হাওর বার্তা ডেস্কঃ জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে স্মরণ রাখার জন্য দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। গত রাতে গুলশান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের ওপর রচিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সবসময় জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে ভালোবেসেছে। সেজন্য আমি এদেশের মানুষের কাছে চির কৃতজ্ঞ। জিয়াউর রহমানের সেই রক্তই তারেক রহমানের গায়ে, সেই রক্তই ছিল আরাফাত রহমানের গায়ে। তারা নিজেরা কিছু পাওয়ার জন্য নয়, দেশের মানুষকে কিছু দেয়ার জন্য, দেশের সম্মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে, করেছে।
লন্ডনে চিকিৎসাধীন জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেকের প্রশংসা করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘তারেক রহমান দেশের সম্মান বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখনও বাংলাদেশের কেউ যখনই যায়, নেতাকর্মী অথবা বড় কেউ গেলে তাদের সঙ্গে দেখা করে। তাদের কাছ থেকে দেশ সম্পর্কে জানতে চায়। মাঝে মাঝে যে বক্তব্যগুলো দেয়, সেই বক্তব্য থেকে আপনারা বুঝতে পারেন যে তারেক রহমান কতটুকু সত্য কথা বলছে। তার এই সত্য কথার জন্য আজকে এই সরকার, সেই সত্য কথা যাতে প্রচার না হয়, সেজন্য তার বক্তব্য প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে। কাজেই বুঝতে পারছেন তারেক রহমানের ওপরে তারা (সরকার) মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কতগুলো পত্রিকা অন্যায়ভাবে তারেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা ওই পত্রিকাগুলোতে লিখছেন তারাই নিজেরা নিজেদের চরিত্রটা বিশ্লেষণ করে দেখবেন যে তারা কি জিনিস। তিনি বলেন, তারেক রহমান আমার ছেলে। তার কিছু পাবার নেই, শুধু কিছু দেবারই আছে মানুষের জন্য। সেজন্য সে কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন যাতে সে সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে, দেশের মানুষের মাঝে ফিরে আসতে পারে। এই দোয়া সবাই করবেন।
‘ডেমোক্রেটিক পলিসি ফোরাম’এর উদ্যোগে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর রচিত তিনটি সংকলিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। গ্রন্থ তিনটি হচ্ছে, ‘তারেক রহমান ও বাংলাদেশ’ ‘তারেক রহমানের রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি’ এবং ‘দীপ্তিমান দেশনায়ক’। এই তিনটি গ্রন্থের লেখক হচ্ছেন মাহবুবুর রহমান, সাইফুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরীর এ্যানির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটি সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মঞ্চে ছিলেন।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, মীর নাসির, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, আবদুল কাইয়ুম, মিজানুর রহমান সিনহা, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, বিলকিস জাহান শিরিন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, কামরুজ্জামান রতন, নুরী আরা সাফা, আফরোজা আব্বাস, শিরিন সুলতানা, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আজিজুল বারী হেলাল, মীর সরফত আলী সপু, এবিএম মোশাররফ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপিকা তাজমেরী এস ইসলাম, অধ্যাপক মামুন আহমেদ, অধ্যাপিকা তাহমিদা আখতার টফি, বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, আবদুস সালাম আজাদ, মাহবুবুল হক নান্নু, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, আহসানউল্লাহ হাসান, সাইফুল ইসলাম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করীম বাদরু, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 






















