। মানুষের বেচা কেনার ধুম পড়েছে এ বাজারে। স্থানীয়দের দাবী, সরকার যদি সহযোগিতা করেন তাহলে বাজারের আরো সম্ভাবনা দেখা দিবে। সামনের সময়ে গরু ছাগলের বাজারও করার চিন্তা করছেন স্থানীরা।
ব্যবসায়ী কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মো. মশাহিদ আলী বলেন, ‘আমরা আমাদের বাজারের ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করছি। অনেক স্বপ্ন আছে এ বাজার নিয়ে। আমরা সামনে গরু ছাগলের বাজার করবো।’
আরেক ব্যবসায়ী স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমরা অনেক আশাবাদী। নৌকা, বাঁশ ইত্যাদির যে হারে ক্রেতা বাড়ছে তা সম্ভাবনাময়।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

সম্ভাবনাময় আক্তাপাড়া মিনাবাজার

আপডেট টাইম : ০৮:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ এপ্রিল ২০১৮

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নে এক অপার সম্ভাবনাময় বাজারে রূপ নিয়েছে আক্তাপাড়া মিনাবাজার। সাধারণ মানুষের ব্যবহার্য জিনিসপত্র, বাড়িঘর তৈরির জন্য সব ধরণের বাঁশ, হাওর পাড়ের মানুষের বর্ষায় চলাচলের প্রধান বাহন নৌকা, ঘর তৈরির ছনসহ প্রভৃতি পাওয়া যায় এই বাজারে। সম্প্রতি সরকারের ঘরেও নাকি কদর বেড়েছে এ বাজারের। রাজস্বখাতে এ বাজার গত বছর জমা দিয়েছে ৮ লক্ষাধিক টাকা। যা উপজেলার অনেকগুলো বাজারের একত্রিত রাজস্ব। বাঁশের বাজার হিসেবে আক্তাপাড়া মিনাবাজারের ঐতিহ্য ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত উপজেলায়। শুধু বাঁশের বাজার নয়, নৌকার বাজারের জন্যই এখন আরো নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে মিনাবাজারের। এছাড়াও কুটির শিল্পের আবাসভূমি এ বাজারই। আক্তাপাড়া গ্রামের সাধারণ কৃষকরা যখন সারা বছর ধান চাষ করতে ব্যস্ত থকেন, ধান ঘরে তোলার পর বা এর ফাকে ফাঁকে বাঁশের তৈরি কুটির শিল্পেরও কাজ করে থাকেন তারা। তারা বাঁশের দিয়ে বিভিন্ন নকশা খচিত রঙ বেরঙের ঘরের ছাদ, তরোজার বেড়াও তৈরি করে থাকেন। অনেক সৌখিন মানুষ ঘরের শ্রীবৃদ্ধির জন্য এসব বাঁশের তৈরি জিনিস ব্যবহার করে থাকেন। এতে এখানকার ব্যবসায়ীরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তেমনি বাচিয়ে রাখছেন আমাদের শখের কুটির শিল্পকেও।
রবিবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে শতাধিক মানুষের ভিড়। সবাই বাঁশ বাজারের ক্রেতা। কেউ কিনছে, কেউ বিক্রি করছে। অপরদিকে, কৃষি ব্যবহার্য জিনিস বিক্রিও বাড়ছে। মানুষের বেচা কেনার ধুম পড়েছে এ বাজারে। স্থানীয়দের দাবী, সরকার যদি সহযোগিতা করেন তাহলে বাজারের আরো সম্ভাবনা দেখা দিবে। সামনের সময়ে গরু ছাগলের বাজারও করার চিন্তা করছেন স্থানীরা।
ব্যবসায়ী কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মো. মশাহিদ আলী বলেন, ‘আমরা আমাদের বাজারের ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করছি। অনেক স্বপ্ন আছে এ বাজার নিয়ে। আমরা সামনে গরু ছাগলের বাজার করবো।’
আরেক ব্যবসায়ী স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমরা অনেক আশাবাদী। নৌকা, বাঁশ ইত্যাদির যে হারে ক্রেতা বাড়ছে তা সম্ভাবনাময়।