হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেলদুয়ারে একই পরিবারে চার সদস্যের প্রতিবন্ধী পরিবারটি জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন না। সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রতিবন্ধীদের জন্য উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে ভাতা প্রদানের কর্মসূচি চালু থাকলেও ওই প্রতিবন্ধী পরিবারের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি এ সহযোগিতাটুকু। এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সংবাদ কর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন ওই পরিবারটি।
উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের মৃত নৃত্য চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে গোপল চন্দ্র সূত্রধর (৪৫)। জন্মগতভাবেই সে শারীরিক প্রতিবন্ধী (বীরবাউন)। তার স্ত্রী আন্না সূত্রধর প্রতিবন্ধী না হলেও বড় মেয়ে রাত্রী সূত্রধর (১২) জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। পরে জন্ম নেয় যমজ দুই মেয়ে রিনা ও বীনা (৭) তারাও জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। বড় মেয়ে রাত্রি এম. এ করিম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।
অসচ্ছল সংসারে পিতার কাঠমিস্ত্রি কাজে সহযোগিতার পাশাপাশি পড়া লেখাও চালিয়ে যাচ্ছে মেয়েটি। দুই যমজ বোন রিনা ও বীনা পড়ছে সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে। সংসার ও প্রতিবন্ধী তিন সন্তানের পড়ালেখার খরচ চালাতে প্রতিবন্ধী পিতার অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। অনাহারে-অর্ধাহারে কোনোরকম দিনাতিপাত করলেও নজরে আসেনি এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের।
আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, ওই পরিবারে প্রতিবন্ধী ভাতা দেয়া হচ্ছে। ভাতার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেন জানান, ওই পরিবারে ইতিপূর্বে কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা দেয়া হয়নি। তবে আগামীতে ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
Reporter Name 






















