ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

দরিদ্র মেধাবী শিশু শিক্ষার্থীদের সামান্য কিছু দিতে পেরে আমরা আনন্দিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৩৮৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে। গত ১ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে শহরের রেলওয়ে স্ক্যাভেঞ্জারার্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫৬ জন শিক্ষার্থীর হাতে খাতা ও কলম তুলে দেওয়া হয়।

এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে তারুণ্যের অগ্রদূত নামের একটি সংগঠন। শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন শুভসংঘ চাঁদপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত ইমন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ভিভিয়ান ঘোষ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তারুণ্যের অগ্রদূতের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া আক্তার, শুভসংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউসার মিয়াজী, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান।

কর্মসূচি সফল করতে তাঁদের সহায়তা করেন পারভেজ তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, শামীম খান, নজরুল ইসলাম বাবু ও প্রশান্ত। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া শিশু শিক্ষার্থীরা খাতা ও কলম পেয়ে নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের হালকা নাশতাও দেওয়া হয়। শুভসংঘ চাঁদপুর জেলা শাখা ও তারুণ্যের অগ্রদূত সংগঠনের নেতারা ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচি গ্রহণের কথা তুলে ধরে বলেন, দারিদ্র্যের কশাঘাতে ওদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।

কোনো মতে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ হলেও শিক্ষা উপকরণ জোগাতে কষ্ট হচ্ছিল। তাদের মা-বাবার অসহায়ত্ব চোখে পড়ে। চাঁদপুর সরকারি কলেজ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সহপাঠী কয়েকজন বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম, সপ্তাহে এক দিন এসব শিশুর পাশে দাঁড়াব। সেই লক্ষ্যে বিশেষ পাঠদানসহ শিক্ষা প্রসারে তাদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সাখাওয়াত ইমন বলেন, শুভ কাজে সবার পাশে থাকার প্রেরণা নিয়ে দরিদ্র অথচ মেধাবী এমন শিশু শিক্ষার্থীদের সামান্য কিছু দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের কল্যাণে কাজের মানসিকতায় আমাদের নতুন বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

দরিদ্র মেধাবী শিশু শিক্ষার্থীদের সামান্য কিছু দিতে পেরে আমরা আনন্দিত

আপডেট টাইম : ০৩:৪২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে। গত ১ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে শহরের রেলওয়ে স্ক্যাভেঞ্জারার্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫৬ জন শিক্ষার্থীর হাতে খাতা ও কলম তুলে দেওয়া হয়।

এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে তারুণ্যের অগ্রদূত নামের একটি সংগঠন। শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন শুভসংঘ চাঁদপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত ইমন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ভিভিয়ান ঘোষ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তারুণ্যের অগ্রদূতের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া আক্তার, শুভসংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউসার মিয়াজী, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান।

কর্মসূচি সফল করতে তাঁদের সহায়তা করেন পারভেজ তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, শামীম খান, নজরুল ইসলাম বাবু ও প্রশান্ত। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া শিশু শিক্ষার্থীরা খাতা ও কলম পেয়ে নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের হালকা নাশতাও দেওয়া হয়। শুভসংঘ চাঁদপুর জেলা শাখা ও তারুণ্যের অগ্রদূত সংগঠনের নেতারা ব্যতিক্রমধর্মী এই কর্মসূচি গ্রহণের কথা তুলে ধরে বলেন, দারিদ্র্যের কশাঘাতে ওদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।

কোনো মতে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ হলেও শিক্ষা উপকরণ জোগাতে কষ্ট হচ্ছিল। তাদের মা-বাবার অসহায়ত্ব চোখে পড়ে। চাঁদপুর সরকারি কলেজ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সহপাঠী কয়েকজন বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম, সপ্তাহে এক দিন এসব শিশুর পাশে দাঁড়াব। সেই লক্ষ্যে বিশেষ পাঠদানসহ শিক্ষা প্রসারে তাদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সাখাওয়াত ইমন বলেন, শুভ কাজে সবার পাশে থাকার প্রেরণা নিয়ে দরিদ্র অথচ মেধাবী এমন শিশু শিক্ষার্থীদের সামান্য কিছু দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের কল্যাণে কাজের মানসিকতায় আমাদের নতুন বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করব।