ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিয়ে যা বললেন রংপুরের মেয়র মোস্তফা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৩৯৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশীর্বাদ নিয়েই পথ চলতে চান রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নতুন নির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। প্রধানমন্ত্রীর কদমবুসি করে সে প্রত্যয়ের কথাই ব্যক্ত করেলন এই রসিক মেয়র।

গণভবনে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছিল নবনির্বাচিত মেয়রের শপথ পাঠ। তাকে শপথবাক্য পড়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আনুষ্ঠানিক শপথ পাঠের পর প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যান মেয়র মোস্তফা। নুয়ে কদমবুসি করেন প্রধানমন্ত্রীর।

আর নিজের বাম হাতটি মাথায় আর ডান হাত পীঠে বুলিয়ে দিয়ে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় আশীর্বাদ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় পার্টির অপর নেতা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মসিউর রহমান রাঙা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পার্টি বর্তমান সংসদে প্রধান বিরোধী দল। এছাড়া সরকারেও রয়েছে এই দলের অংশগ্রহণ। দলের পক্ষ থেকে কয়েকজন নেতা মন্ত্রিসভায়ও রয়েছেন। তবে রংপুরের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জোট হিসেবে নয়, এককভাবে আলাদা প্রার্থী দিয়ে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়ে তবেই জয়ী হয়েছে।

মোস্তাফিজার রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে সরকার সমর্থিত আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে পরাজিত করেই হয়েছেন রংপুরের নগর পিতা।আওয়ামী লীগ তথা সরকার থেকে বলা হয়েছে, এই নির্বাচনে তাদের দলের হার হয়েছে ঠিকই তবে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। আর রসিক মেয়রকে প্রধানমন্ত্রীর মাথায় পীঠে হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ আরেকটি কথা প্রমাণ করে, সরকার প্রধান যিনি তিনি সবার। হোক সে জাতীয় পার্টি কিংবা নিজ দলের। এমনকি বিএনপির বেলায়ও জাতি দেখেছে তার একই আচরণ।

মোস্তাফিজার কিন্তু এমন প্রথম উদাহরণ নন। এর আগে বিএনপি সমর্থিত, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়ে শপথ পাঠ করেছিলেন কুমিল্লার মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। শপথ নেওয়ার পর তিনিও সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করে তার কাজ চালিয়ে নেওয়ার আশীর্বাদ চেয়েছিলেন।

একটি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মানেই তিনি রাষ্ট্রের সেবক, সরকারের অংশ। তাকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাতেই কাজ করতে হবে। অভিজ্ঞমহল মনে করেন, একটি দেশের রাজনীতিতে যখন দল-মতের ঊর্ধ্ব উঠে যেতে পারেন কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তখন তা সার্বিকভাবে গোটা দেশের জন্য, সমাজের জন্য এবং রাজনীতির জন্য ভালো ফল বয়ে আনে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে সৃষ্ট এই দৃশ্য দেশে সহনশীল রাজনীতি চর্চার পথ আরও সুগম করবে এটাই তাদের বিশ্বাস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিয়ে যা বললেন রংপুরের মেয়র মোস্তফা

আপডেট টাইম : ১২:১২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশীর্বাদ নিয়েই পথ চলতে চান রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নতুন নির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। প্রধানমন্ত্রীর কদমবুসি করে সে প্রত্যয়ের কথাই ব্যক্ত করেলন এই রসিক মেয়র।

গণভবনে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছিল নবনির্বাচিত মেয়রের শপথ পাঠ। তাকে শপথবাক্য পড়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আনুষ্ঠানিক শপথ পাঠের পর প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যান মেয়র মোস্তফা। নুয়ে কদমবুসি করেন প্রধানমন্ত্রীর।

আর নিজের বাম হাতটি মাথায় আর ডান হাত পীঠে বুলিয়ে দিয়ে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় আশীর্বাদ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় পার্টির অপর নেতা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মসিউর রহমান রাঙা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পার্টি বর্তমান সংসদে প্রধান বিরোধী দল। এছাড়া সরকারেও রয়েছে এই দলের অংশগ্রহণ। দলের পক্ষ থেকে কয়েকজন নেতা মন্ত্রিসভায়ও রয়েছেন। তবে রংপুরের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জোট হিসেবে নয়, এককভাবে আলাদা প্রার্থী দিয়ে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়ে তবেই জয়ী হয়েছে।

মোস্তাফিজার রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে সরকার সমর্থিত আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে পরাজিত করেই হয়েছেন রংপুরের নগর পিতা।আওয়ামী লীগ তথা সরকার থেকে বলা হয়েছে, এই নির্বাচনে তাদের দলের হার হয়েছে ঠিকই তবে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। আর রসিক মেয়রকে প্রধানমন্ত্রীর মাথায় পীঠে হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ আরেকটি কথা প্রমাণ করে, সরকার প্রধান যিনি তিনি সবার। হোক সে জাতীয় পার্টি কিংবা নিজ দলের। এমনকি বিএনপির বেলায়ও জাতি দেখেছে তার একই আচরণ।

মোস্তাফিজার কিন্তু এমন প্রথম উদাহরণ নন। এর আগে বিএনপি সমর্থিত, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়ে শপথ পাঠ করেছিলেন কুমিল্লার মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। শপথ নেওয়ার পর তিনিও সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করে তার কাজ চালিয়ে নেওয়ার আশীর্বাদ চেয়েছিলেন।

একটি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মানেই তিনি রাষ্ট্রের সেবক, সরকারের অংশ। তাকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাতেই কাজ করতে হবে। অভিজ্ঞমহল মনে করেন, একটি দেশের রাজনীতিতে যখন দল-মতের ঊর্ধ্ব উঠে যেতে পারেন কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তখন তা সার্বিকভাবে গোটা দেশের জন্য, সমাজের জন্য এবং রাজনীতির জন্য ভালো ফল বয়ে আনে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে সৃষ্ট এই দৃশ্য দেশে সহনশীল রাজনীতি চর্চার পথ আরও সুগম করবে এটাই তাদের বিশ্বাস।