ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১২ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৩৬৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ১২ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমা। আয়োজনকে সফল করতে স্বেচ্চাসেবীদের নিয়ে চলছে জোর প্রস্তুতি। এরই মধ্যে ইজতেমার প্রায় কাজ শেষ হয়ে গেছে।

তাবলিগ জামাতের মুরব্বি গিয়াস উদ্দিনের বলেন, আগামী ১২ জানুয়ারি ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরুর আগেই ময়দানসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যাবে।

বিশ্ব ইজতেমাকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করতে গতবারের মতো এবারো দুই পর্বে আয়োজন করা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি শুক্রবার ফজর নামাজের পরপরই আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। যা আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ১৪ জানুয়ারি শেষ হবে।

এরপর ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার ফজরের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে। প্রথম পর্বের মতো আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ২১ জানুয়ারি শেষ হবে।

প্রথম পর্বে (১২-১৪ জানুয়ারি) অংশগ্রহণকারী জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠিী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, নরসিংদী ও বগুড়া।

আর দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণকারী জেলাগুলো হলো- ঢাকা, জামালপুর, ফরিদপুর, কুড়িগ্রাম, ঝিনাইদহ, ফেনী, সুনামগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, রাজশাহী, খুলনা, ঠাকুরগাঁও ও পিরোজপুর।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সাল থেকে টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমায় যোগদানের ব্যাপারে ৬৪ জেলার অংশগ্রহণকারীদের ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক বছর পর পর সবাই ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। অর্থাৎ প্রতিবছর ৩২ জেলার লোকজন ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। আর এ ৩২ জেলার অংশগ্রহণকারীদেরও আবার দুই পর্বে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করতে হবে।

তবে বিদেশি মেহমানরা থাকবে এ বিভাজনমুক্ত। তারা প্রতি বছরের প্রত্যেক পর্বেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

১২ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে

আপডেট টাইম : ০১:২১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ১২ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমা। আয়োজনকে সফল করতে স্বেচ্চাসেবীদের নিয়ে চলছে জোর প্রস্তুতি। এরই মধ্যে ইজতেমার প্রায় কাজ শেষ হয়ে গেছে।

তাবলিগ জামাতের মুরব্বি গিয়াস উদ্দিনের বলেন, আগামী ১২ জানুয়ারি ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরুর আগেই ময়দানসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যাবে।

বিশ্ব ইজতেমাকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করতে গতবারের মতো এবারো দুই পর্বে আয়োজন করা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি শুক্রবার ফজর নামাজের পরপরই আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। যা আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ১৪ জানুয়ারি শেষ হবে।

এরপর ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার ফজরের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে। প্রথম পর্বের মতো আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ২১ জানুয়ারি শেষ হবে।

প্রথম পর্বে (১২-১৪ জানুয়ারি) অংশগ্রহণকারী জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠিী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, নরসিংদী ও বগুড়া।

আর দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণকারী জেলাগুলো হলো- ঢাকা, জামালপুর, ফরিদপুর, কুড়িগ্রাম, ঝিনাইদহ, ফেনী, সুনামগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, রাজশাহী, খুলনা, ঠাকুরগাঁও ও পিরোজপুর।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সাল থেকে টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমায় যোগদানের ব্যাপারে ৬৪ জেলার অংশগ্রহণকারীদের ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক বছর পর পর সবাই ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। অর্থাৎ প্রতিবছর ৩২ জেলার লোকজন ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। আর এ ৩২ জেলার অংশগ্রহণকারীদেরও আবার দুই পর্বে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করতে হবে।

তবে বিদেশি মেহমানরা থাকবে এ বিভাজনমুক্ত। তারা প্রতি বছরের প্রত্যেক পর্বেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।