ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পৌর যুবদলের আনন্দ র‌্যালি বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৬১৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে তিন দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন করছে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম। আমরণ অনশনের তৃতীয় দিন আজ পর্যন্ত নয় জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এর আগে ১০ জানুয়ারি থেকে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচিতে ২৬ জন অসুস্থ হয়েছেন।

লিয়াঁজো ফোরামের আহ্বায়ক মো. আব্দুল খালেক বলেন, আমরা আট দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোনো সাড়া পাইনি। জাতীয়করণের সুস্পষ্ট ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে যাব না। আমাদের আন্দোলন চলবে।

দাবি আদায়ের আন্দোলনের জন্য শিক্ষকদের পাঁচটি সংগঠনের সমন্বয়ে এই লিয়াঁজো ফোরাম গঠন করা হয়েছে। সেই পাঁচটি সংগঠন হচ্ছে-বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল), বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (শাহ আলম জসিম), বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়ন ও জাতীয় শিক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ।

শিক্ষক নেতারা জানান, জাতীয়করণ না হওয়া তারা নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন। বছরে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার কথা থাকলেও তা তারা পাচ্ছেন না। ভাতা পাচ্ছেন মাত্র ২৫ শতাংশ। যেখানে প্রাথমিকের শিক্ষকরা পাচ্ছেন শতভাগ। উৎসব ভাতা তিনটির জায়গা তারা পাচ্ছে দুইটা। পাচ্ছেন না বৈশাখি ভাতা। অবসরে গেলে একজন প্রাথমিকের শিকক্ষ যে পরিমাণ টাকা পান, তারা তার তুলনায় অনেক কম পান।

লিয়াঁজো ফোরামের আহ্বায়ক মো. আব্দুল খালেক জানান, সারা দেশে ২৭ হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে চার লাখ শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। জাতীয়করণের আওতায় না থাকায়, অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পাওয়ায় এসব শিক্ষকদের সংসার চালাতে হিসসিম খেতে হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মদনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পৌর যুবদলের আনন্দ র‌্যালি

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে

আপডেট টাইম : ০৫:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে তিন দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন করছে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম। আমরণ অনশনের তৃতীয় দিন আজ পর্যন্ত নয় জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এর আগে ১০ জানুয়ারি থেকে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচিতে ২৬ জন অসুস্থ হয়েছেন।

লিয়াঁজো ফোরামের আহ্বায়ক মো. আব্দুল খালেক বলেন, আমরা আট দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোনো সাড়া পাইনি। জাতীয়করণের সুস্পষ্ট ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে যাব না। আমাদের আন্দোলন চলবে।

দাবি আদায়ের আন্দোলনের জন্য শিক্ষকদের পাঁচটি সংগঠনের সমন্বয়ে এই লিয়াঁজো ফোরাম গঠন করা হয়েছে। সেই পাঁচটি সংগঠন হচ্ছে-বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল), বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (শাহ আলম জসিম), বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়ন ও জাতীয় শিক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ।

শিক্ষক নেতারা জানান, জাতীয়করণ না হওয়া তারা নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন। বছরে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার কথা থাকলেও তা তারা পাচ্ছেন না। ভাতা পাচ্ছেন মাত্র ২৫ শতাংশ। যেখানে প্রাথমিকের শিক্ষকরা পাচ্ছেন শতভাগ। উৎসব ভাতা তিনটির জায়গা তারা পাচ্ছে দুইটা। পাচ্ছেন না বৈশাখি ভাতা। অবসরে গেলে একজন প্রাথমিকের শিকক্ষ যে পরিমাণ টাকা পান, তারা তার তুলনায় অনেক কম পান।

লিয়াঁজো ফোরামের আহ্বায়ক মো. আব্দুল খালেক জানান, সারা দেশে ২৭ হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে চার লাখ শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। জাতীয়করণের আওতায় না থাকায়, অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পাওয়ায় এসব শিক্ষকদের সংসার চালাতে হিসসিম খেতে হয়।