ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

দুই টাকার বদলে পাঁচ টাকাই হচ্ছে সরকারি মুদ্রা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৪৭৮ বার

সরকারি মুদ্রা হিসেবে দুই টাকার কয়েন এতোদিন সরকারি মুদ্রা হিসেবে প্রচলিত ছিল। কিন্তু দুই টাকার ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় সরকার পাঁচ টাকার কয়েনকে সরকারি মুদ্রা ঘোষণা করতে মঙ্গলবার সংসদে বাংলাদেশ কয়েনজ অর্ডার ১৯৭২ সংশোধন বিল সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে বিলটি পরীক্ষাপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলের উদ্দেশ্যে ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৭২ সালে দ্য বাংলাদেশ কয়েনজ অর্ডার দীর্ঘ ১৭ বছর পর ১৯৮৯ সালে সংশোধন করে ২ টাকাকে সরকারি মুদ্রা করা হয়। এর আগে সর্বোচ্চ এক টাকার মুদ্রা সরকারি মুদ্রা হিসেবে পরিচিত ছিল। ইতিমধ্যে ২৬ বছর অতিবাহিত হয়েছে। ২ টাকার ক্রয় ক্ষমতাও আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। এ কারণে বর্তমানে আইনের অধিকতর সংশোধনের মাধ্যমে ৫ টাকার নোটকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট অর্থের যোগান অপরিবির্তত থাকবে। এ কারণে মুল্যস্ফীতিজনিত প্রভাব হবে না।

বিলে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৪-৭৫ সালে বাজারে প্রচলিত মোট অর্থের মধ্যে সরকারি মুদ্রার পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছর শেষে যা দশমিক নয় শুন্য শতাংশে নেমে এসেছে। ৫ টাকা মূল্যমানের নোট ও কয়েনগুলোকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর করা হলে সরকারি মুদ্রার পরিমাণ বাজারে প্রচলিত মোট মুদ্রার ১ দশমিক পাঁচ শুন্য শতাংশে উন্নীত হবে।

এছাড়া ট্রেড মার্ক আইন ২০০৯ এর সংশোধন কল্পে ‘ট্রেডমার্ক (সংশোধন) আইন, ২০১৫’ মঙ্গলবার সংসদে উত্থাপিত হয়। শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু বিলটি দুটি উত্থাপন করেন। পরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বিলটি শিল্প ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

দুই টাকার বদলে পাঁচ টাকাই হচ্ছে সরকারি মুদ্রা

আপডেট টাইম : ১১:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

সরকারি মুদ্রা হিসেবে দুই টাকার কয়েন এতোদিন সরকারি মুদ্রা হিসেবে প্রচলিত ছিল। কিন্তু দুই টাকার ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় সরকার পাঁচ টাকার কয়েনকে সরকারি মুদ্রা ঘোষণা করতে মঙ্গলবার সংসদে বাংলাদেশ কয়েনজ অর্ডার ১৯৭২ সংশোধন বিল সংসদে উত্থাপিত হয়েছে।

বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে বিলটি পরীক্ষাপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলের উদ্দেশ্যে ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৭২ সালে দ্য বাংলাদেশ কয়েনজ অর্ডার দীর্ঘ ১৭ বছর পর ১৯৮৯ সালে সংশোধন করে ২ টাকাকে সরকারি মুদ্রা করা হয়। এর আগে সর্বোচ্চ এক টাকার মুদ্রা সরকারি মুদ্রা হিসেবে পরিচিত ছিল। ইতিমধ্যে ২৬ বছর অতিবাহিত হয়েছে। ২ টাকার ক্রয় ক্ষমতাও আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। এ কারণে বর্তমানে আইনের অধিকতর সংশোধনের মাধ্যমে ৫ টাকার নোটকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট অর্থের যোগান অপরিবির্তত থাকবে। এ কারণে মুল্যস্ফীতিজনিত প্রভাব হবে না।

বিলে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৪-৭৫ সালে বাজারে প্রচলিত মোট অর্থের মধ্যে সরকারি মুদ্রার পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছর শেষে যা দশমিক নয় শুন্য শতাংশে নেমে এসেছে। ৫ টাকা মূল্যমানের নোট ও কয়েনগুলোকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর করা হলে সরকারি মুদ্রার পরিমাণ বাজারে প্রচলিত মোট মুদ্রার ১ দশমিক পাঁচ শুন্য শতাংশে উন্নীত হবে।

এছাড়া ট্রেড মার্ক আইন ২০০৯ এর সংশোধন কল্পে ‘ট্রেডমার্ক (সংশোধন) আইন, ২০১৫’ মঙ্গলবার সংসদে উত্থাপিত হয়। শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু বিলটি দুটি উত্থাপন করেন। পরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বিলটি শিল্প ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।